2 Responses

  1. Shahidul Hoque
    Shahidul Hoque at |

    পাকিস্তানী কয়েকজন তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধির সাথে কথা বললাম। আগের আমীর মাওলানা মুনাওয়ার হাসানের প্রতি তাদের ভালো ধারণা ছিল কারণ এদের অনেকেই বিশ্বাস করে, উনার কারণে ইমরান খানের রাজনীতিতে ভালো করা সুবিধা হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের চাহিদার কাছাকাছি থেকেছে।

    বর্তমান আমীরকেও একেবারে সাধারণ অর্থনৈতিক পরিবার থেকে একটি দলের প্রধান হিসেবে জামায়াত জায়গা করে দিতে পেরেছে, সেই দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে।

    পুরো বিষয়টাকে চেইঞ্জিং ট্র্যাডিশন হিসেবে না দেখে বরং পাকিস্তানের রাজনীতিতে ক্রমান্নয়ে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহন বৃদ্ধি পাওয়ায়, জামায়াতের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খেয়ে নেয়া হিসেবে ধরাই অধিক যুক্তিযুক্ত।

    Reply
    1. এম এন হাসান
      এম এন হাসান at |

      আপনার কথা হয়ত সত্য যে পাকিস্তানের রাজনীতিতে তরুনদের আগমন ঘটছে।তবে এটাও সত্য যে জামায়াতের জন্য এইটা একটা মাইল ফলক কেননা সাবেক আমীর ও সেক্রেটারী লিয়াকত বালুস দুই জন ই “old vanguard”,তাদেরকে রুকনদের মাত্র ছোট্ট একটা অংশ ভোট দিয়েছেন কিন্তু বাকীরা দিয়েছেন সিরাজুল হক কে। আমীর কেন্দ্রীক দল হওয়ার কারনে ৩ সদস্যের প্যানেলে existing আমীর বরাবরই এগিয়ে থাকেন,তাকে ভোট দেওয়া অনেকটা সওয়াবের মত।তার উপর লিয়াকত বালুস হচ্ছে সাংগঠনিক ‘muscle man’, যাদের হাতে রয়েছে পেইড ফুল টাইমারদের একটা অংশ, যারা স্বভাবতই নিজেদের ‘অস্তিত্বের’ স্বার্থে আমীর সেক্রেটারীর বিরুদ্ধে কথা বলেননা।কিন্তু দলের মেজরিটি যে এভাবে তাদের এগেইনস্টে চলে গেছেন সেটা হয়ত ওনারা বুঝতেও পারেননি।যেভাবেই আমরা দেখিনা কেন আমার কাছে মনে হয়েছে it is a revolutionary move within.

      Reply

Leave a Reply