4 Responses

  1. Abu Sulaiman
    Abu Sulaiman at |

    ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ এর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত সময়ে কথিত আছে ৩০/৪০ হাজার বিরোধী রাজনৈতিক নেতা কর্মি খুন হয় আওয়ামীলিগ নেতৃত্বের হাতে।… বাক্যটির কথিত শব্দটি একটু পরিবর্তন করে তথ্যভিত্তিক করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সোর্স এর নাম তালিকা দরকার হবে। সেটা সহজেই আমাদের গ্রুপের কারো কাছ থেকে জানা যেতে পারে।

    এ্যানিহাউ, বিশ্লেষণমূলক লিখার জন্য ধন্যবাদ।

    Reply
  2. Abu Sulaiman
    Abu Sulaiman at |

    পরিশেষে, খুনের পরিসংখ্যান দিয়ে যে লেখা শুরু করেছিলাম,তার শেষে বলতে হয়, জাময়াতের উপর অত্যাচার নির্যাতন কোনভাবেই আওয়ামীলিগকে জয়ী করবেনা বরং জামায়াত ও তার মিত্রদেরকেই আরো শক্তিশালী করবে…… যে খুন জাসদ কে ধ্বংস করল তা জামায়াত কে শক্তিশালী করবে কেন? এবং সে ক্ষেত্রে জামায়াত কে কী উপায় অবলম্বন করতে হবে তা বিশেষভাবে উল্লেখ করলে ভালো হতো। প্রয়োজনে এ বিষয় নিয়ে সিকুয়েল আকারে দ্বিতীয় পর্ব আসতে পারে…

    Reply
  3. শাকিল মামুন
    শাকিল মামুন at |

    সম্ভবত ২০১২ সালে কুলদীপ নায়ারের একটা প্রবন্ধ ছাপা হয়েছিল প্রথম আলোতে। সেখানে তিনি অনেকটা এমন মন্তব্য করেছিলেন, কোন আদর্শিক আন্দোলন যখন রাজনৈতিক বিজয়ের জন্য সাময়িকভাবে আদর্শকে বিসর্জন দেয়, তখন তার আদর্শিক পরাজয় ঘটে। এক্ষেত্রে আদর্শিক আন্দোলনগুলো পরবর্তীতে কখনোই আর দাঁড়াতে পারে না। এক্ষেত্রে তিনি ভারতের মাওবাদী আন্দোলনের কথা উল্লেখ করেছিলেন। পশ্চিম বঙ্গ সরকারের উদাহরণও টেনেছিলেন।

    জামায়াতও একটা আদর্শিক আন্দোলনেরই নাম। রাজনীতি করতে গিয়ে কোনভাবেও যদি আদর্শের সঙ্গে আপোস করে, তার পরিণাম ভোগ করতে হবে তাদেরকে। এক্ষেত্রে করণীয় কি হবে, তা বিশ্লেষকরা বলবেন। তবে আমি কেবল এতটুকু বলতে পারি, কর্মীদের অহেতুক মৃত্যূর মুখে ঠেলে দেয়া বুদ্ধিমানের পরিচয় নয়। কৌশলগতভাবে যেভাবেই হোক, জামায়াতের চেয়ে এখনো অনেকগুন শক্তিশালী অবস্থানে আছে আওয়ামী লীগ। যেভাবেই হোক, শেখ হাসিনা এখনো অন্তত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। এই অবস্থায় নেতাদের আত্নঘাতি সিদ্ধান্ত বড় ধরণের বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিতে পারে জামায়াতকে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে সংকটজনক অবস্থা এলেও শক্তিশালী কোন নেতার আগমণ চোখে পড়ছে না। নেতৃত্বশূন্য জামায়াত বিশাল পরীক্ষীত কর্মীর ভান্ডার নিয়ে কতদূর চলতে পারবে তা বলা সত্যিই কষ্টকর। আর রাজনৈতিক এই সংকটময় অবস্থায় কোনভাবে আদর্শের সঙ্গে আপোস করলে তা হবে সবচেয়ে বড় আত্নঘাতি সিদ্ধান্ত। এতে কেবল জামায়াতই নয়, বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের ভবিষ্যতটাই হুমকীর মুখে পড়বে।

    Reply
  4. শাকিল মামুন
    শাকিল মামুন at |

    পেশী শক্তির যে কথা বললেন, তা ঠিক আছে। মুশকীল হচ্ছে, একটা আদর্শিক আন্দোলন কিভাবে পরিচালনা করতে হয়, তার স্পষ্ট ধারণা এখনো জামায়াত তার কর্মীদের মধ্যে আনতে পারেনি। রাসুলুল্লাহর বিপ্লবী জীবন অধ্যয়ন করা হয় বটে, তবে তার বাস্তবায়ন সাংগঠনিক কর্মকান্ডে কিংবা নেতাদের ব্যক্তিগত চরিত্রে খুব কমই ফুটিয়ে তোলা হয়।

    Reply

Leave a Reply