Browse: Home / দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও ভারতের বৈদেশিক নীতি

Menu

Skip to content
  • পরিচিতি ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য
  • ব্লগে লেখার পদ্ধতি
  • ব্লগ ব্যবহারের নিয়মাবলী
  • আমাদের লিখুন
  • পোস্ট লেখার টিউটরিয়াল
  • সাইট ম্যাপ
Header image

Political Islam in BangladeshLogo

Political Islam in Bangladesh

Menu

Skip to content
  • সমসাময়িক চিন্তা
  • আদর্শ-মতবাদ
    • ইসলাম ও অন্যান্য মতবাদ
    • ইসলাম ও গনতন্ত্র
    • খিলাফাহ
    • ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ
    • সমাজতন্ত্র
  • বাংলাদেশে রাজনৈতিক ইসলাম
  • মুসলিম বিশ্ব
    • আরব জাগরন
    • তিউনিশিয়া
    • তুরুস্ক
    • মিশর
  • আলোচিত-সমালোচিত
  • জাতীয় রাজনীতি
  • উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে
  • উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে
  • ওহাবিবাদ এবং সৌদি পেট্রো রিয়াল ফিতনা।
  • বাংলাদেশে ইসলামঃ জামায়াত দেওবন্দ প্রসঙ্গ
  • কানুনী সুলতান সুলায়মান (প্রথম পর্ব)

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও ভারতের বৈদেশিক নীতি

Written by IMBD Blog on 22/01/2016 in উপমহাদেশ | Views

ভারতের বৈদেশিক নীতি বুঝার জন্য আমাদের বুঝতে হবে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির চিত্র।চীনের সাথে ভারতের সম্পর্ক এক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ন।তবে চীনের সাথে দুনিয়ার অন্যান্য বৃহৎ শক্তিদের সম্পর্ক আরো গুরুত্বপুর্ন।এজন্য সংক্ষিপ্ত আকারে এখানে বিশিষ্ট সাংবাদিক John Pilger এর সাম্প্রতিক একটি নিবন্ধ দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতির বর্তমান চিত্র বুঝা যাবে খানিকটা।

  • A world war has begun. Break the silence – John Pilger, RT, 22 Mar, 2016

To my knowledge, no journalist in the Western “mainstream” – a Dan Rather equivalent, say – asks why China is building airstrips in the South China Sea. The answer ought to be glaringly obvious. The United States is encircling China with a network of bases, with ballistic missiles, battle groups, nuclear-armed bombers.

This lethal arc extends from Australia to the islands of the Pacific, the Marianas and the Marshalls and Guam, to the Philippines, Thailand, Okinawa, Korea and across Eurasia to Afghanistan and India. America has hung a noose around the neck of China. This is not news. Silence by media; war by media.

In 2015, in high secrecy, the US and Australia staged the biggest single air-sea military exercise in recent history, known as Talisman Sabre. Its aim was to rehearse an Air-Sea Battle Plan, blocking sea lanes – such as the Straits of Malacca and the Lombok Straits – that cut off China’s access to oil, gas and other vital raw materials from the Middle East and Africa.

In 1947, a series of National Security Council directives described the paramount aim of American foreign policy as “a world substantially made over in [America’s] own image.” The ideology was messianic Americanism. We were all Americans. Or else. Heretics would be converted, subverted, bribed, smeared or crushed. (বিস্তারিত লিংকে যেখানে লেখক আমেরিকান ফরেইন পলিসি, বর্তমান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে পর্যালোচনা করেছেন) 

আমেরিকান ফরেইন পলিসির সাথে সম্পর্কিত রাশিয়া ও চীনের প্রতিক্রয়া।আর ভারতীয়  উপমহাদেশে ভারত হচ্ছে আমেরিকার জুনিয়র পার্টনার।এই চিত্রটা মাথায় রেখেই বাংলাদেশের মত ছোট দেশে ভারতীয় বৈদেশিক নীতির প্রভাব বুঝতে হবে।

  • ভারতের সহযোগী উন্নয়ন পথ, দৈনিক ইত্তেফাক,  ২৯ মার্চ, ২০১৬

চারিদিকে নানাবিধ হট্টগোলের ভেতর কয়েকটি কাজ তাই বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে: (১) চট্টগ্রাম বন্দরে যাতে ভারত সরাসরি, ভিন্ন দেশ হবার কারণে কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া, প্রবেশ ও ব্যবহার করতে পারে তার ব্যবস্থা হচ্ছে। (২) পারমাণবিক ব্যবস্থাপনায় ভারতের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা হচ্ছে। (৩) বঙ্গোপসাগরে ‘সমুদ্র অর্থনীতি’ বিকাশে ভারতের সাথে যৌথ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কাজ চলছে। (৪) ট্রানজিটের বিষয়ে সকলদিকে অগ্রগতি হচ্ছে দ্রুত। (৫) মোদী সরকারের ঘনিষ্ঠ আদানি ও রিলায়েন্স গ্রুপ বিদ্যুত্ খাতে একাধিক প্রকল্পের অনুমোদন পাচ্ছে। নিয়মিত গ্যাস সরবরাহে বাধ্যবাধকতা এবং প্রায় তিনগুণ বেশি দামে বিদ্যুত্ ক্রয়ের ব্যবস্থা থাকছে তাতে। এসব চুক্তি হচ্ছে দায়মুক্তি আইন অনুযায়ী, কোনো স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া ছাড়াই। (৬) বাংলাদেশের উপগ্রহ ব্যবস্থাপনায় ভারত যুক্ত থাকতে আগ্রহী বলে জানা গেছে। (৭) সুন্দরবনবিধ্বংসী যৌথ বিদ্যুত্ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নেবার পাশাপাশি এই এলাকায়, প্রতিবাদী জনযাত্রা চলাকালীন সময়ে, ভারত বাংলাদেশের যৌথ সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। (৮) একই এলাকায় ভারতের জন্য একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

  • চীনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে শ্রীলঙ্কায় নোঙর করল ভারতের দুই যুদ্ধজাহাজ, আনন্দবাজার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৬

ভারত মহাসাগরে আধিপত্য কায়েমের লড়াইতে চিনকে জোর ধাক্কা দিল ভারত। শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয় বন্দর গড়ে নৌবহর মোতায়েন করেছিল চিন। সেই বন্দর থেকে ফিরে গেল চিনের তিন যুদ্ধজাহাজ। আর তার পরই ভারতীয় নৌসেনার সবচেয়ে বড় এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার আইএনএস বিক্রমাদিত্য নোঙর করল কলম্বোতে। সেখানে স্থায়ীভাবে ভারতীয় নৌবহর মোতায়েন করার কথাও ভাবতে শুরু করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। শ্রীলঙ্কা সরকারও সব রকম সহযোগিতায় তৈরি। 

মাহিন্দা রাজাপাক্ষে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ক্রমশ দূরত্ব বাড়ছিল নয়াদিল্লি আর কলম্বোর মধ্যে। চিনের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার দ্রুত ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকা মোটেই পছন্দ ছিল না ভারত সরকারের। কিন্তু ভারতকে পুরোপুরি অগ্রাহ্য করে চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে শুরু করেন রাজাপাক্ষে। চিন কলম্বোতে বন্দরও বানাতে শুরু করে। সেখানে মোতায়েন করা হয় চিনা নৌবহর। ভারতকে চাপে রাখতে চিনের বেশ কয়েকটি সাবমেরিনকেও পাঠিয়ে দেওয়া হয় কলম্বোর চিনা বন্দরে। সেই বন্দরকে কাজে লাগিয়ে গোটা ভারত মহাসাগরেই দাপট বাড়াচ্ছিল চিন।

রাজাপাক্ষে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে মৈত্রীপালা সিরিসেনা শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট হতেই পট পরিবর্তন শুরু হয়েছে শ্রীলঙ্কার বিদেশ নীতিতে। সেই সঙ্গে পট পরিবর্তন শুরু হয়ে গিয়েছে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্যেও। প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার পর সিরিসেনার বিদেশ সফরের প্রথম গন্তব্য ছিল ভারতই। তার পর থেকে ক্রমেই আবার বেড়েছে ভারত-শ্রীলঙ্কা সম্পর্কের উষ্ণতা। ভারতের পরামর্শ মেনে পাকিস্তানের কাছ থেকে হেলিকপ্টার কেনার সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা। এর পর চিনের পালা। মাঝে শোনা যাচ্ছিল, কলম্বোয় চিনা বন্দর প্রকল্প বাতিল করে দেবে শ্রীলঙ্কার সরকার। তা শেষ পর্যন্ত হয়নি। তবে চিনকে খুব বেশি সুবিধা দিতে যে কলম্বো আর রাজি নয়, সে কথা বেজিং বুঝে গিয়েছে। কয়েক দিন আগেই চিনের তিনটি যুদ্ধজাহাজ কলম্বোর বন্দর ছেড়ে ফিরে গিয়েছে। তার পরই ভারতের সবচেয়ে বড় এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার (বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ) আইএনএস বিক্রমাদিত্য কলম্বোয় হাজির হয়েছে। সঙ্গে ভারতীয় নৌসেনার গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার আইএনএস মাইসোর-ও গিয়েছে কলম্বোয়।

বৃহস্পতিবার কলম্বোয় নোঙর করেছে আইএনএস বিক্রমাদিত্য এবং আইএনএস মাইসোর। শনিবার পর্যন্ত দুই ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ সেখানে থাকবে। ভারতীয় নৌসেনার যুদ্ধজাহাজ দু’টি ঘিরে শ্রীলঙ্কায় প্রবল উৎসাহও দেখা দিয়েছে। সে দেশের নৌসেনার আধিকারিকরা ভারতীয় নৌসেনার যুদ্ধজাহাজগুলি ঘুরে দেখেন বৃহস্পতিবার। স্কুল পড়ুয়াদেরও সুযোগ করে দেওয়া হয় আইএনএস বিক্রমাদিত্য দেখার।

ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নৌসেনার দুই যুদ্ধজাহাজ ‘গুডউইল ভিজিট’ অর্থাৎ ‘সদ্ভাবনা সফর’-এ কলম্বো গিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশারদরা বলছেন, আসলে কলম্বোয় রণতরী পাঠিয়ে বেজিংকে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ ছুড়ল নায়াদিল্লি। ভারত মহাসাগরে চিনের একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েমের চেষ্টা যে কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না, তা বুঝিয়ে দিল ভারতীয় নৌসেনা। শুধু শ্রীলঙ্কা নয় মায়ানমার, বাংলাদেশ, সেশ্যেলস, মরিশাস, মালদ্বীপ— ভারত মহাসগরীয় অঞ্চলকে ঘিরে ছড়িয়ে থাকা এই সব দেশেও নৌবহর মোতায়েনের প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে নয়াদিল্লি।

  • চীনের সঙ্গে যুদ্ধের জন্যই আসামে ভারতের পরমাণু ঘাটি: পরেশ, বাংলা বিডি নিউজ,  ২৬ মার্চ ২০১৬

চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে উত্তর-পূর্বের আসাম রাজ্যে ভারত গোপনে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করেছে বলে সম্প্রতি এক বিবৃতিতে দাবি করেছে আসামের গেরিলা সংগঠন উলফা। বিবৃতিতে উলফা জানায়, ভারত ইতিমধ্যেই ইন্দো-রাশিয়ান প্রযুক্তির ব্রহ্ম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি তৈরির জন্য নাগাল্যান্ডে এবং অক্ষ পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি তৈরির জন্য আসামে স্থান নির্ধারণ ও জরিপের কাজ সম্পন্ন করেছে।

টাইমস অফ আসামে উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়ার পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘প্রায় এক শতক ধরে চীনের সঙ্গে রাজ্যটির কোনো বিরোধ না থাকলেও চীন ভারত দ্বন্দ্বের মাঝখানে পড়ে স্যান্ডউইচড হতে যাচ্ছে আসাম।’’

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধে ভারতের সৈন্যরা পালিয়ে গেলেও চীন আসামের ‍ওপর কোনো আঘাত হানেনি। এখন আবার যদি দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বাধে তবে নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে তা আসামের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যজনক হবে বলে জানান উলফা কমান্ডার। তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘‘কেননা স্বাভাবিকভাবেই যুদ্ধে চীনের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হবে আসামের পরমাণু ঘাটি যা দেশটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে।’’

তিনি বলেন, ‘‘অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ বাধার আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু ভারত সরকার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করছে আসাম ভূখণ্ডে। যার ফলে হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে মূল্য দিতে হবে।’’ উল্লেখ্য এর আগে আসামের জোড়পুকুর এলাকায় বিশাল জায়গাজুড়ে ভারতের ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ারের জন্য বিমানবাহিনীর ঘাঁটি তৈরিতেও ভারত সরকারকে বাধা দিয়েছিল উলফা।ভারতের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে উলফাসহ উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নবাদী সংগঠনগুলো চীনের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক বজার রাখছে বলে অভিযোগ করা হলেও চীন বরাবরই এ বক্তব্য অস্বীকার করে আসছে।

  • ভারত-চীন সম্পর্ক ও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, তারেক শামসুর রেহমান, যুগান্তর,  ০৩ মার্চ ২০১৫

ইতিমধ্যে ওবামার ভারত সফর (২৫ জানুয়ারি ২০১৫) এ অঞ্চলে নতুন এক মেরুকরণের জন্ম দিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্রনীতিতে এ মেরুকরণ কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলবে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল তথা ভারত মহাসাগর আগামী দিনে প্রত্যক্ষ করবে এক ধরনের প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা। এ দুটি অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু ‘সামরিক তৎপরতা’ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে একটি সামরিক ঐক্য গঠিত হয়েছে। উদ্দেশ্য চীনের ওপর ‘চাপ’ প্রয়োগ করা। অন্যদিকে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চীন তার নৌবাহিনীর তৎপরতা বাড়িয়েছে। দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মালাক্কা প্রণালী হয়ে ভারত মহাসাগর অতিক্রম করে অ্যারাবিয়ান গালফ পর্যন্ত যে সমুদ্রপথ, তার নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় চীন। কারণ এটি তার জ্বালানি সরবরাহের পথ। চীনের জ্বালানি চাহিদা প্রচুর। এদিকে ভারতও ভারত মহাসাগরে তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ভারতের নৌবাহিনীর ‘নিউ ইস্টার্ন ফ্লিটে’ যুক্ত হয়েছে বিমানবাহী জাহাজ। রয়েছে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন। আন্দামান ও নিকোবরে রয়েছে তাদের ঘাঁটি। ফলে এক ধরনের প্রতিযোগিতা চীন ও ভারতের মধ্যে রয়েছে। এশিয়া-প্যাসিফিক ও দক্ষিণ এশিয়ার কর্তৃত্ব নিয়ে চীন ও ভারতের অবস্থান এখন অনেকটা পরস্পরবিরোধী। যেখানে চীনা নেতৃত্ব একটি নয়া ‘মেরিটাইম সিল্ক রুটের’ কথা বলছে, সেখানে মোদি সরকার বলছে ‘ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক করিডোরের’ কথা। স্বার্থ মূলত এক ও অভিন্ন- এ অঞ্চলে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। আর এ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে এশিয়ার এ দুটি বড় দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব অনিবার্য হয়ে উঠেছে। এটাকেই কাজে লাগাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। 

তবে একটা ভয়ের কারণ আছে- চিরবৈরী দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা। ওবামার ভারত সফরের পরপরই ভারত পারমাণবিক বোমা বহনযোগ্য মিসাইল অগ্নি-৫ উৎক্ষেপণ করে। এ অগ্নি-৫-এর ব্যাপ্তি সুদূর চীন পর্যন্ত। ভারত এখন আর পাকিস্তানকে বিবেচনায় নিচ্ছে না। ভারতের টার্গেট চীন। অর্থাৎ চীনের কর্তৃত্ব কমানো। অগ্নি-৫ নিক্ষেপের পরদিনই পাকিস্তান তার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘রাদ’ বা ‘ব্রজে’র পরীক্ষা চালায়। এর আগে পাকিস্তান পারমাণবিক বোমা বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছিল। ফলে দেশ দুটি আবারও এক ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষায় নিয়োজিত হয়। মোদির পররাষ্ট্রনীতিতে পাকিস্তানের গুরুত্ব কম। যদিও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের উপস্থিতি দেখে মনে হয়েছিল দু’দেশের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর হবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, মোদির পররাষ্ট্রনীতিতে পাকিস্তানকে বাদ দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ গুরুত্ব পাচ্ছে বেশি। ইতিমধ্যে তিনি ভুটান ও নেপাল সফর করেছেন। এ মার্চেই তিনি যাবেন শ্রীলংকায়। সেখানে তিনি জাফনাতেও যাবেন। মার্চে বাংলাদেশে আসতে পারেন। চীনকে গুরুত্ব দেয়ার পেছনে কাজ করছে তার বাণিজ্যিক নীতি। তিনি চান বিনিয়োগ। তবে চূড়ান্ত বিচারে চীনের সঙ্গে তার সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, তা এ মুহূর্তে বোঝা যাচ্ছে না। তবে এ অঞ্চলে চীনের প্রভাব কমানোই হবে মোদি সরকারের এক নম্বর অগ্রাধিকার। 

  • চীন-ভারত সম্পর্ক, কালের কণ্ঠ, ৫ আগস্ট, ২০১৫

বলা হয়ে থাকে, ২১ শতক হবে এশিয়ার। এই মহাদেশের অন্যতম শক্তিধর চীন এরই মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সে ক্ষেত্রে সাদা চোখে যুক্তরাষ্ট্রই তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু বিশ্ব অর্থনীতি ও রাজনীতির গতিবিধির দিকে গভীরভাবে মনোনিবেশ করলে দেখা যায়, চীনের প্রধান প্রতিযোগী এশিয়ারই আরেক বড় দেশ ভারত। আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই জাপানকে ছাড়িয়ে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে মাথা তুলবে ভারত। সুতরাং এশিয়াসহ পুরো বিশ্বের অগ্রগতির জন্য চীন-ভারত সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

১৯৬২ সালের যুদ্ধে জড়িয়েছিল দুই বৃহৎ প্রতিবেশী চীন ও ভারত। এর জেরে দুই দেশের মধ্যে যে অবিশ্বাস তৈরি হয়, তা এখনো পুরোপুরি মিলিয়ে যায়নি। 

সিসিলি ও মরিশাসের সঙ্গে একাধিক চুক্তি করে দেশ দুটিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় প্রভাব বৃদ্ধির তৎপরতা প্রমাণ করে, ভারতীয় মহাসাগরভুক্ত অঞ্চলে তাদের উপস্থিতি বাড়াতে চায় নয়াদিল্লি। আন্দামানে নৌঘাঁটি নির্মাণ করছে। অন্যদিকে চীন তাদের নৌবহরে বিমানবাহী রণতরীর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে আরব সাগরঘেঁষা গাওদার সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করে দিচ্ছে চীন। 

এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ভূমিকা রয়েছে। জাপানের বড় সমর্থক তারা। দেশটিতে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায়ও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি। একই কথা প্রযোজ্য ফিলিপাইনের ক্ষেত্রেও। ফলে সমুদ্রসীমা নিয়ে চীনের সঙ্গে জাপান ও ফিলিপাইনের যে বিবাদ, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্বাভাবিকভাবেই চীনের বিপক্ষে। ভারতের কাঁধে হাত রেখে চীনবিরোধী আবহ জোরালো করতে চায় তারা। 

ভারতকে বুঝা সিরিজের বাকী পোস্টগুলো;

ভারত বাংলাদেশে কী চায়?

‘যারা ভারতের শত্রু, তারা বাংলাদেশেরও শত্রু’

বাংলাদেশ ভারতের বাণিজ্যিক বাজার

ভারতের সহযোগী উন্নয়ন পথ

‘অখণ্ড ভারত’ স্বপ্ন ও ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ বৃত্তি

‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ভারতীয় রাজনীতি

বিজেপির বাংলাদেশ বিরোধী রাজনীতি

‘বাংলাদেশিদের সঙ্গে শত্রুর মতো আচরণ করছে ভারত’

হায়দ্রাবাদ থেকে সিকিম হয়ে বাংলাদেশ:নেহেরু ডকট্রিন ও আজকের বাস্তবতা

ভারতের প্রতিবেশী সম্পর্ক

Next
Next
Posted in উপমহাদেশ | Tagged আনন্দবাজার, চীন, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, ভারত, ভারত মহাসাগর, ভারতের যুদ্ধজাহাজ, শ্রীলঙ্কা

About the Author

IMBD Blog

Related Posts

‘যারা ভারতের শত্রু, তারা বাংলাদেশেরও শত্রু’→

বাংলাদেশি পাসপোর্ট? নট অ্যালাউড ইন মোম্বাই!→

বিজেপির বাংলাদেশ বিরোধী রাজনীতি→

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ভিসা পাসপোর্ট দরকার নেই-বললেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল→

Search

রেজিষ্ট্রেশন

  • Register
  • Log in

নোটিশ বোর্ড

  • নোটিশ-১
    প্রিয় ব্লগার ! কন্ট্রিবিউটর হিসেবে নিয়মিত লিখতে হলে পোস্ট করুন এবং নিক থাকলে নাম পরিবর্তন করে নিন কেননা IMBD ব্লগ 'নিক' নামে লেখা প্রকাশ করেনা।এতে কোন ধরনের ট্যাকনিকাল সাহায্য লাগলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
  • নোটিশ- ২
    ব্লগিং:
    ব্লগে প্রকাশিত লেখার দায়ভার সম্পূর্নভাবে লেখকের।IMBD ব্লগ যেকোন মতের লেখকের লেখা স্বাধীনভাবে প্রকাশের সুযোগ করে দিতে বদ্ধপরিকর।লেখকরের মতামত কোনভাবেই ব্লগ কর্তৃপক্ষের মতামত নয়। মন্তব্যকারীর মন্তব্যও সংস্লিষ্ট ব্যক্তির, তবে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ন ও আক্রমনাত্বক মন্তব্য মুছে দেয়া হবে।

Featured

  • অপরাধ ও অর্থ পাচারে বিদেশীরা, অবৈধ বসবাসকারী ১২ লাখের বেশী

    28/03/2016 / IMBD Blog
  • শরিয়াহঃ ইবনে তাইমিয়া প্রসঙ্গে আলাপ

    01/10/2015 / KHANDAKER RAQUIB
  • কাওমি মাদ্রাসা: ব্যক্তির স্বাধীনতা বনাম রাষ্ট্রের রাজনীতি

    07/01/2014 / Aziz Monir
  • হায়দ্রাবাদ থেকে সিকিম হয়ে বাংলাদেশ:নেহেরু ডকট্রিন ও আজকের বাস্তবতা

    02/01/2014 / IMBD Blog

সর্বশেষ মন্তব্য

  • দিয়া উদ্দিন রাকিব on মধ্যপ্রাচ্যের নতুন মানচিত্রইসলামী আন্দোলনের আত্মত্যাগ: বালাকোট থেকে…
  • pakhie on মধ্যপ্রাচ্যের নতুন মানচিত্রpakhie.com শুধুমাত্র একটি প্ল্যাটফর্ম নয়…
  • pakhie on মধ্যপ্রাচ্যের নতুন মানচিত্রমধ্যপ্রাচ্যের বাংলাদেশি
  • সময় মাহমুদ on ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’: আহমদ ছফা কী চান?সমাজতন্ত্র কে পুজিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থার…
  • cialis 20 mg daily on উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে[…] where to order e…
  • are tadalafil tablets 20mg from india safe on ওহাবিবাদ এবং সৌদি পেট্রো রিয়াল ফিতনা।[…] order tadalafil 20mg online…
  • viagra effects on male on রাজনীতির সাথে মুসলমানদের সম্পর্ক -শায়খ ড. জাসের…[…] how to use sildenafil…
  • men on viagra videos on উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে[…] 100mg sildenafil tablets […]
  • men viagra on Erbakan and Milli Görüş[…] do male pornstars use…
  • sildenafil citrate tablets 100mg canada on কানুনী সুলতান সুলায়মান (প্রথম পর্ব)[…] sildenafil citrate tablets 100mg…
  • indian viagra tablets on আগামীর দিন ইসলামের[…] sildenafil 25mg tablets […]
  • tablet viagra on Islamism: Contested Perspectives on Political Islam[…] does male viagra work…
  • sildenafil 25 mg tablet on আরাফাতের ময়দানে তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ…[…] 100 million viagra tablets…
  • viagra tablet image on বাংলাদেশে ইসলামঃ জামায়াত দেওবন্দ প্রসঙ্গ[…] sildenafil 50 mg tablet…
  • young men taking viagra on উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে[…] viagra 100mg tablet images…
  • men viagra pills on ওহাবিবাদ এবং সৌদি পেট্রো রিয়াল ফিতনা।[…] viagra tablet for womens…
  • cialis canada on রাজনীতির সাথে মুসলমানদের সম্পর্ক -শায়খ ড. জাসের…[…] non prescription cialis […]
  • cialis lilly on উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে[…] cialis 5mg daily […]
  • where to buy cialis on Erbakan and Milli Görüş[…] canadian generic cialis […]
  • buying generic cialis online safe on কানুনী সুলতান সুলায়মান (প্রথম পর্ব)[…] cialis online […]

ক্যাটাগরি

  • অর্থনীতি (7)
  • আইন-আদালত-বিচার (13)
    • মানবতাবিরোধী বিচার (9)
    • মানবাধিকার (2)
  • আদর্শ-মতবাদ (58)
    • ইসলাম ও অন্যান্য মতবাদ (13)
    • ইসলাম ও গনতন্ত্র (1)
    • ইসলামী রাষ্ট্র (29)
    • খিলাফাহ (2)
    • ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ (2)
  • আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ (2)
  • আন্তর্জাতিক ইস্যু (12)
  • আলোচিত-সমালোচিত (18)
  • ইসলাম ও শরীয়াহ (40)
    • ইসলামী আইন (1)
    • ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা (14)
    • ফতওয়া (1)
    • মুসলিম ইতিহাস (9)
    • মুসলিম দর্শন (4)
  • উপমহাদেশ (2)
  • ছাত্র রাজনীতি (22)
    • ছাত্র মজলিশ (2)
    • ছাত্র শিবির (18)
  • জাতীয় রাজনীতি (52)
    • আওয়ামীলিগ (4)
    • জামায়াত (36)
    • বিএনপি (3)
  • জামায়াতের ইতিহাস (11)
  • দুর্নীতি ও কর্পোরেট (1)
  • নারী অধিকার (18)
  • প্রতিবেশী ও সীমান্ত (14)
  • বই পরিচিতি (13)
  • বাংলা সাহিত্য (10)
    • কবিতা-কাব্য (3)
    • বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (3)
    • ভাষা ও ভাষা আন্দোলন (1)
  • বাংলাদেশ (12)
    • রাষ্ট্রীয় নীতি পর্যালোচনা (3)
    • রাষ্ট্রীয়-প্রশাসনিক সন্ত্রাস (4)
    • সমাজ ও সামাজিক পরিবর্তন (3)
  • বাংলাদেশে রাজনৈতিক ইসলাম (60)
    • ইসলামী ঐক্যজোট ও কওমী ধারা (2)
    • কর্মপন্থা-কৌশল পর্যালোচনা (24)
    • খেলাফত মজলিশ (1)
    • জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (1)
    • জামায়াত ইসলামী (16)
    • হিজবুত তাহরির (1)
  • বাংলার ইতিহাস (14)
    • বাংলাদেশঃ৭২-৭৫ (3)
    • স্বাধীনতাঃ১৯৭১ (10)
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (3)
  • ব্যক্তি ও চিন্তা (41)
    • তারিক রামাদান ও তার চিন্তা (3)
    • ফাতেউল্লাহ গুলেন ও তার চিন্তা (4)
    • মাওলানা মওদুদী ও তার চিন্তা (4)
    • শায়খ ইউসুফ কারাদাওয়ী ও তার চিন্তা (4)
    • শায়খ রাশীদ ঘানুসি ও তার চিন্তা (4)
    • সাক্ষতকার (5)
  • ব্লগিং (39)
  • মুসলিম বিশ্ব (43)
    • আরব জাগরন (1)
    • তিউনিশিয়া (4)
    • তুরুস্ক (21)
    • পাকিস্তান (5)
    • মালয়শিয়া (2)
    • মিশর (2)
  • শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন (6)
    • ইসলামী গান (2)
  • সংগৃহীত লেখা (1)
  • সংস্কার আন্দোলন (5)
  • সমসাময়িক চিন্তা (24)
  • সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলন (10)
    • হেফাজতে ইসলাম (4)
June 2026
M T W T F S S
« Jul    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  

আর্কাইভ

টুইটারে follow করুন

Follow @imbdblog

copyright ©2026 আইএমবিডি ব্লগ | ব্লগে প্রকাশিত লেখার দায়ভার সম্পূর্নভাবে লেখকের। লেখকের মতামত কোনভাবেই ব্লগ কর্তৃপক্ষের মতামত নয়।

Menu