12 Responses

  1. probashi odhikar
    probashi odhikar at |

    http://imbdblog.com/?p=8039 ব্লগটির কাজটি হল বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের বিরোদ্ধে বিষোদ্গার ও ইসলামের ছ দ্মাবরণে ইসলামী দলগুলোকে বেকায়দায় ফেলা!!

    Reply
  2. ABU SAIF
    ABU SAIF at |

    আসসালামু আলাইকুম ওয়া গহমাতুল্লাহ……

    লাহা মা কাসাবাত ওয়া লাকুম মা কাসাবতুম……

    ওয়াল্লাহু আলীমুম বিযাতিস সুদূর…..

    Reply
    1. ABU SAIF
      ABU SAIF at |

      আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ……

      Reply
  3. Dr. Rifat
    Dr. Rifat at |

    writer’s cranial cavity is full of cowdung ………….

    Reply
  4. আবু মুয়াজ
    আবু মুয়াজ at |

    এই লিখা গুলোর লক্ষ্য শিবিরের ভাইদেরকে উত্তেজিত করা ।নেতিবাচক কাজ করে কোন লাভ নেই পারলে ভাল কিছু করুন ।ইসলামের জন্য কাজ করার বহু ক্ষেত্র আছে

    Reply
  5. এড. মোঃ সলীমুল্লাহ খান
    এড. মোঃ সলীমুল্লাহ খান at |

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির প্রতিষ্ঠার পর থেকে 1982 সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যাদেরকে এই কথা বলে সদস্য বানানো হয়েছে যে এই সংগঠনটি একটি ইন্ডিপেন্ডেট ছাত্র সংগঠন, এ সংগঠনের মুল শক্তি এর সদস্য বৃন্দ, জামায়াতের ব্যাপারে বক্তব্য ছিল ”শিবির থেকে বিদায় নিলে জামায়াতের সদস্য হইতেই হবে এমন কোন কথা নেই, শিবিরের ছাত্রত্ব শেষ বা শিবিরের পরিভাষায় ছাত্রজীবন শেষ করার পর সঠিক ইসলামী আন্দোলন হিসাবে জামায়াতে যোগ দিবেন, অথবা তার থেকে ভালো কোন সংগঠন পাইলে যোগ দিবেন, নতুবা নিজেই একটি ইসলামী সংগঠন তৈরী করে ইসলামী আন্দোলনের কাজ করবেন, এমনকি জামায়াতের বড় বড় নেতাকে বলতে শোনা গেছে যে একমাত্র আমরাই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবো তা নয়, যদি এমন কোন সংগঠন এগিয়ে যায় প্রয়োজনে তাদেরকে সমর্থন দিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় জামায়াত ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাবেন, এ ধরনের উদার বক্তব্যের কারনে অনেক দ্রুত সংগঠনের বিস্তৃতি ঘটে, এই ধরনের বক্তব্যকে ধারন করা সংগঠনের সদস্যের অনেকাংশ নেতৃত্বের যোগ্যতা অর্জন করে ফেলে 1982 সালে এমন নেতারা নির্বাচিত হয়ে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে, তখন জামায়াতের নেতাদের এবং শিবিরের সাবেক সভাপতিদের একটি অংশ শিবিরের নেতৃত্বের ব্যাপারে অসন্তষ্ট হয়ে পরেন, তখন জামায়াতের নেতার নিকট যাওয়ার পরও সমাধান হয় নাই, শিবিরের সংবিধান অনুযায়ী এ ধরনের বিপত্তি ঘটলে কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের সমর্থন যে অংশ পাবে তারা সভাপতি হবেন, আর যারা পরাজিত হবেন তাদের সমস্ত সদস্যদের সদস্য পদ কাটা যাবে, কেউ যদি ফিরতে চায় তাদেরকে নতুন করে শুরু করতে হবে, তখন তারা যুব শিবির নাম দিয়ে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে, যা শিবিরের ততকালীন জামায়াতের আজ্ঞবহ সভাপতি ও নেতারা অনুমোদন দেয় নাই, জামায়াত এটার একটি সঠিক সমাধান দিতে ব্যার্থ হন, ঐ সময়েই আব্দুল জব্বার নামে জামাতের এক নেতা নিজের উদ্দেগে জামায়াত নাম নিয়ে আলাদা সংগঠন চালিয়ে গেছেন, মূলধারার বাহিরে সংগঠন করলে যা হয় সেক্ষেত্রেও তাই হয়েছিলো, তবে প্রশিক্ষিত নেতা হওয়ার কারনে অনেক দিন ধরেই তারা এটা চালিয়ে যেতে পেরেছিলো, পরে অবস্থা অনুযায়ী তারা বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনে যোগ দেন কেউ জামায়াতে ফিরে যান, কেউ নতুন সংগঠন তৈরী করেন,আচ্ছা সেসব অতীত ঘটনা কিন্তু বিষয়টা একই ||

    তারপর যে নিয়মে চলছে তাহাও অনেক দিন, কিভাবে তাহলো সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচন পরিচালক থাকবেন, আমার জানামতে, অধ্যাপক নাজির আহমেদই ছিলেন বছরের পর বছর, তার পতি আস্থা ছিলো তারপতি জামায়াতও আস্থার পাত্র হিসাবেই ছিলেন, হয়তো এখন উনার অনুপস্থিতে অন্যকোন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দায়িত্ব পালন করবেন, এর আগেও মতিউর রহমান আকন্ধই ছিলেন, নাকি এবারই হয়েছেন তাহা যদিও আমার জানা নেই তারপরও এটা জামায়াতের মনোনীত পদ্ধতি নাকি শিবিরের মনোনীত পদ্ধতি তাহাও আমার জানা নেই তবুও বলবো এটার মাধ্যমে বা এর ব্যত্বয়ের কারনেই অসন্তোষ ঘটতে পারে,
    পরিশেষে বলবো শিবিরকে তার আগের ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া উচিত, কেননা সেখানে সদস্যদের গোপন ব্যালটের কপি ওপেন ফলাফল প্রকাশ, এই ব্যাবস্থাই আগের ব্যবস্থাটাই সকলের জন্য ভালো ছিল ভাল হবে, এখানে যদি কারোর পক্ষের লোক পাস করানোর সিস্টেম চালু হয়ে থাকে তাহলে শিবিরের জন্য অনেক অনেক ভালো পদ্ধতি, এই মূল বিষয়ে যদি কোন রকম সন্দেহের সৃষ্টি হওয়ার ব্যবস্থা থাকে তাহলে তাহা অচীরেই বাদ দেয়া উচিত, আর এই রকম ক্যাডার সিস্টেম দলে যদি প্রকাশ্য কোন্দল শুরু হয় তাহলে এই দলটির ভবিষ্যত অন্ধকার, আর জাতির জন্যও বিপদজ্জনক হবে তা হলফ করে বলা যায়, তাই অশনী সংকেত টের পাওয়ার পরও নেতারা যদি এটা গুরুত্ব না দিয়ে থাকেন তাহলে আরো বড় পরিনতি বরন করতে প্রস্তুত হতে হবে এই সংগঠনের জন্য, আর দেরী নয় যে নেতাই উপযুক্ত তাকে এটা কন্ট্রোল করে সমাধান করা প্রধান দায়িত্ব …..চলবে

    Reply
  6. এড. মোঃ সলীমুল্লাহ খান
    এড. মোঃ সলীমুল্লাহ খান at |

    আইএমবিডি ব্লগ
    এ সম্পর্কে ইসলামী ছাত্র শিবিরের কিছু অভিযোগের উত্তর ব্লগের এডমিনগন সুন্দরভাবে দেয়ার পরও দেখা গেছে অভিযোগ করেই চলেছেন, এটা কারোরই কাম্যনয়, জামায়াতের বা শিবিরের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থেকে যদি উনারা ড্রাইভাট হতে থাকেন তখন সাবেক নেতারা তখন সংশোধনের উদ্দেশ্যে সমালোচনা করে থাকবেন হয়তো, তাতে ব্লগের উপর দোষারোপ করা হাস্যকর, আয়নায় চেহেরা দেখে যদি কেউ বিরক্ত হয়ে আয়না ভেঙ্গে ফেলেন বা বিরক্তি প্রকাশ করে থাকেন তাতে নির্দোষ আয়নার প্রতি জুলুম করার সামিল হবে, ঠিক তদ্রুপ আইএমবিডি বা যে কোন ব্লগের উপর দোষারোপ করা সঠিক কর্ম হতেই পারেনা,
    অভিযোগ :
    #এই ব্লগের মাধ্যমে জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করাই একমাত্র কাজ,
    #কিছু সাবেক নেতা যারা এখন সংগঠনের সাথে সম্পর্ক নাই তাই তারা না বুঝে এখানে উত্থাপিত প্রসঙ্গে আলোচনায় জড়িয়ে শিবিরের গোপন বিষয়াদী মানুষের সামনে এনে সংগঠনের ক্ষতি করছেন, কেউ বুঝে কেউ না বুঝে এসব করছেন, কৌশলে জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন
    #এই ধরনের আরো কিছু অভিযোগ ইবনে হাই, সাহেবের লেখায় রয়েছে তাহা হবহু ব্লগে প্রকাশ করেছেন,

    তাই আমি অভিযোগ সম্পর্কে একটা কথাই বলবো ব্লগের নামইতো ইসলামী মুভমেন্ট অফ বাংলাদেশ, তাই যদি জামায়াত শিবির নিয়ে লেখা বেশী হয় সেটাতো জামায়াত শিবিরের লোকদেরতো সাদরে গ্রহন করা উচিত কেননা এটা দিয়ে বুঝা যায় ইসলামী আন্দোলন এ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রথম সারিতে অবস্থান করছে এই জামায়াত শিবির, অন্যান্য ইসলামী দলের নাম ঐভাবে আসেনা, পাকিস্তানেও জামায়াত ঐভাবে আগাতে পারেনি যেভাবে বাংলাদেশে এগিয়ে আছেন, এমনকি যদি বলা হয় জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের যেখানে ফাঁসী দেয়া হচ্ছে, আগে শুধু শিবিরের কর্মী নেতারা হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন, এখন ঐ শহীদের মিছিলে নেতাদের যখন ডাক পরেছে তারাও জীবন দিচ্ছেন, তাতে করে ইসলামী আন্দোলনের দৃষ্টিতে হাসান আল বান্না, সাইয়েদ কুতুবদের সাথে তাদের নাম ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা সারা বিশ্বে এক সাথে নিচ্ছেন এবং বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের আলেম ও ইসলাম পন্থীদের উপর নির্যাতন চলছে তারা বিক্ষোভ পালন করছেন মিছিল মিটিং করছেন, তাই বল্লাম ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী ইসলামী আন্দোলনের যে কোন স্তরের নেতা কর্মীর থাকা উচিত ||
    আমরা লেখক হিসাবে আমাদের কাজ আমরা করবো, আমাদেরও ভুল হতে পারে এবং শোধরানোরও সুযোগ রয়েছে, যারা সমালোচনা সয্য করতে পারেননা তারা ইসলামী আন্দোলনের ভালো কর্মী বা নেতা হতেই পারেননা,
    #সংগঠনের কর্মপদ্ধতি ও সংবিধান অনুযায়ী যদি সংগঠন পরিচালিত না হয় তাহলে মুখ থুবড়ে পরতে বাধ্য, তাই সকলকে সজাগ থাকা উচিত, সংগঠন নির্দোষ যারা দায়িত্বশীল তাদের কারনে সংগঠন বিপদে পরে, সাধারণ কর্মীরা হলো নেতাদের নিকট আমানত স্বরূপ, তাদেরকে কোন বিষয়ে ধোকা দেওয়ার কোন অধিকার কোন দায়িত্বশীল ভাইয়ের থাকতেই পারেনা,
    পরিশেষে বলতে চাই দেশীয় অবস্থা, বিদেশী ব্যবস্থা, ইত্যাদী বিবেচনায় বর্তমান দায়ীত্বশীলদের ভূমিকা সচেতনভাবে পালন করুন, ব্লগের দোষ কেন দিবেন, শিবিরের কোন বিষয় আর গোপনীয় থাকতে পারেনা, কেননা গণসংগঠনে রূপান্তরের পর এসব চিন্তা করাই উচিত না, তাই বলে আমি ষ্ট্রেটেজি প্রচার করতে বলছিনা, সবাইকে সবর, এতমিনানের সাথে ভূমিকা রাখার অনুরোধ করবো আর জামায়াতের উচিত নাক বেশী না গলানোই ভালো নাহলে ধোকাবাজীর অভিযোগ নিজেদের কাধে নিতে হবে, যা কখনো কাম্য হতে পারেনা ||

    (এটা আমার এ বিষয়ে একান্ত ব্যাক্তিগত মতামত, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ,যে বিষয়ে আমি সততার সাথে লিখি, তারপরও ভুল হতে পারে, তাহলে সংশোধন করে দিলে আমি মেনে নিব,)

    Reply
  7. abdurrazzaque
    abdurrazzaque at |

    তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রশি শক্তকরে আকঁড়ে ধরো এবং কখনো পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না (আল ইমরান-আয়াত ১০৩) এই ভেকসিন যারা সঠিক ভাবে গ্রহন করেছেন তাদেরক এই ব্লগের ভাইরাস কখনই আক্রমন করতে পারবেনা ইনশা আল্লাহ।

    Reply
  8. soruj
    soruj at |

    ছাত্রশিবির : নতুন সভাপতি আতিকুর রহমান, সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত
    নয়া দিগন্ত অনলাইন ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫,বুধবার, ১৭:১৮
    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০১৬ সেশনের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আতিকুর রহমান এবং সেক্রেটারি জেনারেল মনোনীত হয়েছেন মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত।
    বুধবার এ ফলাফল ঘোষণা করেন সহকারী নির্বাচন কমিশনার ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মতিউর রহমান আকন্দ। রাজধানীর শহীদ আব্দুল মালেক মিলনায়তনে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের অধিবেশনে নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয়। নাম ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সভাপতিকে শপথ পাঠ করান সহকারী নির্বাচন কমিশনার মতিউর রহমান আকন্দ।
    গত ২৭-২৯ ডিসেম্বর সারা দেশে অনলাইনের মাধ্যমে একযোগে কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচনে ভোট দেন সদস্যরা। নির্ধারিত সময়েরর মধ্যে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় সভাপতি ছাত্রশিবিরের সংবিধান অনুযায়ী ২০১৬ সেশনের জন্য কার্যকরী পরিষদের সঙ্গে পরামর্শ করে ইয়াসিন আরাফাতকে সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে মনোনয়ন দান করেন। নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান এর আগে ঢাকা মহানগরী উত্তর সভাপতি, কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক, সাহিত্য সম্পাদক, অফিস সম্পাদক এবং ২০১৪ সেশনে সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
    সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত এর আগে ঢাকা মহানগরীর পূর্বের সভাপতি, কেন্দ্রীয় এইচআরডি সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
    উল্লেখ্য নবনির্বাচিত সভাপতি বর্তমানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া থেকে এমফিল গবেষণায় অধ্যয়নরত আছেন। সেক্রেটারী জেনারেল সেক্রেটারী জেনারেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স, মাষ্টার্স শেষ করে বর্তমানে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এমফিল করছেন।
    উল্লেখ্য, ছাত্রশিবির সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা এবং ইতিহাস-ঐতিহ্যের আলোকে প্রতিবছরের মতো এবারো গোপন ব্যালটের মাধ্যমে সারা দেশের সদস্যদের ভোট গ্রহণ করা হয়। সাধারণত প্রতি বছর ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয়সদস্য সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা এবং শপথ অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের দমন নিপীড়নের ফলে গত বছরের মতো এবারো কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন করা সম্ভব হয়নি। ফলে শিবিরের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা ও সেক্রেটারি জেনারেল মনোনয়ন কাজ কার্যকরী পরিষদের অধিবেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন করা সম্ভব নাহলেও শিবিরের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী প্রতি বছরই কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

    Reply
  9. Al Mahdi
    Al Mahdi at |

    ১৯৮২ সালের পর থেকে জামায়াত ছাত্র শিবিরের নির্বাচন গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে আসছে।এর ফলাফল মোটেই ভাল হয় নি।

    Reply
  10. Aahiqur Rahman Ayon
    Aahiqur Rahman Ayon at |

    শয়তান তার কাজ করতে কখনও পিছপা হয় না।

    ছাত্রশিবির এগিয়ে যাবে আপন মহিমায়

    Reply
  11. এস এইচ রাসেল
    এস এইচ রাসেল at |

    শিবিরের বিরুদ্ধে কথা না বলে, শিবিরের আদর্শ ধারণ কর, যত্তসব নাস্তিকদের দল

    Reply

Leave a Reply