One Response

  1. আহমদ মুসা
    আহমদ মুসা at |

    স্যার শুরুতে সালাম নেবেন । আপনার লেখার (১ম পর্ব) টা পড়লাম । খুব ভালো লেগেছে । অনেক অজানা বিষয় জানা গেল । আপনার ‘ক্লাস্টার অব অর্গানাইজেশনস’ প্রস্তাবটা খুব ভালো লেগেছে । আমি নিজেও বেশ কিছুদিন ধরে এই বিষয়টা নিয়ে ভাবছিলাম। বাংলাদেশে ইসলামী মৌলবাদের প্রতীক হচ্ছে জামায়াত এই কথাটা 100% ঠিক । আর এই বিষয়টি খুব চমৎকার : ‘আল্লাহর এইসব নির্দেশের চেয়ে কি আমীরের কাছে শপথ নেওয়া বড়হয়ে গেছে? তারা দুনিয়ার বহু প্রশ্নেই তো আপস করছে।’ তবে কিছু প্রশ্ন ছিলো ।
    1. আসলেই কি অন্য ইসলামী দলগুলোও চাইতে তো পাকিস্তান অখন্ড রাখার চেষ্টায় জামায়াত এগিয়ে ছিল ? মন্ত্রীসভার সদস্য সহ আলবদর বাহিনী, রাজাকার বাহিনী, শামস বাহিনী সবই কি জামায়াতের ? মুসলিম লীগ সহ অন্য ইসলামী দলগুলোর ভুমিকা কেমন ছিল?
    2.শুধু একটি নয় প্রায় বিষয়ে জামায়াত -শিবির তার নেতা-কর্মীদের ক্লিয়ার করেনা । এবং এক ধরনের দুরত্ব বজায় রাখে । এটা কেন ?
    3.বাস্তবতা তাদেরকে বলছে, আরব ভূমিতে আর আগের খেলাফত হবে না। বাস্তবতা তাদেরকে বলছে, আধুনিক যুগে সে ধরনের ইসলামী রাষ্ট্র এখন আর প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।শুধু এই বাস্তবতার দোহাই দিয়ে কি এমন একটি মৌলিক বিধানকে এড়িয়ে যাওয়া যায় বা তা কি যুক্তি যুক্ত ? এখানে কি রাজতান্ত্রিক লালসাই বড় সমস্যা নয় ?
    4.ক্যাডার ভিত্তিক আন্দোলনের কারনে জামায়াত গনমানুষের দল হচ্ছে না সত্য, তবে এর বিকল্প কি ? আর নেতার আনুগত্য নিয়ে আমরা যতই কথা বলি তবে তারও কি বিকল্প আছে ? আমরা কমিউনিস্ট আন্দোলনের বর্তমান অবস্থা দেখেইতো বুঝতে পারি নেতার প্রতি আনুগত্য না থাকার ফলে কেমনে 1 দল 10 দল হয় ।আর ইসলামী আন্দোলনের জন্য ক্যাডার ভিত্তিক আন্দোলনের বিকল্প কি হতে পারে । এর পরেও তো বর্তমান সময়ে কর্মী-নেতাদের মান নিয়ে অনেক প্রশ্ন দেখা দিচেছ ?

    Reply

Leave a Reply