5 Responses

  1. ফারহান নাবিল
    ফারহান নাবিল at |

    পুরা লেখার বিরূদ্ধে একটা কমেন্টে হয়ত বেশি কিছ বলা যাবে না। অল্প কিছু কথা বলতে যাচ্ছি।
    ১. প্রথমত ভাতৃত্বের দিক দিয়ে একজন মুসলিম আর সব মুসলিমকেই ভাই মনে করে। কিন্তু একই দলের পতাকাতলে আসলে ভ্রাতৃত্ববোধ একটু বেড়ে যায়। আবার একই দলের মধ্যে যারা একই এলাকায় কাজ করে বা একই এলাকায় গ্রামের বাড়ি তাদের ভ্রাতৃত্ববোধ আরো বেশি।
    বিষয়টা এমন না যে, একজন শিবিরকর্মী অন্য দলের লোকদের অমুসলিম/ নিচু শ্রেণীর মুসলিম মনে করে। তারাও আমাদের ভাই।

    “মাওলানা মওদুদীকে যেমন দেখেছি” বইয়ের কিছু অংশ
    তাবলীগ জামায়াত সম্পর্কে আপনার ধারণা কি ? তিনি (মওদুদী) জওয়াবে বললেন, আমি মাওলানা ইলিয়াস সাহেবের প্রাথমিক কর্মস্হল পূর্ব পান্জাবের মিওয়াদে যেয়ে এ জামায়াতকে জানার চেষ্টা করেছি এবং অশিক্ষিত , ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ সাধারণ লোকদেরকে তিনি যে পদ্ধতিতে ইসলামের আলো দান করছিলেন তার প্রশংসা করে মাসিক তারজুমানুল কুরআনে আমি লিখেছি ।

    একথ বলে তিনি উপদেশ দেন যে “দ্বীনের কাজ যে যেখানে যতটুকু করছে তাতে আমাদের কাজ হচ্ছে বলে মনে করতে হবে । দ্বীনের সবটুকু কাজই আমাদের পক্ষে করা সম্ভব নয় । দ্বীন কায়েম হলে সরকারী উদ্যোগে ও পৃষ্ঠপোষকতায় সব রকম কাজই জনগণকে দিয়ে করান যাবে । কিন্তু পূর্বে অন্যদের দ্বারাও অনেক কাজ হওয়া প্রয়োজন ।”

    এইটা হল, তার বক্তব্য। এরপরেও কেউ যদি দাবি করে যে, শিবিরকর্মীরা কওমী ধারার লোক বা তাবলীগের লোকদের দেখতে পারে না বা তাদের নিচুস্তরের মনে করে তাহলে সে আহাম্মক নাহলে অনেক বড় লেভেলের ষড়যন্ত্রকারী। হয়ত দুই একজন অন্যরকম থাকতে পারে কিন্তু তার দায়ভার কোনক্রমেই সংগঠনের না।

    ২. পুরাতন নেতৃত্ব সরে গেলেই তো হয়। এইটা পুরাপুরি বোকালোকের মত কথা। আওয়ামী লীগ সহ বিরূদ্ধবাদীরা যেকোন ছল করতে ওস্তাদ। সেই জন্য, প্রায় পুরা সময় পাকিস্তানে থাকা সত্ত্বেও সাকা চৌধুরীর ফাসির রায় হয়। যুদ্ধের সময়ে কিশোর বয়সী ছেলেরও ফাসি দেওয়া হয়। হয়ত পুরাতন নেতৃত্ব সরে যেত; নতুন কেউ আসত। এখন নতুনদের বিরূদ্ধেও যে মিডিয়ার কল্যাণে তাদের রাজাকার সাব্যস্ত করা হত না তার কি গ্যারান্টি দিবেন আপনি? ভুলে যেয়েন না যে, মাত্র কিছুদিন আন্দোলন করেছিলেন বিধায় আওয়ামীমন্ত্রী আল্লামা শফি হুজুরকেও রাজাকার বলেছিলেন। আরো বেশিদিন মাঠে থাকলে হয়ত স্থায়ীভাবে তার গায়ে রাজাকার তকমাটা এটে যেত।

    ৩. ট্রাইব্যুনাল যে কত প্রকারের দুর্নীতি করেছে তার সীমাসংখ্যা নেই। উলটাপালটা সাক্ষ্য দেওয় থেকে শুরু করে, স্কাইপে কেলেংকারি ইত্যাদি অনেক অপরাধ। এই ট্রাইব্যুনাল যদি একজন খুনীকেও এক মিনিটের কারাদন্ডের রায়ও দেয় তাও হবে অবৈধ। কারণ, গোড়াতেই গলদ। সেইখানে “–মাওলানা সাঈদীর ফাঁসি’র রায় হয়নি, বিচারটা তাহলে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়েছে, কি বলেন? ” এই মন্তব্য করাটা পুরাই হাস্যকর।

    ৪. আমরা শহীদ আবদুল মালেক থেকে প্রেরণা নিই এর মানে যদি এই দাড়ায় ছাত্রসংঘের সাথে শিবির কানেক্টেড তাহলে একটা প্রশ্ন করতে চাই। শিবিরের অধিকাংশ কর্মীর বালাকোট প্রান্তরের সৈয়দ আহমেদ বেরেলভী(র); তিতুমীর প্রমুখ মানুষের জীবন থেকে প্রেরণা নেয়। তাহলে কি এদের আন্দোলনের সাথেও শিবির কানেক্টেড??

    (একজন মানুষের সমালোচনা করা হয় দুই উদ্দেশ্যে। এক, তার ভুল ধরা যাতে সে শুধরাতে পারে। দুই, তাকে অপদস্থ করা।
    অন্তরের খবর আল্লাহই ভাল জানেন; আপনাদের কার্যকলাপ দেখে আমার দ্বিতীয়টা মনে হয়। )

    Reply
    1. এম সাইফুল ইসলাম
      এম সাইফুল ইসলাম at |

      আপনার কথার সাথে আমি পুরোপুরি একমত। আমার মনে হয় এই ব্লগটা বিশাল এক ষড়যন্ত্রের অংশ।

      Reply
    2. Are you Honest?
      Are you Honest? at |

      Right bolechen vai

      Reply
    3. rasel
      rasel at |

      শিবিরের ছয়জন প্রতিষ্ঠাতা হঠাৎ কোথা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে হাজির হলেন, ছাত্র সংঘের লিংক না থাকলে?

      Reply
  2. anjar
    anjar at |

    ei lekhot ekta munafik. Ageo korsilo. Ekn o kortase

    Reply

Leave a Reply