3 Responses

  1. আল মাহদি
    আল মাহদি at |

    ইবনে তাইমিয়া রাসুল(সাঃ) ঘোষিত কোন ইমাম নন।কিন্তু কেন আপনার তাঁকে ইমাম বলছেন?রাসুল(সাঃ) ঘোষিত ১২ ইমাম হচ্ছেনঃ১/ইমাম আলী(আঃ) ২/ইমাম হাসান(আঃ) ৩/ইমাম হুসাইন(আঃ) ৪/ইমাম জয়নুল আবেদীন(আঃ) ৫/ ইমাম বাকের(আঃ) ৬/ইমাম জাফর সাদিক(আঃ) ৭/ ইমাম মুসা কাজিম(আঃ) ৮/ ইমাম রেজা(আঃ) ৯/ ইমাম তাক্কী(আঃ) ১০/ইমাম নাক্কী(আঃ) ১১/ ইমাম হাসান আল আসকারী(আঃ) ১২/ ইমাম মাহদী(আঃ)

    Reply
  2. Al Mahdi
    Al Mahdi at |

    বরং যে কোনো সরকার ইসলামের মূলনীতি মেনে চললেই তা ইসলামিক হয়ে যাবে >>
    >>একথাটা কতটুকু সত্য?বর্তমান পারমানবিক বিশ্বের একমাত্র কুরানী রাষ্ট্র ইরানে যখন ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্টার জন্য প্রথম ইমাম খোমেনী(রঃ) যে কাজটি করেন,তা হল “রেফারেন্ডাম ” বা গনভোট।মানে দেশের জনগন “কুরানের শাসন চায় কিনা ” সেবায়াপারে গনভোট নেন।দেখা গেল প্রায় ১০০% মানুষ কুরানের পক্ষে ভোট দিয়েছে।ইবনে তাইমিয়ার কন্সেপ্ট এবং কুরানী কন্সেপ্টের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে।

    Reply
  3. আল মাহদী
    আল মাহদী at |

    মুয়াবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান যে আয়াতের শানে নুজুলে ৪ লক্ষ দিরহামের বিনিময়ে ছদ্মবেশী সাহাবী সামরাহ বিন জুনদাবকে ক্রয় করেন এবং তাকে (সামরাহ বিন জুনদাব) দিয়ে রেওয়ায়েত করান যে, উপরে উল্লেখিত আয়াতটি হযরত আলীর(আঃ) হত্যাকারী আব্দুর রহমান ইবনে মুলজিমের শানে নাজিল হয়েছে

    সুরা বাকারা ,আয়াত# ২০৭

    “ এবং মানুষের মধ্যে এমনও আছে,যে আল্লাহর সন্তোষ লাভের জন্য নিজের জীবন পর্যন্ত বিক্রয় করে দেয় এবং আল্লাহ(এরুপ) বান্দাদের প্রতি অনুগ্রহশীল”।(১)

    সঠিক তাফসীরঃ(১)
    যখন মক্কার কাফিররা সম্মিলিতভাবে রাসুল(সাঃ)কে হত্যা করার পরামর্শ করে তাঁর ঘর অবরোধ করল এবং আল্লাহ তাকে অবহিত করলেন তখন তিনি হিজরতের উদ্দেশ্যে হযরত আলী(আঃ)-কে বললেন, ‘কাফিররা আমাকে শয্যায় হত্যা করার পরিকল্পনা করেছে।তুমি আমার স্থানে শুয়ে নিজেকে চাদরে ঢেকে ঘুমিয়ে থাক যাতে তারা মনে করে যে,আমি ঘুমাচ্ছি এবং বাড়ি থেকে বের হয়ে যাইনি’।হযরত আলী(আঃ) বললেন, ‘আমি বেচে থাকি বা না থাকি,আপনার নিরাপত্তা অবশ্যই কাম্য’।এ প্রসঙ্গে আল্লাহ হযরত আলীর(আঃ) প্রশংসায় আয়াতটি অবতীর্ন করেন।রাসুলাল্লাহ(সাঃ০ বলেন যে, আল্লাহ জিব্রিল ও মিকাইল(আঃ)-এর প্রতি প্রত্যাদেশ পাঠালেন, ‘আমি তোমাদের পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব রচনা করেছি এবং একের পরমায়ু অপরের থেকে বেশী করেছি।তোমাদের মধ্যে কে এমন আছ যে, নিজ আয়ু নিজ ভাইকে দিয়ে দেবে’।কিন্তু উভয়েই অস্বীকার করলেন।তখন আল্লাহ তাঁদের বললেন, আমি আমার ওলী আলী এবং আমার নবী মুহাম্মাদের মধ্যে ভ্রাতৃ্ত্ব রচনা করেছি।তাকিয়ে দেখ,আমার ওলী আমার নবীর জন্য কীরুপে নিজ জীবন উতসর্গ করতে উদ্যত হয়েছে এবং নবীর শয্যায় নির্ভয়ে ঘুমিয়ে আছে।তোমরা উভয়ে এখন পৃথিবীতে অবতরন কর এবং আলীকে শত্রুদের থেকে রক্ষা কর’।একথা শুনেই তারা উভয়ে পৃথিবীতে আগমন করলেন এবং জিব্রিল(আঃ) আলীর(আঃ) মাথার দিকে এবং মিকাইল(আঃ) তাঁর পায়ের দিকে বসলেন।তখন জিব্রিল(আঃ) হযরত আলীকে(আঃ)উদ্দেশ্য করে বলতে শুরু করলেন, ‘হে আবু তালিবের সন্তান!ধন্যবাদ।আপনার তুলনা কোথায় আছে যে, স্বয়ং আল্লাহ নিজ ফেরেস্তাদের কাছে আপনার কারনে গর্ব করেছেন’।(তাফসীরে ফাখরুদ্দিন রাজী,তাফসীরে সালাবী এবং ইমাম গাজ্জালী রচিত ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন দ্রষ্টব্য)।
    মুয়াবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান উক্ত আয়াতের শানে নুজুলে ৪ লক্ষ দিরহামের বিনিময়ে ছদ্মবেশী সাহাবী সামরাহ বিন জুনদাবকে ক্রয় করেন এবং তাকে (সামরাহ বিন জুনদাব) দিয়ে রেওয়ায়েত করান যে, উপরে উল্লেখিত আয়াতটি হযরত আলীর(আঃ) হত্যাকারী আব্দুর রহমান ইবনে মুলজিমের শানে নাজিল হয়েছে।

    Reply

Leave a Reply