ইসলামী দলগুলোর মধ্যে আদর্শিক দন্ধ উস্কে দিলেন শিবির সভাপতি?

লিখেছেন; সালমান তারেক শাকিল

বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক রাজনীতি ও সংযুক্ত আলেমদের নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছেন বিতর্কিত তাত্ত্বিক আবুল আলা মওদুদী প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠন ছাত্র শিবিরের সভাপতি আবদুল জব্বার। রাজনীতিতে বাংলাদেশের আলেমদের সম্পৃক্ততা তৈরি হয়েছে একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত গোলাম আযমের চেষ্টায়, এছাড়া ইসলামী ঐক্যও প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন বলে শিবির সভাপতির দাবি। তার এ দাবিকে ‘মুর্খের আস্ফালন ও বিভ্রান্তিকর’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক রাজনীতিকরা। বলছেন, ‘ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক পাঠ নিতে পারেননি আবদুল জব্বার। শুধু অন্ধের মতো  একমুখী পুস্তক পড়াশোনা করেছেন বলেই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে তার বেহাল দশা।

মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া ‘ইসলাম বিদ্বেষীদের ৫ মে গণহত্যার উল্লাস অতঃপর ইসলাম পন্থীদের ভাবনা’ শীর্ষক প্রবন্ধে এ তথ্যগুলো প্রচার করেন তিনি। তার মতে, ‘১৯৮১ সালের আগপর্যন্ত ইসলামে যে রাজনীতি আছে তা স্বীকার করতেন না বাংলাদেশের অধিকাংশ আলেম। ইসলামী রাজনীতির প্রচার-প্রসারের মাধ্যমে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলে আসছিল শুধু জামায়াতে ইসলামী। ইসলামে রাজনীতি আছে এবং সমাজব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য ইসলামী রাজনীতির বিকল্প নেই তা পীর সাহেব বা খানকার খাদেমরা জানলেও অস্বীকার করার মূল কারণ হলো-ওনারা পীর দরবার ও খানকায়ের আয়েশি জিন্দেগি থেকে বের হয়ে আসতে নারাজ ছিলেন।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘ইসলামী রাজনীতির পক্ষে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় সে সময়ে অনেক আলেম জামায়াতে ইসলামী সম্পৃক্তদের ফিরকাবাজ, নতুন ইসলামের প্রবর্তক ইত্যাদি বলে ফতোয়া দিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি। জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীণ আমির গোলাম আযম আশির দশকে আলেমদেরকে ইসলামী রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে এবং ১৯৯৪ সালের দিকে এ দেশের সর্বস্তরের হাক্কানি আলেম ওলামাদের সঙ্গে নিয়ে ইসলামী ঐক্য তৈরি করতে চেয়েছিলেন। এর কার্যক্রম অনেকদূর পর্যন্ত আগালেও কিছু আলেম ওলামাদের চরম একগুঁয়েমি ও নির্বোধ আচরণের কারণে সব প্রচেষ্ঠা ভেস্তে যায়।’

তার এ লেখার বিষয়ে  ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়ামের সদস্য মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, গোলাম আযম কে? তার জন্ম কবে? ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন কারা করেছে? ছাত্র শিবিরের সভাপতির এ সম্পর্কে কোনও ধারণা আছে?

ফয়জুল করীম বলেন, ব্রিটিশ খেদাও আন্দোলন করেছে ওলামায়ে দেওবন্দ। এর আগে হাজী শরিয়ত উল্লাহর ‌‌‌আন্দোলন। এরপর পাকিস্তান আমলে নেজামে ইসলাম পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, এসব দলগুলো কী গোলামের আযমের মাধ্যমে রাজনীতি করেছে। একমুখী শিক্ষা ও বই পাঠ করলে যা হয়। এরা তো কোরআন হাদিস পড়ে না। এরা তো মওদুদীর বই পড়ে। তাহলে কীভাবে জানবে।

এ ব্যাপারে তীব্র সমালোচনা করেন গহরডাঙ্গা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশনের সদস্য সচিব আল্লামা রুহুল আমিন। তিনি বলেন, এদের কথার জবাব দিয়ে কি হবে। জামায়াতে ইসলাম ফিরকাবাজ, ফেতনাবাজ এবং মওদুদী ইসলামের প্রেতাত্মা, এসব ফতোয়া নিয়ে আমাদের অবস্থান আগের মতো। আগেও যেমন বলেছি, তেমন এখনও বলছি। সোজা কথায় ইসলাম নিয়ে তামাশা করেছিলেন মওদুদী। আর তার শিষ্যরা তো বলবেই যে, রাজনীতি গোলাম আযম শিখিয়েছেন।

জানা গেছে, ১৯৮১ সালে তওবার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে কওমি মাদ্রাসার আলেমদের মধ্যে সাড়া ফেলেন আল্লামা মুহাম্মদ উল্লাহ হাফেজ্জি হুজুর রহ.। ওই সময় তিনি জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে বটবৃক্ষ মার্কা নিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এরপর থেকে সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের আলেমরা রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। গঠিত হয় খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন।

জানা যায়, ১৯৮১ সালে খেলাফত আন্দোলন গঠিত হয় মুহাম্মদ উল্লাহ হাফেজ্জির হাতে। তিনি দলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এর কয়েক বছর পর শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকসহ কয়েকজন নেতা বেরিয়ে যান। ৯০ এ দশকে শুরুর দিকে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন নামে একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক জোট হলে সেই জোটে জামায়াত ঘরানার দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীও শরিক হন। যদিও পরবর্তীতে এটিও ভেঙে যায়।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অভিভাবক পরিষদের সভাপতি শায়খুল হাদীস আল্লামা আশরাফ আলী বলেন, ওই এলায়েন্স কোনওভাবে জামায়াত বা গোলাম আযমের প্ররোচনায় ছিল না। কেউ বলে থাকলেও সে জানে না।

শিবির সভাপতির তখন জন্ম হয়েছিল কিনা, এ প্রশ্ন তুলেছেন হাফেজ্জি প্রতিষ্ঠিত খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খান। তিনি বলেন, ওর তো মনে হয় তখন জন্ম হয়নি। সঠিক তথ্য জানেন না।

আবদুল জব্বারের লেখার বিষয়ে মাসিক আল আশরাফের যুগ্ম সম্পাদক, লেখক ও ইসলামীচিন্তক মুফতি এনায়েত উল্লাহ বলেন, গোলাম আযম তো ওই সময়ে বাংলাদেশেই ছিলেন না। তিনি কীভাবে আলেমদের রাজনীতি শেখাবেন। এটি কি উলুবনে জ্ঞান বিস্তার? গোলাম আযমসহ জামায়াতের রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে কওমি আলেমদের মধ্যে বিবদমান দ্বন্দ্ব ঐতিহাসিক। এই দ্বন্দ্ব মিটে যাবার নয়। ইসলাম,হযরত মুহাম্মদ সা. ও সাহাবায়ে কেরামগণ এর সম্মান নিয়ে মওদুদীর যে চর্চা, যে বেয়াদবি, সেগুলোতো তারা এখনও বিশ্বাস করে। তাহলে তাদের নেতা গোলাম আযম কবে, কখন রাজনীতি শেখাল আলেমদের? তাহলে হাফেজ্জি হুজুরের ভূমিকা কি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের এমন একটা গলি দেখাতে পারবে যেখানে কওমি আলেমরা জামায়াতকে ওউন করে বা তাদের দল করে।

শিবির সভাপতি আবদুল জব্বার তার লেখায় আরও দাবি করেন, ‘আশির দশকের সময় তিনি জামায়াতের বিরুদ্ধে বইও রচনা করেছিলেন। আলহামদুলিল্লাহ! আলেম-ওলামাদের চিন্তার রাজ্যে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে। যারা জামায়াত শিবির বা ইসলামী দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্যের রেখা টেনে দিতেন তারাই এখন দ্বীন এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে মূখ্য ভুমিকা পালন করছেন। এখন ইসলামের জন্য যারা কাজ করছে সবাই একযোগে একসঙ্গে কাজ করা জরুরি বলে মনে করেন। এই অনুভূতি অনেক আগে জাগ্রত হওয়ার কথা থাকলেও অনেকদিন পরে তা হল।’

তার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন তরুণ লেখক ও কলামিস্ট মাওলানা সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর। তিনি বলেন, আবদুল জব্বার সম্ভবত উপমহাদেশের রাজনীতির ইতিহাস মনোযোগ দিয়ে পড়ে দেখেননি। উপমহাদেশে রাজনীতি শুরুই হয়েছে কওমি আলেমদের হাত ধরে। সিপাহি বিদ্রোহ থেকে শুরু করে খেলাফত আন্দোলন, ইংরেজ খেদাও আন্দোলন, রেশমি রুমাল আন্দোলন, গান্ধিজির অসহযোগ আন্দোলন, দ্বিজাতিতত্ত্ব এবং সর্বশেষ দেশভাগ; সব আন্দোলনে কওমি আলেমরাই দিশা দিয়েছেন এ দেশের আপামর জনসাধারণকে। তার স্মরণ রাখা প্রয়োজন, দেশ ভাগের পর অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম পতাকা উড্ডীন করেছিলেন একজন কওমি আলেম- মাওলানা জাফর আহমদ উসমানি।

সালাহউদ্দীন আরও বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ইসলামের নামে গোলাম আযম এবং তদীয় দোসরদের অনৈসলামিক দালালির কারণেই অনেক নির্দোষ কওমি আলেম নিগৃহীত হন। শুধু গোলাম আযমরা ইসলামী বেশ ধরে মানবতাবিরোধী অপরাধ করার কারণে আলেমদের রাজাকার বলে গালি দেওয়া হয়। অথচ সবাই জানে,বাংলাদেশের কওমি আলেমরা সবসময়ই স্বাধীনতার স্বপক্ষে ছিলেন। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ ১০০ বছরের পুরনো কওমিধারার রাজনৈতিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। তারা সে সময় পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেওয়াকে হারাম বলে ঘোষণা দেন।

আবদুল জব্বার তার লেখায় এও দাবি করেন, ‘অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে হেফাজতে ইসলামী চট্টগ্রামের হাটহাজারী বড় মাদ্রাসা থেকে আল্লামা শফীর নেতৃত্বে শুরু হলেও সরকারের নাস্তিকতাবাদীদের পৃষ্টপোষকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পর এ সংগঠন অনেকটা রাজনৈতিক রূপ লাভ করে।’

তার এই বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছেন হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। তিনি বলেন, আল্লামা শফীর নেতৃত্বাধীন হেফাজতে ইসলাম অবশ্যই অরাজনৈতিক।

মুল: রাজনীতিতে কে আগে : কওমি না জামায়াত,  বাংলা ট্রিবিউন,মে ০৭, ২০১৫

6 Responses

  1. M.R. Alam
    M.R. Alam at |

    তথ্যবহুল। এমন কথা, আলোচনা ও কন্সট্রাক্টিভ ডিবেট আরো বেশি হওয়া উচিত, যাতে সত্য বের হয়ে আসে।

    Reply
  2. Enam
    Enam at |

    বাংলাদেশের আলেম সমাজের এরুপ দাম্ভিকপূর্ণ মনোভাব’ই আলেমদের মধ্যে বিভেদের দেয়ালকে স্থায়ী করে রেখেছে, যার প্রভাব ultimately সাধারন জনগনের উপরও বিস্তার লাভ করে আছে। শিবির সভাপতি আব্দুল জাব্বার ব্রিটিশ বা পাকিস্তান আমল নিয়ে তো তার বক্তব্য দেননি, যার ফলে সে সময়কার আলেমদের আন্দোলনের প্রসংগটা এখানে আসেনি। তিনি কথা বলেছেন বাংলাদেশ আমল নিয়ে। এটা সবাই জানে, যে হাফেজ্জি হুজুর এবং আরো অনেক স্বনামধন্য আলেমে দ্বীন আজীবন ‘সিয়াসত গান্দি চিজ হ্যায়’ বলে তারা নিজেরা এবং তাঁদের শিষ্যদেরকে রাজনীতি থেখে দূরে রেখেছিলেন, তাঁরাই ১৯৮১ সালে হঠাৎ করে তাঁদের অবস্থান পরিবর্তন করে রাজনীতিতে নিজেদের যুক্ত করলেন কেন তাহলে? ইসলামে রাজনীতি কি ১৯৮১ সাল থেকে জায়েয হয়েছে? তার আগে কোন যুক্তিতে না জায়েয ছিল? সে সংক্রান্ত ইসলামী বিধি বিধান তাদের পঠিত কিতাবের অন্তর্ভূক্ত ছিল না?! জামায়াতের উদ্যোগে এ দেশের আলেমদের মধ্যে ঐক্য প্রচেষ্টা অনেকবার’ই হয়েছে এবং এটি চলমান প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। এটি আল্লাহ্’র একটি অনিবার্য্য হুকুমও বটে। এ ঐতিহাসিক সত্যটাকে নিয়ে কেউ একজন লিখলেন বলে তাতে অন্যরা তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন কেন বুঝলাম না। তিনি তো ইসলামী আন্দোলনের পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক এবং হৃদ্যতাকে ফুটিয়ে তোলার জন্যই কথাগুলো লিখেছেন, এটা বুঝাই যায়। সেটাকে পাত্তা না দিয়ে বিভেদের দেয়ালটাকে যে আরো পাকাপোক্ত করার ভূমিকায় আপনারা অবতীর্ণ হয়েছেন, সেটা কি দুনিয়া ও আখেরাতেে একেবারে জবাবদিহিতাবিহীন এমনি চলে যাবে মনে করে নিয়েছেন?! জামায়াত নেতৃবৃন্দের ব্যপারে আওয়ামীলীগ এর সাথে গলা চড়িয়ে যে মিথ্যা অভিযোগগুলোর ব্যপারে সুর মেলালেন, আল্লাহ্’র আদালতে আপনাদের এ বক্তব্যের পক্ষে দেয়ার মত দলিল প্রমাণ আছে তো?!

    Reply
  3. Abdullah Noman
    Abdullah Noman at |

    সহমত @ Enam ভাই

    Reply
  4. আহসান সাবের
    আহসান সাবের at |

    কওমী উলামাদের মধ্যে হামবড়া ভাবটা খুব বেশী দেখা যায়। তাঁরা অন্যের মতামতকে সহ্য করতে পারেননা আবার এর ভদ্রোচিত বস্তুনিষ্ঠ ও ইসলামী শক্তির স্বার্থ রক্ষা করে জবাবও দিতে জানেন না। সেদিকে তাঁরা অন্যদের সাথে কি ঐক্য করবেন! নিজেদের ঐক্যটাই ধরে রাখতে পারেননা। শুধুমাত্র লোভ-লালসা, আনুগত্যহীনতা সর্বোপরি তাকওয়াহীনতার কারণে একান্ত কওমী মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন আজকের হেফাজতে ইসলাম তিনখন্ডে বিভক্ত! এরও আগে নব্বই দশকের শুরুতে শুধুমাত্র কওমী ঘরানার ইসলামী সংগঠনগুলোকে নিয়ে বায়তুল মোকাররমের ততকালীন খতিব আল্লামা উবাইদুল হক সাহেবের তত্বাবধানে ইসলামী ঐক্যজোট গঠিত হয়। সেই ঐক্যজোটই অল্পদিন যেতেই তিনখন্ডে বিভক্ত হয়ে যায়! তাঁদের সংগঠনই নয়, তাঁদের মাদ্রাসাতেও চলে এ ধরণের লোভ-লালসার বিভক্তি! মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) নিয়োগ, বিদেশ থেকে সংগৃহীত চাদার হিসাব নিয়ে উঁনাদের মধ্যে বিরোধ চলে। এদেশে কওমী মাদ্রাসার সংখ্যাধিক্য থাকতে পারে কিন্তু সমাজে তাঁদের কোন প্রভাব নেই। হাটহাজারী-পটিয়ার কথাই ধরুন, যেখানে বাংলাদেশের সর্ববৃহত ও পুরাতন কওমী মাদ্রাসাগুলো এবং কথিত হেফাজতে ইসলাম এর হেডকোয়ার্টার অবস্হিত। আবার এ জায়গা দুটিতে বেদাতী রেওয়াজ ও শিরকী মাজারের কার্যক্রমও বেশী দেখা যায়। কওমী উলামারা সমাজকে কি আলোর পথ দেখাবেন! উল্টো সমাজের প্রতাপশালী হারামখোর, ধাপ্পাবাজদের তোয়াজ করে চলেন। যাতে হারামখোরদের চাদা হাতছাড়া না হয়। এটা খুবই বিস্ময়ের ব্যাপার তারা নিজেদের ইসলামী রাজনীতির টিকাদার দাবী করেন আবার তাঁদের বর্তমান বহুল প্রচারিত সংগঠন হেফাজতে ইসলাম নিজেদের অরাজনৈতিক সংগঠন বলে প্রচার করেন। কেন?

    Reply
  5. আব্দুল্লাহ বিন হাবিব

    আব্দুল জব্বার ভাইয়ের লেখাটা পড়ে বিরোধীতার কোন উপাদানই খুঁজে পেলাম না। তবু উনারা আপত্তি তুলে! হুইন্না কতায় দুইন্না বাজানোর কোন মানে হয়না! আগে পড়ুন তারপর বগল বাজান।

    Reply
  6. yousuf
    yousuf at |

    ছড় নাই কুত্তা বাগারাম,
    খেঁউয়ায় করে ৩ গেরাম।

    এই কাওমি মোল্লারাই তো ইসলামে রাজনীতি হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছে।

    Reply

Leave a Reply