19 Responses

  1. Zubayer
    Zubayer at |
    Reply
  2. Moin Uddin
    Moin Uddin at |

    যুব শিবিরে চলে গিয়ে পরে আবার জামাতে যোগ দেয়া একজন কর্মী কে পেয়েছিলাম শুভাকাংখী হিসেবে। তাঁর আচার আচরন জানি কেমন ছিলো, ঠিক জামাত-শিবিরের সাথে মিলতো না। উনার ছেলেকে টার্গেট নিয়ে কর্মী বানিয়েছিলাম বলে একদিন ডেকে নিয়ে খুব বকাঝকা করলেন। তারপর কয়েকদিন পর পরিবার নিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে গেলেন। অনেকদিন পরে একদিন উনার ঐ ছেলেকে বখাটে ছেলেদের সাথে একসাথে দাঁড়িয়ে সিগারেট খেতে দেখেছিলাম।

    Reply
    1. Zubayer
      Zubayer at |

      ভাই moin uddin জামায়াতের নেতাদের সন্তানদের চরিত্র খুব একটা সুবিধার না।সুতরাং এ বিষয়ে কথা না বলাই ভাল। আমি মনে করি আপনার এই মন্তব্য লেখার সাথে প্রাসঙ্গিক নয়।

      Reply
      1. Lobib
        Lobib at |

        শীর্ষ নেতাদের ছেলে -মেয়েদের নিয়ে কথা না বলাই মঙ্গল!

        Reply
  3. রিদওয়ান
    রিদওয়ান at |

    ধন্যবাদ চাচাজান।
    অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম, এমন একজন কেউ আমাদের এই ব্যাপারে খোলাসা করবেন। আর সেটা যদি আপনাদের মতো কেউ হন , তাহলে তো অসাধারণ একটা ব্যাপার।

    আপনি সঠিক বলেছেন, কী ভূল বলেছেন, সেটা নিয়ে পর্যালোচনা করার সময় পরে। কিন্তু ইতিহাসের একটা অংশকে অন্তত মুখের কথা থেকে ডকুমেন্টে নিয়ে আসলে সেজন্য আল্লাহর কাছে আপনার জন্য উত্তম জাযাহ আশা করছি।

    স্বাভাবিকভাবে, জামায়াত শিবির এখন এটা নিয়ে কর্মীদের মাঝে জ্বালাময়ী বক্তব্য দিবে, অনেক জায়গায় আবেগী বক্তব্য দিবে। কিন্তু আমার মনে হয়, আসলেই যদি কোন কিছু বলার থাকে, তাহলে সেটা পাবলিকলি বলতে হবে।

    পাবলিকলি বলতে পারার মধ্যে একটা সাহসিকতা আছে। যারা পাবলিকলি সমালোচনা করতে পারে না, এবং সমালোচনার জবাব দিতে পারে না তারা ভীরু।

    আল্লাহ আমাদের সবাইকে তার রঙ্গে রাঙ্গিয়ে দিন।

    Reply
    1. Lobib
      Lobib at |

      মন্তব্যে ভালো লাগলো ভাই, এভাবেই উদার থাকেন সারাজীবন ।

      Reply
    2. A R Mallick
      A R Mallick at |

      Absolutely Right

      Reply
  4. Nurul Huda
    Nurul Huda at |

    মিলন সাহেবের সাথে একবার দুর্ভাগ্যক্রমে একই গাড়ীতে সফর থেকে এসেছিলাম। পাজেরো গাড়ীতে মাঝের সিটে ৩ জন সহজেই বসা যায় কিন্তু উনি যেভাবে মাঝে জায়গা রেখে আমার দিকে চেপে বসেছিলেন তাতে আমি ২০০ কিলোমিটার রাস্তা দরজার সাথে সেটে বসে একরম ঝুলতে ঝুলতে ঢাকায় আসি। উনি ব্যক্তিগতভাবে কতটা নীচ প্রকৃতির সেটা এই ঘটনার পরেই আমি বুঝতে পারি

    Reply
  5. ibn sona
    ibn sona at |

    ১/ যুবশিবির গঠন করতে না দেয়া ছিল জামায়াত ইসলামীর বিচক্ষণ নেতাদের দূরদৃষ্টির পরিচায়ক। যুবশিবির গঠিত হলে অবশ্যই বৃহত্তর সংগঠনে কোন্দল লেগে থাকত।
    ২/সংবিধানের ধারাটি সংশোধনের ব্যাপারে আমার জ্ঞান নেই।কিন্তু এটা সঠিক মনে করি, যেহেতু কেন্দ্রীয় সভাপতি থাকেই নির্বাচিত করা হয় যাকে বেশির ভাগ সদস্য় সভাপতির পদের যোগ্য মনে করেন, আর তিনি প্রয়োজন বোধে কার্যকরী পরিষদের বেশির ভাগ মতের বিপরীতেও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এটাই ইসলামের ঐতিহ্য। নেতার আনুগত্য করা। সর্বচ্চো নেতা তো থাকেই নির্বাচিত করা হয় যিনি হবেন আমাদের মধ্য থেকে সবচেয়ে কল্যাণকামী।
    ৩/ জামায়াতে ইসলাম কেন ৭১ সালে বেশির ভাগ বাংলাভাষী মানুষদের পক্ষ নিতে পারলো না এর প্রধান কারন পরিষ্কার ছিল, ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীর হাতে মানচিত্র চলে যাবার ভয়, আর ধর্মনিরপেক্ষ আওয়ামীলীগ কোন কালেই ইসলাম প্রসারের পক্ষে ছিল না বরং আগরতলা ষড়যন্ত্র প্রমাণ করে ভারতের সাথে শেখ মুজিবের সখ্যতা ছিল এবং তাকে ইসলামপন্থীরা বিশ্বাস করতেন না, যা বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও বইয়ে অধ্যাপক গোলাম আযম সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। জামায়াতের ৭১ সালের অবস্থান ছিল পরিষ্কার যা আজকের বাংলাদেশ রাষ্ট্রের দিকে থাকালে অনুধাবন করা যায়।
    ৪/ বাংলাদেশ এখন শুধু নামে একটি রাষ্ট্র, একটি রাষ্ট্রের কোন মৌলিক গুন কি দেখতে পান ? আমরা কি দেখতে পাই? যেই ভয়ে গোলাম আযম সাহেবেরা অখণ্ড পাকিস্থানের পক্ষ নিয়েছিলেন সেই আশংকা সত্যে পরিণত হলো। বাংলাদেশ এখন পৌত্তলিক দিল্লি কেন্দ্রিক নির্দেশনায় রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ একটি বাজার ভারতীয়দের জন্য।তৎকালীন পাকিস্থানের যালিম শাসকদের হাত থেকে হয়ত এক সময় আমরা মুক্ত হতাম কিন্তু আজ হাসিনার মত শাসক ও তার ভক্তকুলগনদের হাত থেকে কিভাবে নিস্তার পাওয়া যাবে যারা ন্যায় ইনসাফ-বৈষম্যহীন-নৈতিকতার সমাজ বিনির্মাণে কখনোই আগ্রহী নয়। তাদের কাজ কারবারের পরিণতি কি তা আমরা প্রতিদিন প্রত্যক করছি।
    উপসংহারে এই কথা বলতে চাই, পাকিস্থান সেনাবাহিনীর বর্বরিচিত হত্যা-ধর্ষণের সাথে না থেকেও যে খালেস নিয়তে ইসলামী রাষ্ট্রের মানচিত্র রক্ষা করতে হাজার হাজার জামায়াত কর্মী সেই সময় জানবাজি রেখে শত্রুর মোকাবেলা করেছেন। এটা গত কয়েক বছরে জামায়াত-শিবিরের অনেক শহীদ-গাজীর দিকে এবং নিজের নিয়তের অবস্থার দিকে থাকিয়েও বুঝতে পারবেন। প্রত্যেকটা কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল। তবে বৃহত্তর সংগঠন ৭১ এর বিষয়ে সরাসরি প্রকাশ করে না এটার কারন হলো সেই যুদ্ধে তারা শত্রুর কাছে পরাজিত। এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে।

    Reply
    1. reply to ibn sona
      reply to ibn sona at |

      অনেক কথাই বলা যায়, শুধু শেষের (৪) টার শেষ লাইন এর ব্যাপারে বলিঃ

      এই কথা টাই পাবলিকলি বলুন প্লিজ, যে ১৯৭১ সালে আপনাদের স্ট্রাটেজি এরকম ছিল, এই সমস্ত কারণে আপনারা ওই রকম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ক্ষমা চাইতে তো আর পারবেন না কারণ ক্ষমা চাইতে হলে মনকে উদার, প্রশস্ত করতে হয় যেটা আপনারা করবেন না।
      এখন পরিস্থিতি ভিন্ন, স্টাটেজিও ভিন্ন, এটা বলুন না

      Reply
      1. reply to ibn sona
        reply to ibn sona at |

        দুঃখিত! ওটা আপনার চার নম্বর পয়েন্ট ছিল না, ছিল উপসংহার এ।
        আমার দেখার ভুল ছিল, ক্ষমা করবেন 🙂

        Reply
    2. Zubayer
      Zubayer at |

      ibn sona ভাই ১ নং যে কথা বলেছেন তা সম্পূর্ণ আপনার ধারনাপ্রসূত। এই রকম কোন ঘটনা তৎকালীন ঘটেনি।জামায়াতের দূরদৃষ্টি আছে হাসালেন ভাই। ২ নং যে কথা বলেছেন তা সম্পূর্ণ বাস্তবতা বিবর্জিত সেই যুক্তিতে এই সরকারের সকল কাজ বৈধ। ৩নং জামায়াত শধু বিবৃতেই বিরোধিতায় সীমাবদ্ধ ছিলনা বরং সক্রিয় ভাবে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছে । ৪ নং এর ব্যাপারে বলা যায় যে এটা আমাদের দোষ একতরফা ভাবে শুধু আওয়ামী লীগের দোষ নয়।

      Reply
  6. একসময় ছাত্রশিবির করতাম!
    একসময় ছাত্রশিবির করতাম! at |

    অসংখ্য ধন্যবাদ @ফরিদ আহমেদ রেজা ভাই কে।

    ‘৮২ সালের ঘটনায় আপনার অবস্থান বা দৃষ্টিভঙ্গি জানাটা আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য খুব বেশি জরুরী, কারণ আমরা যদি ইতিহাস না জানতে পারি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিবো কিভাবে?

    ২০১০ এর ঘটনা হালকা পাতলা কিছু জানতে পেরেছিলাম, এখন দেখছি ‘৮২ সালের সাথে প্রায় পুরো মিল এবং ঘটনার পিছনের নায়কেরা (আসলে ভিলেন) সেম ব্যক্তি। কি চমৎকার!! কি চমৎকার!!!

    আচ্ছা, আল্লাহ্‌ কি বাংলার মাটিতে ইসলাম/ ইসলামি আন্দোলন কে পঙ্গু/ ভণ্ডুল করে দেয়ার অপরাধে মুজাহিদ+নিজামী+গোঃ আযম কে ক্ষমা করবেন??

    আমি অন্তত করবো না। কত সুন্দর সুন্দর সুযোগ ছিল। কত কত দ্বীনদার, জ্ঞানী ব্যক্তিকে সংগঠন থেকে বের করে দিলেন ব্যক্তিগত গোঁড়ামিতার কারণে। আরও ভালভাবে বললে ক্ষমতার লোভে। শুনেন, আপনাদের মেইন কনসেপ্ট এ যেখানে ভুল তা হচ্ছে “রাজনীতি মানুষের জন্য না করে ক্ষমতার জন্য করা।” অথচ দেখুন, রাসুল (সাঃ) কে যখন মক্কাতে থাকতেই তাঁকে মক্কার ক্ষমতা দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হল তিনি নেন নি কারণ তাদের একটা বিনিময় শর্ত ছিল “দ্বীন প্রচার বন্ধ করতে হবে”। তিনি যদি মেনে নিতেন (!) তাহলে হয়ত ক্ষমতা পেতেন কিন্তু মানুষ পেতেন না অথচ দেখুন অল্প কয়েক বছর পরেই কিন্তু যখন তিনি মানুষ পেয়েছেন ক্ষমতাও পেয়েছেন। আপনার পক্ষে যদি মানুষ থাকে ক্ষমতাও চলে আসবে। যেমনটা ১৯৭৯ সালে ইরান এ হয়েছিল।

    বের হয়ে আসুন, বের হয়ে আসুন। ক্ষমতার রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসুন। মানুষের জন্য রাজনীতি করেন, ক্ষমতা না পেলেও আপনার কিচ্ছু আসবে যাবে না, জান্নাত তো পাবেন। আল্টিমেট গোল তো ওইটাই নাকি?

    মউদুদি কে রাসুল (সাঃ) পরে অবস্থান এর চিন্তা থেকে বের হয়ে আসেন, তিনি আমার আপনার মত একজন সাধারণ মানুষ, এখন যুগ বদলেছে, যুগের চাহিদা বদলেছে। ওনার সেই ১৯৪০/৫০ সালের থিওরি নিয়ে এখনো পড়ে থাকলে চলবে?

    আচ্ছা, আপনারা অন্ধ আনুগত্য করতে নিষেধ করেন আবার যে করে না তাকে বেয়াদপ/ খারাপ/ আনুগত্যহীন বলেন, কোরআন-হাদিস ও শুনিয়ে দেন (অবশ্যই পছন্দকৃত অংশ)। কি ধরণের কাজ এটা?

    সবশেষে এটা স্বীকার করবো ছাত্রশিবির থেকে অনেক কিছু পেয়েছি, ভাল আচরণ পেয়েছি, চরিত্র পেয়েছি, ভালো কিছু মানুষ পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ্‌ কিন্তু যতটা প্রত্যাশা করেছিলাম, যতটা সম্ভবনা ছিল, তা না পেয়ে হতাশ হয়েছি। আশাহত হয়েছি।
    সম্ভবনার বীজ অংকুরে বিনষ্ট হতে দেখে কষ্ট পেয়েছি। ইন্টার্নাল পলিটিক্স এর নোংরামি দেখে বুক খান খান করে ভেঙ্গেছে।

    বন্ধ করেন এইসব, আল্লাহ্‌র ওয়াস্তে বন্ধ করেন।
    আল্লাহ্‌ সুবহানাল্লাহতালা আমাদের জ্ঞান দান করুন, মুক্তি দিন, জান্নাত দান করুন।

    জাযাকাল্লাহ্‌ খাইরান। সবাই ভালো থাকবেন।
    আসসালামুয়ালাইকুম…

    Reply
    1. Nure Alam Masud
      Nure Alam Masud at |

      ১৯৭৯তে ইরানে সংঘটিত সফল ইসলামী বিপ্লব থেকে এদেশের ইসলামপন্থীরা দুটি কারণে শিক্ষা গ্রহণ করতে নারাজ :
      ১. তারা কোনোরূপ দলীয় পন্থা ছাড়াই বিপ্লব সম্পন্ন করেছেন
      ২. তারা শিয়া
      এর বাইরে খুঁটিনাটি কিছু কারণ আছে। তবে আমি আপনার সাথে একমত। পুরনো ধ্যান ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে, এবং রাসূলের দিকে দৃষ্টিপাত করতে হবে। দলীয় পন্থায় ইসলাম কায়েমের চিন্তা করাটাই ভুল। http://nure-alam-masud.blogspot.com/2015/05/blog-post_35.html এই ব্লগে কিছু আলোচনা করেছি…।

      Reply
    2. বাকের ভাই
      বাকের ভাই at |

      আপনার লেখা ভাল লাগল। সুন্দর কিছু সমালোচনা। তারপর কিছু বিষয় অগোচরেই থেকে যায়। আপনার লেখাতেও থেকে গিয়েছে।
      ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত মাত্র ৫ বছরে ছাত্রশিবির সারাদেশে আলোড়ন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে, বিশেষ করে ছাত্র সমাজে। অল্প সময়ে বিশাল সফলতা তখনকার দায়িত্বশীল ভাইদের মনে বড় আশার সঞ্চার করে থাকতে পারে। কারো চিন্তায় সেটা ছিল কি না তা উল্লেখ করেননি।
      অপরপক্ষে, ছাত্রশিবির কি সঙ্ঘের আদলেই হয়েছিল ,না নতুন রুপরেখায় দেশে আন্দোলন কে দাঁড় করানো হবে সে ধরনের কোন সিদ্ধান্তের কথাও কেউ বলেনি।
      সুতরাং কোন ধরনের স্বপ্ন কেও দেখলে তা সিদ্ধান্তহীন কোন বিষয়ে নিজে সিদ্ধান্ত নেয়ার মত বেপার।
      পরিবর্তনে বাঁধা দেয়ার শক্তি সবসময় থাকবে। অভিমান করে লুকিয়ে থেকে বা আলাদা হয়ে নয়, সাথে থেকে, মোকাবেলা করেই তা করতে হবে।
      মানবতার মুক্তি ইসঅলামের মধ্যেই।
      এটা আমাদের করতেই হবে।

      Reply
      1. একসময় ছাত্রশিবির করতাম!
        একসময় ছাত্রশিবির করতাম! at |

        @বাকের ভাই সম্ভবত মূল থ্রেডে কমেন্ট করতে গিয়ে এখানে করে ফেলেছেন 🙂

        Reply
  7. Abdullah tayiab
    Abdullah tayiab at |

    রেজা ভাই ভাল লাগল আপনার লেখা পড়ে। আপনার লেখায় আপনি বলেছেন জামায়াত থেকে ভিন্ন এবং স্বতন্ত্র প্লাটফরম হিসেবে যুব শিবির করতে চেয়েছিলেন আপনারা। অথচ জামায়াত শিবিরকে প্রতিষ্ঠা করল, পৃষ্ঠপোষকতা করে বড় করল। আর সেই জামায়াতকে বাদ দিতে চাইছিলেন আপনারা। অবস্থাটা এইরকম যে পিতা সন্তানকে লালন পালন করে বড় করল আর সন্তান বড় হয়ে তার পিতাকে ছেড়ে দিয়ে নতুন পিতা নিজে নিজেই তৈরি করতে চাচ্ছে। আচ্ছা বলুন তো সমাজ কি এই রকম বেয়াড়া সন্তানদের ভাল চোখে দেখে? আর পিতা কি এই বেয়াড়া সন্তানদের শাসন করবেনা? অবশ্যই করবে।
    আপনার লেখা থেকে এটাই প্রমাণ হল যে জামায়াত নেতৃবৃন্দ ৮২ সালে যে চিন্তা করেছিল সেটাই সঠিক ছিল।আমার বিশ্বাস জামাত নেতৃবৃন্দ আপনাদের সেইফ এক্সিট এর ব্যবস্থ্যা করে দিয়েছেন। যদি আপনারা সাধারণ সদস্যদের সামনে এই চিন্তা উপস্থাপন করতেন তাহলে তারা আপনাদের স্বাভাবিক ভাবে যেতে দিতনা। আর পরিষদ ও সদস্য ভাইয়েরা সমস্যা সমাধানের জন্য জামাত আমীরকে দায়িত্বদেওয়ার মাধ্যমে প্রমান করেছে যে আপনাদের প্রতি তাদেরও আস্থা ছিলনা। আর আপনাদের গূটিকয়েক ব্যাক্তির চিন্তা ও পরবর্তী কাজের মাধ্যমে তখন শাহজাহান ভাই যে আশংকা করেছিল তাই সঠিক ছিল বলে প্রমাণিত হয়।

    Reply
  8. alauddin
    alauddin at |

    @[0228170584047960:0]

    Reply
  9. shafi
    shafi at |

    বাংলাদেশের ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন নিয়ে গবেষনা করতে গেলে আপনার ছোট্র এ লেখাটা একটা মাইলফলক হয়ে থাকবে।

    Reply

Leave a Reply