One Response

  1. abu Sulaiman
    abu Sulaiman at |

    ধন্যবাদ ভাই তনময় রাশেদ কে সুন্দর এই লিখাটি পোস্ট করে পড়ার সূযোগ করে দেবার জন্য।
    ************************************************************************************************
    ১। তবে লিখাটি বেশি সংক্ষিপ্ত হয়ে গেছে। এটি কে বিস্তারিত করে ব্যক্তিক, সামাজিক, সামষ্টিক পর্যায়ে কে কি দায়িত্ব পালন করতে পারে তা নির্ধারণ করা দরকার। কারণ স্বাধীনতার বিষয়টিকে আমরা অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক কিংবা অনেক দায়িত্ব বিবেচনা করে ব্যক্তিক পর্যায়ে আমাদের কি দায়িত্ব তা নির্ণয় করতে পারিনা। ফলে আমাদের ভেতর কোন স্বপন বা দায়িত্ববোধ জন্ম লাভ করেনা। সব দায়িত্ব অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে আমরা বসে অলসতায় সময় নষ্ট করি।

    ২। স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য যা করণীয় বলে চিহ্নিত করা হয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য অনেক বেশি কাজ এবং সে কাজের ধরণও অনেক ধরণের। তাই নারী-পুরুষ, ছেলে-মেয়ে, তরুণ, বয়স্ক, যুবক, শিশু, আলেম সমাজ, আধুনিক শিক্ষিত সমাজ, উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন পেশাজীবী ব্যক্তিবর্গ, মা-মেয়ে, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী, কৃষক-শ্রমিক, কামার-কুমার, তাঁতি-জেলে সহ সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের ভূমিকা কি হবে বা হওয়া উচিত তা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে গবেষণাভিত্তিক লিখা তৈরী করা দরকার।

    কারণ স্বাধীনতা রক্ষায় সামগ্রিকভাবে কি প্রয়োজন, কে কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, কার ভূমিকার কতটুকু প্রয়োজন, কার ভূমিকা দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান, কে আগে কে পরে, কে দেশ-হতে কেবা বিদেশ হতে দায়িত্ব পালন করবে, কে ডিপ্লোমেটিক্যালি কেবা ফিজিক্যালি দায়িত্ব পালন করবে, কোন ভূমিকার কতটুকু দরকার এসব বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র সামনে না থাকলে পুরো জাতিকে এক ফ্রন্টে (এক রাজনৈতিক দল কিংবা একটি মাত্র ইস্লামি আন্দোলের ব্যানারে নয়, বরং একই লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের জন্য কাজ করা অর্থে) শামিল করানো সম্ভব হবেনা। একে অপরকে মূল্যায়ন করতে শিখবেনা, একে অন্যের প্রয়োজন বুঝবেনা, নিজের পুরো সত্তাকে এখানে বিনিয়োগ করতে পারবেনা। একটি পরিবারের সকল জনশক্তির সকল কর্মঘন্টাকে জীবন-যাপন প্রক্রিয়াকে সচল রাখার পাশাপাশি কিভাবে একাজে লাগানো যায় তা শিখবেনা। তাই সকলের ভূমিকার গুরুত্ব এবং সকলের ভূমিকা পলনের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত তথ্যবহুল গবেষণা প্রয়োজন।

    ৩। স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানের বিভেদের রাজনীতি এক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালঞ্জ। কিভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যায়- সে বিষয়ে আরো বিস্তারিত লিখা দরকার ছিল। ইস্লামি আন্দোলন কিংবা ইস্লাম-ইন্সপায়ার্ড রাজনীতিকরা কি ভূমিকা পালন করতে পারে তা বিস্তারিত উঠে আসা দরকার । লেখক সযতনে এসব বিষয় এড়িয়ে গেছেন যা এক ধরণের দায়িত্ব না নেয়া কিংবা \এবং দায়িত্বপালনে অনিচ্ছুকতার নামান্তর। এ বিষয়ে আরো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আসতে পারে। আজ না হোক কাল, কেউ কেউ তা পালনে এগিয়ে আসতে পারে। আজকের রাজনীতিকরা না হলেও ভবিষ্যতের কেউ এগিয়ে এসে হাল ধরতে পারে। তাই জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট “দায়িত্ব-ছক” থাকা দরকার যাতে যে কেউ তার দায়িত্ব পালনের বিষয়ে সচেতন হতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অন্যকে সম্মান জানানোর পাশিপাশি নিজে কাজ করে যেতে পারে। অন্যদের কে তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে পারে। এ বিষয়ে যেহেতু লেখকের গবেষণা আছে, তাই তাঁর নিকট আরো বিস্তারিত গবেষণাপত্র আশা করি।

    ৪। তন্ময় রাশেদ ভাই আমাদের ব্লগপাড়ার এই খবরটুকু কষ্ট করে লেখক পর্যন্ত বহন করে নিয়ে যাবেন এই আশা করা নিশ্চয়ই আমার জিন্য দোষের কিছু হবেনা।

    Reply

Leave a Reply