‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ভারতীয় রাজনীতি

গলায় ছুরি ঠেকালেও ভারত মাতা কি জয় বলব না : ওয়াইসি, ইনকিলাব, ১৬ মার্চ ২০১৬

গলায় ছুরি ঠেকালেও বলব না, ভারত মাতা কি জয়। সংবিধানের কোথাও এমন বলা নেই যে, এই বাক্য উচ্চারণ করতেই হবে। ভারতের ইসলামপন্থি সংগঠন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (এআইএমআইএম) নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এ কথা বলেছেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সভাপতি মোহন ভগবতের বক্তব্যের জবাবে ওয়াইসি বলেন, এই বাক্য আমি উচ্চারণ করবো না। ভগবত সাহেব, দেখি আপনি কী করেন। গত রোববার মুম্বাইয়ে এক সমাবেশে ওয়াইসি বক্তব্য দেয়ার পর এ নিয়ে তোলপাড় চলছে ভারতে। দেশটির শীর্ষস্থানীয় কিছু সংবাদমাধ্যম ওয়াইসির বক্তব্যকে প্রধান সংবাদ করেছে। জওহর লাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে কথিত ভারতবিদ্বেষী শ্লোগানের বিষয়ে মোহন ভগবত সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেন, নতুন প্রজন্মকে ভারত মাতা কি জয় বলায় অভ্যস্ত করতে হবে। তার যুক্তি, দেশের প্রতি ভালোবাসা তৈরির জন্য এটি জরুরি। জি নিউজ অনলাইন।

  • ভারত মাতা কি জয়:জাভেদকে পাল্টা তোপ ওয়েইসি-র দলের, ABP Ananda, ১৬ মার্চ ২০১৬ 

গলায় ছুরি ধরলেও ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলবেন না বলে মহারাষ্ট্রের এক জনসভায় বলেছিলেন আসাদউদ্দীন ওয়েইসি। এপ্রসঙ্গেই এবার তাঁকে রাজ্যসভায় চড়া সুরে বিঁধলেন জনপ্রিয় গীতিকার ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব জাভেদ আখতার। নাম না করে জাভেদ আখতার ওয়েইসির উদ্দেশ্যে বলেন, দেশে বর্তমানে এমন একজন নেতা রয়েছেন, যিনি বাস্তবে রাষ্ট্রের নেতাতো ননই, কোনও রাজ্যেরও নেতা নন। তিনি আসলে হায়দরাবাদের একজন এলাকার নেতা। ওয়েইসি বলেছিলেন, ভারতীয় সংবিধান তাঁকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলতে বলেনি, তাই তিনি বলবেন না। এবিষয়ে জাভেদ আখতারের বক্তব্য, ভারতীয় সংবিধানতো তাঁকে শেরওয়ানি বা টুপিও পড়তে বলেননি, তাহলে তিনি পড়ছেন কেন?

জাভেদ আখতার তাঁর বক্তব্যের স্বপক্ষে আরও বলেন ‘আমি জানতেও চাই না ভারত মাতা কি জয় বলাটা আমার কর্তব্য কিনা’। তিনি মনে করেন এটা তাঁর অধিকার। একথা শেষ করেই তিনি একাধিকবার ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলেন। তবে তিনি শুধু ওয়েইসিকে আক্রমণ করেই থেমে যাননি। তাঁর কড়া আক্রমণে বিদ্ধ হয়েছেন সেই সমস্ত ডানপন্থী নেতারাও, যাঁরা একাধিকবার বলেছেন মুসলিমদের পাকিস্তানে চলে যাওয়া উচিত্।

গীতিকারকে আবার পাল্টা আক্রমণ করে এআইএমআইএম নেতা ওয়ারিস পঠান বলেন, জাভেদ আখতার ইসলাম ধর্মের অবিচ্ছেদ অঙ্গ ধর্ম-টুপিকে অসম্মান করেছেন। প্রতিটি মুসলিমের কাছে এই টুপিটি হল মুকুটের মতো। ওয়েইসির ‘ভারত মাতা কি জয়’ সম্পর্কিত মন্তব্যের জন্যে তাঁর উদ্দেশ্যে আক্রমণের সুর চড়িয়েছেন আরএসএস, বিজেপি ও শিবসেনা। প্রবীণ শিবসেনা নেতা রামদাস কদম বলেন, ওয়েইসি যদি এই স্লোগান বলতে না চান, তাহলে তাঁর পাকিস্তানে চলে যাওয়া উচিত্।

  • ‘ভারত মাতা কি জয়’ না বলায় সংসদ সদস্যপদ স্থগিত, আমাদের সময়, ১৭ মার্চ ২০১৬ 

ভারতের মহারাষ্ট্রে ‘ভারত মাতা কি জয়’ শ্লোগান না দেওয়ায় এক মুসলিম সাংসদের সদস্যপদ স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার মহারাষ্ট্রের এ্যাসেম্বলি চলাকালীন সময়ে মজলিসুল ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের নেতা ওয়ারেস পাঠান বলেন, আমি জয় হিন্দ শ্লোগান তো দেব, তবে ‘ভারত মাতা কি জয়’ শ্লোগান দেব না। কারণ ভারতীয় আইন এর অনুমোদন করে না।
ওয়ারেস পাঠানের এ বক্তব্যের পরপরই বিরোধীদলীয় নেতারা তার কঠোর বিরোধিতা করেন। সেই সঙ্গে তারা ওয়ারেস পাঠানের সংসদ সদস্যপদ স্থগিত করার দাবি জানান। এ সময় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ওয়ারেস পাঠানের সংসদ সদস্যপদ জাতীয় বীরদের অপমান এবং শ্লোগান না দেওয়ার কারণে তার সংসদ সদস্যপদ স্থগিত করা হলো।

ওয়েইসির এ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আসাদুদ্দিন ওয়েইসির জিহ্বা কাটতে পারলে পুরস্কারে ঘোষণাও করা হয়। ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা শ্যাম দ্বিবেদি ঘোষণা করেন, যে ব্যক্তি ‘আসাদুদ্দিন ওয়েইসি’র জিহ্বা কাটতে পারবে তাকে এক কোটি ভারতীয় রুপি পুরস্কার দেয়া হবে।

  • ‘ভারত মাতা কি জয়’ না বলায় তিন মাদ্রাসা ছাত্রকে পিটুনি- এনটিভি, ৩০ মার্চ ২০১৬

‘জয়, ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান না দেওয়ায় মাদ্রাসার তিন ছাত্রকে মারধর করেছে একদল যুবক। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির রমেশ এনক্লেভ এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। মারধরের শিকার তিন ছাত্রের নাম মোহাম্মদ দিলকাশ, মোহাম্মদ আজমল এবং মোহাম্মদ নাইম।

গত ২৬ মার্চ ঘটনাটি ঘটলেও চারদিন পর আজ বুধবার এ খবর প্রকাশিত হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ায় বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এরই মধ্যে ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চার যুবককে আটক করেছে দিল্লির পুলিশ।

পুলিশের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ওইদিন সন্ধ্যায় দিল্লির রমেশ এনক্লেভ নামের একটি জায়গার স্থানীয় পার্কে পায়চারি করছিল এলাকার একটি মাদ্রাসার তিন ছাত্র। সেই সময় একদল যুবক সেখানে এসে তাদের ‘জয়, ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে বলে। তারা এই ধরনের আকস্মিক ঘটনায় রীতিমতো ঘাবড়ে যায়। তারা কিছু বলার আগেই তাদের মারধর করা শুরু করে ওই যুবকরা। ওই ঘটনায় এক ছাত্রের হাত ভেঙে গেছে।

মোহাম্মদ দলকাশ অভিযোগ করে বলে, “ওই যুবকরা হঠাৎই ‘জয়, ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে বলে আমাদের মারধর করতে শুরু করে।” মোহাম্মদ আজমল বলেন, ‘আমাদের কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়েই ওই যুবকরা মারধর করে চলে যায়। পরে খবর পেয়ে মাদ্রাসার শিক্ষকরা এসে আমাদের উদ্ধার করেন। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।’

  • ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান না দেওয়ায় তিন মাদ্রাসা ছাত্রকে পিটুনিনয়া দিগন্ত, ৩০ মার্চ, ২০১৬

পুলিশ গতকাল একটি মামলা নথিবদ্ধ করেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। উল্লেখ্য, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগানটি বর্তমানে ভারতের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি এই স্লোগান না দেওয়ায় দেশটির বিভিন্নস্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি রাজ্যসভা থেকেও বহিষ্কৃত হন এক মুসলিম বিধায়ক। 

  • ভারত মাতা কী জয়’ না বললে নাগরিকত্ব বাতিল, দাবি শিবসেনার, সুত্রঃ আমাদের সময়, ১৭ মার্চ, ২০১৬ 

‘ভারত মাতা কী জয়’  স্লোগান দেবেন না বলায় এআইএমআইএম নেতা আসাদুদ্দিন ওয়েইসিকে তীব্র আক্রমণ করল শিবসেনা। ওয়েইসির মতো যারা ওই  স্লোগান দিতে চায় না, তাদের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার খারিজ করার দাবি তুলেছে উদ্ধব ঠাকরের দল।

শিবসেনা মুখপত্র ‘সামনা’-র সম্পাদকীয় ক্ষোভ উগরে দেওয়া হয়েছে ওয়েইসির বিতর্কিত মন্তব্যে। এক ঝাঁঝালো সম্পাদকীয়-তে বলা হয়েছে, ভুল করে জাতীয় পতাকার অমর্যাদা করায় দেশদ্রোহিতা মামলায় বিচার হয়েছে হার্দিক পটেলের। এখনও জেলে রয়েছেন তিনি। ভারত মাতাকে অপমান করে ওয়েইসিও কি রাষ্ট্রদ্রোহী আচরণ করেননি? যারা ভারত মাতা কী জয় বলবে না, তাদের নাগরিকত্ব, ভোটাধিকার বাতিল হওয়া উচিত।

কী করে ভারতের জয়গান গেয়ে  স্লোগানদেবেন না বলার পরও মহারাষ্ট্র থেকে ওয়েইসি বেরিয়ে যেতে পারলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছে শিবসেনা। তারা বলেছে, রাজ্যে একজন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। কী করে দেশের অপমান করেও লাতুর ছাড়ার অনুমতি পেলেন ওয়েইসি, তাঁকে বলতে হবে। 

  • ‘ভারত মাতা কি জয়’ শ্লোগান ইসলাম বিরোধী নয় : তাহিরুল কাদরিসুত্রঃ আমাদের সময়, ১৮মার্চ, ২০১৬ 

পাকিস্তান আওয়ামী তেহরিক পার্টি নেতা ডা. তাহিরুল কাদরি বলেন, ‘ভারত মাতা কি জয়’ শ্লোগান ইসলাম বিরোধী নয়। বৃহস্পতিবার ভারতের বেসরকারি চ্যানেল ‘এবিপি নিউজ’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন। খবর দৈনিক পাকিস্তানের।
ডা. তাহিরুল কাদরি বলেন, দেশের প্রতি সম্মান দেখানো, দেশকে ভালোবাসা, দেশের জন্য জীবন দিয়ে দেয়া কোনো সময়ই ইসলাম বিরোধী নয়। বরং ‘ভারত মাতা কি জয়’ শ্লোগানের বিরোধিতা করা ইসলাম সমর্থন করে না। তিনি আরও বলেন, যারা দেশপ্রেমের বিরোধীতা করে, তাদের উচিত পবিত্র কেরাআন ও ইসলামি ইতিহাস পড়া।

  • ‘মেহবুবাকেও বলতে হবে ভারত মাতা কি জয়’, কলকাতা ২৪/৭, ২৮ মার্চ ২০১৬

পিডিপি প্রধান মেহবুবা মুফতির মুখে ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান শুনতে চায় শিবসেনা। তাদের দাবি মত বিজেপির মহারাষ্ট্র শাখাও একই মত পোষণ করে। এর আগে আম আদমি পার্টির নেতা ও দিল্লির জলমন্ত্রী কপিল শর্মা বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকে চিঠি লিখে জানতে চেয়েছিলেন, ‘মেহবুবা মুফতি কি ভারত মাতা কি জয় বলবেন?’ কেজরিওয়াল পরিচালিত দিল্লির সরকার এবং আম আদমি পার্টি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছিলেন উভয়েরই দাবি ছিল ‘ওই বক্তব্য কপিল শর্মার ব্যক্তিগত।’ কিন্তু, এবার জম্মু-কাশ্মীরের ভাবি মুখ্যমন্ত্রী তথা এনডিএ জোট শরিক পিডিপি নেত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দেওয়ার দাবি করল শিবসেনা। তাদের মুখপত্র ‘সামনা’য় প্রকাশিত সম্পাদকীয়তে এই দাবি করা হয়েছে।

রিলেটেড বিশ্লেষন

  • Idea of Bharat Mata is European import: Irfan Habib, The Hindu, March 29, 2016

‘Bharat’ was first used in an inscription of King Kharavela in Prakrit, says the historian

Wading into the political controversy around the slogan ‘Bharat Mata Ki Jai’ (glory to Mother India), veteran historian Irfan Habib said here on Monday that the idea of Bharat Mata was an import from Europe and there was no evidence of any such imagination in either ancient or medieval India.

“Bharat Mata has nothing to do with India’s ancient or medieval past. It is a European import. Notions of motherland and fatherland were talked about in Europe,” Prof. Habib said, delivering a lecture in the memory of late historian Bipan Chandra at Jawaharlal Nehru University.

This statement comes at a time when leaders of the BJP and its ideological mentor RSS have upheld the slogan as intimately related to nationalism in India.

  • ‘ভারত মাতা কী জয়’ বলা মুসলিমদের জন্য জায়েজ নয়: দেওবন্দ, RTNN,  ০১ এপ্রিল,২০১৬

‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান দেয়া নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্কের মধ্যে ভারতের প্রখ্যাত ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ জানিয়ে দিয়েছে, ‘ভারত মাতা কী জয়’ শ্লোগান দেয়া মুসলিমদের জন্য জায়েজ নয়। দারুল উলুমে করা এ সংক্রান্ত প্রশ্নকে কেন্দ্র করে ‘দারুল ইফতা’র ৮ সদস্যের মুফতির সমন্বিত একটি বেঞ্চ এ নিয়ে আলোচনায় বসে। এরপরে রেফারেন্স নম্বর ৫৪৫(বি)তে মুফতিরা বলেন, ‘কয়েক বছর আগে ‘বন্দেমাতরম’ ইস্যু উঠেছিল। স্কুলে একে হিন্দু-মুসলিম সবার জন্য পড়া আবশ্যক করা হয়েছিল, এবার ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান মুসলিমদের জন্য আবশ্যক করা হচ্ছে। এই দুটি বিষয় একই।’

দারুল উলুম দেওবন্দের মতে, ইসলামে বিশ্বাসী মুসলিমরা কখনোই এ ধরণের স্লোগানের সঙ্গে আপস করতে পারে না। ভারতীয় সংবিধান মোতাবেক ভারতের প্রত্যেক ব্যক্তিকে ধর্মীয় স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। কোনো সম্প্রদায়কে এই অধিকার দেয়া হয়নি যে তারা আইনের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করবে এবং অন্যদের বেআইনি কাজ করতে বাধ্য করবে। ‘ভারত মাতা কী জয়’ বলা লোকদের সামনে এর অর্থ দেশকে পুজোর শামিল। এজন্য কোনো মুসলিমদের জন্য এই স্লোগান জায়েজ নয়।

এদিকে, মুসলিমদের পাশাপাশি শিখদের শিরোমণি অকালি দল (অমৃতসর) নেতা সিমরনজিৎ সিং মান বলেছেন, ‘শিখরা ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান দিতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘শিখরা নারীদের কোনোভাবেই পুজো করে না, এজন্য তারা ‘ভারত মাতা কী জয়’ বলবে না।

সিমরনজিৎ সিং মান বলেন, ‘শিখরা স্রেফ ‘ওয়াহে গুরুজি কী খালসা’ এবং ‘ওয়াহে গুরুজি কী ফতেহ’ বলতে পারে। তারা মায়ের সম্মান করেন। কিন্তু পুজো করেন না।’ যদি শিখরা ‘ভারত মাতা কী জয়’ বলে তাহলে তারা হিন্দুদের মধ্যে শামিল হবে।’ শিখ নেতা মান অবশ্য এখানেই থেমে থাকেননি। তিনি একধাপ এগিয়ে বলেন, ‘বিজেপির জানা উচিত, শিখরা ‘বন্দেমাতরম’ও বলতে পারে না।’

Leave a Reply