মধ্যপ্রাচ্যের নতুন মানচিত্র

মধ্যপ্রাচ্যে আজ রক্তের হুলি খেলা, কোথাও যেন একটু স্বস্তি নেই। আর এর মূল কারন হল বৃহৎ মধ্যপ্রাচ্য প্রকল্পের আলোকে মধ্যপ্রাচ্যের নতুন মানচিত্র।সোভিয়েত রাশিয়ার (USSR) পতনের পর ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মারগারেট থাচারকে যখন প্রশ্ন করা হয়েছিল NATO ত গঠন করা হয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে আজ ত সোভিয়েত ইউনিয়ন নাই তাহলে NATO র প্রয়োজনীয়তা কি? তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন শ্ত্রু বিহীণ কোন আদর্শ টিকে হতে পারে না। রাশিয়ার কম্যুনিজমের পতন হয়েছে তাই বলে আমাদের শত্রু বিহীণ থাকলে চলবে না। আজ থেকে আমাদের শত্রু ইসলাম। এরপর NATO র পতাকার লাল রঙকে পরিবর্তন করে সবুজ করা হয়। আমেরিকা ইউরোপীয় ইউনিয়ন সমস্ত শক্তি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে ইসলামের উপর । মধ্যপ্রাচ্যর তেল অস্রকে হস্তগত করার জন্য সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে তাঁর সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে। ইসরাইলের জন্য হুমকি সরুপ কোন রাষ্ট্র যাতে দাঁড়াতে না পারে এই জন্য একে একে সমস্ত দেশগুলাকে ধংস করে দেয়।তাদের অবস্থান পাকাপোক্ত করার পরই মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নতুন মানচিত্র অংকন করে। আর এটাকে বাস্তবায়নের জন্য এবং মুসলমানদেরকে আরও বিভাজিত করার জন্য আজ মধ্যপ্রাচ্যকে মৃত্যু পূরীতে পরিণত করেছে।
আসুন জেনে নেই কে কি বলেছিলেন, আজকের মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে

* জর্জ ডাব্লিউ বুশ BBC তে প্রকাশিত একটি ডকুমেন্টারিতে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সাথে দেখা করে এই কথা গুলু বলেছিলেন ‘’সৃষ্টিকর্তার পক্ষ (GOD) থেকে দায়িত্ব পেয়েছি । আর এই জন্যই ইরাক এবং আফগানিস্তানে হামলা করেছি। আমরা আপনাদের মুসলমানদের জন্য ‘’নবমতম ক্রুসেড’’ শুরু করেছি।‘’
* যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিজা রাইস Washington post পত্রিকায় এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন ‘’তুরস্কসহ মরক্কো থেকে পারস্য উপসাগর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের ২২ টি দেশের মানচিত্র পরিবর্তন করব।‘’
* ডিক চেনী (DİCK CHENEY) আমেরিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকা কালে অ্যামেরিকান ইন্সিটিউট কর্তৃক আয়োজিত এক সম্মেলনে বলেছিলেন ‘’প্রেসিডেন্ট বুশের ক্রুসেড শব্দকে আমরা সমর্থন করি। আমরা যদি ইরাক এবং আফগানিস্তানে হামলা না করতাম তাহলে তারা ইসলামী ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে ইসরাইলকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলত।‘’

bop202[1]

3 Responses

  1. pakhie
    pakhie at |

    মধ্যপ্রাচ্যের বাংলাদেশি

    Reply
  2. pakhie
    pakhie at |

    pakhie.com শুধুমাত্র একটি প্ল্যাটফর্ম নয় – এটি একটি পরিবার। এমন একটি স্থান যেখানে সারা বিশ্বের বাংলাদেশীরা একত্রিত হয়ে আমাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি শেয়ার করে, একে অপরকে সমর্থন করে এবং বাংলাদেশের সেরা জিনিসগুলি সারা বিশ্বে নিয়ে আসে।

    প্রবাসী ভাই ও বোনেরা আপনার pakhie প্লাটফর্মে বাংলাদেশের সকল ছোট বড় ব্র্যান্ডের তৈরি প্রোডাক্ট দেখতে পারবেন এবং যে যে দেশেই থাকুন না কেন সেই দেশে গ্রুপ জয়েন করে একসাথে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট Pakhie.com-এ একটি GROUP অর্ডার দিয়ে, আপনি সেরা দাম এবং পরিবহন খরচে সাশ্রয় পাবেন। একসাথে, আমরা স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপ দিতে পারি

    Reply
  3. দিয়া উদ্দিন রাকিব
    দিয়া উদ্দিন রাকিব at |

    ইসলামী আন্দোলনের আত্মত্যাগ:
    বালাকোট থেকে শাপলা চত্বর

    দিয়া উদ্দীন রাকিব

    বালাকোটের রাষ্ট্রনায়ক সাইয়েদ আহমদ বেরেলভীর জন্ম ১৭৮৬ সালের ২৯শে নভেম্বর এবং মৃত্যু ১৮৩১ সালের ৬ই মে। কুরআন হলো একটি বিধান সমাজের বিধান। কুরআনের উপর ভিত্তি করেই এই পুরো বিশ্বকে বদলানো যেতে পারে। এখন প্রশ্ন হতে পারে তা কিভাবে? একটি জাতি গঠনের জন্য সংবিধানের অবশ্যই প্রয়োজন হয়। কারণ একটি সামাজিক সভ্যতার আড়ালে অসভ্য লোকেদেরও বসবাস রয়েছে। যারা কিনা সমাজে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করতে চায়, আর তাই তাদের জন্য রাজতন্ত্র বা আইন। আর যারা ভালো কাজ করে, আল্লাহর দ্বীনের পথে কাজ করে, তাদের নিয়ে যদি তাবলীগের পদ্ধতিতে কাজ করা যায়, তাহলে যারা হারাম বিনোদনের মধ্যে আসক্ত, তারা আল্লাহর বিধানে পথ চলবে অর্থাৎ কুরআনের আলোকে দাওয়াতী বাণী প্রচার।

    বন্ধুরা, জীবনে আপনার অনেক ভালো-খারাপ বন্ধু পাবেন, তবে এমন কি কোনো বন্ধু পাননি যিনি কিনা আপনাকে আল্লাহর বাণী করে শুনিয়েছে ও তা বিশ্লেষণ করে বুঝিয়েছে? কোনটি সঠিক পথ অথবা কোনটি সঠিক পথ নয় বা কোনো মুক্তির পয়গাম? এই প্রশ্নের জবাবে আপনারা বলবেন, হ্যাঁ পেয়েছি, তবে গুরুত্ব দেইনি। আর যারা ধনী কিংবা অর্থ সম্পদশালী তাদের উপর যাকাত ফরজ। আজ সাত বছরের অধিক বয়সী শিশু কিশোরদের উপর নামাজ ফরজ। যাদের অর্থ-সম্পদ ও বয়স হয়েছে তাদের হজ অতি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কেমন মুসলমান হলাম যারা এইসব কাজের একটি কাজও ঠিকমতো পালন করতে পারি না? অথচ কুরআন মজিদ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে যে:
    ليس البر أَن تُوَلُّوا وُجُوهَكُمْ قِبَلَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَلَكِنِ الْبِرِّ مَنْ ءَامَنَ بِاللَّهِ واليوم الاخر والملائكة والكتاب والنبين واتى المال على حبه، ذوي القربى واليتامى والمسكين وابن السبيل والسائلين وفي الرقاب ، وأقام الصلوة واتي الزكوة، والموفون بعهدهم إذا عهدوا والصبرين في البأساء والضراء وحين الْبَأْسِ أُولَئِكَ الَّذِينَ صَدَقُوا وَأُولَئِكَ هُم المتقون
    (সূরা বাকারা ২:১৭৭)
    অর্থ: “পূর্ব দিকে কিংবা পশ্চিম দিকে মুখ ফেরানোই পূণ্য নয়। বরং পূণ্য সে, যে ঈমান আনে আল্লাহর প্রতি, পরকাল, ফেরেশতাগণ, কিতাবসমূহ ও নবীগণের প্রতি এবং অর্থ দান করে আত্মীয়স্বজন, এতিম, মিসকীন, মুসাফির, ভিক্ষুক এবং দাস মুক্তির জন্য, সালাত কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে, যারা নিজেদের অঙ্গীকার পূর্ণ করে এবং কষ্ট ও দুঃখের সময় ধৈর্যধারণ করে। তারাই হল সত্যবাদী, আর তারাই পরহেজগার।”

    এই কুরআনের আয়াত থেকে আমরা শিক্ষা নিই যে, একজন মুসলমান হিসেবে একজন দাসকে আজাদী দেওয়া আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। এই আয়াত থেকে আরও শিক্ষা নেওয়া যায় এই যে শুধুমাত্র আমাদের মৃত্যুই বিশেষ ধাপটা কিন্তু নয়, বরং পরকালে বিশ্বাস ও মহা বিচার দিনের কথা, যে দিনে পাপীদের সাথে এমন করা হবে যেমন: “যারা হারাম বিনোদন দেখেছে তাদের দুচোখ দিয়ে গলন্ত আগুন ঢেলে দেওয়া হবে। হায়! আফসোস, তখন যদি তারা হারাম বিনোদন না দেখে বরং দু’ চোখ দিয়ে কুরআন পড়ত, তাহলে তাদের দুচোখ দিয়ে আজ নূরে ভরে যেত। সুবহানআল্লাহ!!”
    কুরআনের যারা আজ স্বেচ্ছাসেবক তারা একটি উক্তি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে:
    “The statesmen who, in light of the Quran, do not hesitate to sacrifice their lives to build an Islamic society or state, are the leaders for establishing a society based on the Quran.”

    ২০১৩ সালের ৫ই মে—একটি দিন একটি শহীদি দিবস
    ২০১৩ সালের ৫ই মে—একটি দিন, যা বাংলাদেশের ইসলামী রাজনৈতিক ইতিহাসে এক শোকাবহ ও স্মরণীয় অধ্যায়। সেদিন হেফাজতে ইসলামের ডাকে হাজার হাজার আলেম-ওলামা, মাদ্রাসার ছাত্ররা ঢাকার শাপলা চত্তর মুখী হয়েছিল। তাদের হাতে ছিল কালেমার পতাকা , মুখে ছিল শান্তিপূর্ণ স্লোগান—নবি মুহাম্মদ ( সা.) । কিন্তু সেই দিনে ঘটল এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডি।রাত গভীর হতেই রাষ্ট্রশক্তির নির্মম আঘাত নেমে আসে নিরস্ত্র মুসল্লিদের ওপর। ইতিহাস সাক্ষী, কীভাবে ইসলামপ্রিয় জনতার উপর গুলি, হামলা, নির্যাতন চালানো হয়। তখনকার গণমাধ্যম ও কিছু তথাকথিত বুদ্ধিজীবী এই নৃশংসতা আড়াল করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কেউ কেউ নারীর মুক্তির নামে ইসলামী আন্দোলনের বিরোধিতায় মুখর হয়।

    প্রতিবাদের ভাষা, আকুল কান্না, শহীদের রক্ত—সবকিছুই সেদিন ঢাকা শহরের বুকে এক অদৃশ্য ইতিহাসের চিহ্ন রেখে যায়।তারপর কেটে গেছে বছর। হেফাজতের বিরুদ্ধে চালানো হয় ধরপাকড়, মিথ্যা মামলা, দমন-পীড়ন ও মিডিয়ার মাধ্যমে চরিত্র হনন। কিন্তু প্রশ্ন থাকে—এই দমননীতি কি আদৌ সফল হয়েছিল? ইতিহাস বলে, না।মুসলমানদের ঈমানের দাবির ধারা কখনও থেমে থাকে না। সত্যিকারের ইসলামী আন্দোলন ক্ষণিকের জন্য স্তব্ধ হতে পারে, কিন্তু নিভে যায় না। বরং অত্যাচারের শিখায় আরও দগ্ধ হয়ে তা একদিন পূর্ণ জ্বলনে জেগে উঠে।আজও আমরা বিশ্বাস করি—সেই আন্দোলন ফিরে আসবে। সেদিন সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনতা, যুবসমাজ, ছাত্রসমাজ একযোগে বলবে,

    “আল্লাহ আমাদের অভিভাবক। আমরা ইসলামের পক্ষে।”
    আর সেই কাফেলায় থাকবে লাখো আশাবাদী হৃদয়, যারা অন্ধকারে দিয়াশলাইয়ের মতো আলো জ্বালাতে জানে।

    ইসলামী আন্দোলনের শহীদগাঁথা: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক জাগরণী চেতনা!
    ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাস আমাদের সামনে কেবল কিছু ঘটনার বিবরণ নয়, বরং তা এক অনন্ত আত্মত্যাগ ও নৈতিক আদর্শের প্রতিচ্ছবি। আজ যখন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নৈতিক বিচ্যুতি, দাওয়াতি সংকট ও আদর্শিক বিভ্রান্তির মুখোমুখি, তখন ইসলামী আন্দোলনের শহীদগাঁথা নতুন করে স্মরণ করাটাই সময়ের দাবি। ইসলামী আন্দোলনের প্রকৃত অর্থ বোঝার জন্য আমাদের ফিরে তাকাতে হয় ইতিহাসের পাতায়। ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন- তাঁরা ছিলেন একেকজন আদর্শিক যোদ্ধা, যাঁদের আত্মত্যাগ আজও অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে আছে। উপমহাদেশে আজাদী আন্দোলনের সময়, বহু মুসলমান এবং আলেম এক নির্মম ইতিহাসের শিকার হয়েছেন। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, প্রায় ২৭ বা ২৮ হাজার মুসলমান এবং সাতশতাধিক আলেম বিনা বিচারে ফাঁসির দণ্ডে দণ্ডিত হন, যাঁদের অপরাধ ছিল কেবল সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ। আমাদের জাতীয় ইতিহাসেও এর ব্যতিক্রম নেই। ২০১৬ সালের ২০ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গার গুলাটিয়া মাঠে ইসলামী আন্দোলনের কর্মী মহিউদ্দীন সোহানের শহীদ হওয়া, সেই আত্মত্যাগের এক মর্মান্তিক দৃষ্টান্ত। ইসলামী আদর্শে বিশ্বাসী তরুণদের ওপর সামাজিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক নিপীড়ন এই উপমহাদেশের পুরনো বাস্তবতা।
    আজকের প্রেক্ষাপটে, ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাস কেবল অতীত স্মরণ নয়-বরং তা আমাদের নৈতিক চেতনা, দাওয়াতি দায়িত্ব এবং সামাজিক ন্যায়ের জন্য সংগ্রামের শিক্ষায় পরিণত হওয়া উচিত। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যদি এই আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেয়, তবে আমরা তাদের এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছি। এই কারণে ইসলামী আন্দোলনের শহীদগাঁথা কেবল ইতিহাস নয়, এটি একটি চেতনা, যা আমাদের আদর্শিক দৃঢ়তা এবং নৈতিক পুনর্জাগরণের পথ দেখায়। সময় এসেছে, এই চেতনায় নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করার।
    বালাকোটের রাষ্ট্রনায়ক সাইয়েদ আহমেদ বেরেলভী:
    ইতিহাসকে মুছে ফেলা যায় না, কারণ একটি দেশ তার ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করেই টিকে থাকে। আর এই ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো বালাকোটের প্রাঙ্গণ, যা আজকের বাংলাদেশের অনুপ্রেরণা। বালাকোটের মহানায়ক ছিলেন সাইয়েদ আহমেদ বেরেলভী, যার নেতৃত্বে একটি ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল-যার নামই ছিল বালাকোট। এই রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন সুলতান মোহাম্মদ (গভর্নর), মাওলানা মাজহার আলী (প্রধান বিচারপতি) এবং শাহ্ ইসমাইল (সেনাপতি)।
    ঈমানী শক্তির পরীক্ষা: ৬ মে ১৮৩১
    ১৮৩১ সালের ৬ মে এক ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী ছিল। এই দিনে অস্ত্রের মুখে ঈমানী শক্তি মাথা নত করেনি। বালাকোটের এই ইসলামিক রাষ্ট্রকে ঘিরে শুরু হয়েছিল গভীর ষড়যন্ত্র। দুঃখজনকভাবে, কিছু মুসলিম নেতা অর্থের লোভে ইংরেজ ও শিখদের পক্ষে নিয়েছিল, যারা কিনা মুসলমানদের মধ্যেই দালাল হিসেবে কাজ করেছিল। ১৮৩১ সালের ৬ মে খুব ভোরে ইংরেজদের আশীর্বাদপুষ্ট শিখবাহিনী চারদিক থেকে বালাকোটকে ঘিরে ফেলে। মাত্র প্রায় ৭০০ মুজাহিদের বিপরীতে ছিল হাজার হাজার সৈন্য আর অত্যাধুনিক অস্ত্র। কিন্তু মুজাহিদরা বিন্দুমাত্র ভীত না হয়ে তাদের প্রাণ দিয়ে যুদ্ধ করে গিয়েছে। প্রায় ২০ হাজার সৈন্যের হাতে শেষ পর্যন্ত প্রায় ৭০০ মুজাহিদ শাহাদাত বরণ করেন। বালাকোটের ইসলামিক রাষ্ট্রের মহানায়ক সাইয়েদ আহমেদ বেরেলভী সেখানেই শহীদ হন।

    Reply

Leave a Reply