এই সরকার পাকিস্তানের সুরে কথা বলছে। ৫২’র ভাষা আন্দোলনে যে ভাবে নিরীহ ছাত্র জনতার উপর পুলিশ গুলি চালিয়ে ছিল আজ তার পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে দাবি করা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকরকার। শেম শেম। ল্জ্জা লজ্জা। নিজেদের আখের গুছাবে ছাত্রদের টাকায় । সেম সেম। কি লজ্জা কি ল্জা। ৫২ ভাষা আন্দোলনে ছিল ১৪৪ ধারা। তাই সেখানে গুলি করেছে পুলিশ। এখানেতো তাও ছিল না। একদিকে সরকারী আমলাদের বেতন ডাবল বাড়ানো হচ্ছে আরেক দিকে ছাত্র সমাজকে শোষন করা হচ্দে। তবেকি সরকারি আমালাদের পেট ভড়ানোর জন্যই কি ছাত্রদের শোষন? আর এতো ক্রেজি হবারই বা আছে কি? পুলিশ হুট হাট গুলি করে দিচ্ছে। এরা কি ক্রীমিনাল। সরকারের বুলেটের কি কোন হিসাব দিতে হয় না। বা এটা কিনতে কি পয়সা লাগেনা। যখন তখন এটা হুটহাট করে লাগামছারা ইউজ করা হচ্ছে। মাননিয় শিক্ষামন্ত্রীর বিষয়টি নিয়ে আশু সমাধানের ব্যবস্থা করা। ছাত্রদের হঠাৎ এভাবে ক্ষেপিযে দিয়ে কি লাভ? ছাত্রসমাজ জখন জাগে তখন কিন্তু পুরো দেশ জেগে উঠে। এটা কি সরকার ভুরে গেছে। ভুলে গেছ কি ৫২, ৭১ আর ৯০ এর সেই অগ্নিঝরা দিনগুলোর কথা।ছাত্রদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করুন। তাদের শিক্ষায় উৎসাহিত করুন। তাদের পারলে সহযোগিতা করুন। তাদের শিক্ষার উপর ভ্যাট দিয়ে কেন তাদের শোষন করা। সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে মহান আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করি।

শিক্ষা নয়তো পন্য -ভেট কি জন্য
==================
আবুল মাল মালের বাবা
আরেক অর্থ মহা হাবা
সেতো একটা আবুল
আবার খায় মাল
তাইতো টালমাতাল।
মাল যা আছে পেটে, চান্দিতে নাই
ভিতরের একশেনে,বলেন যা ইচ্ছা তাই।
এই বলেন আপ
এই বলেন ডাউন
মুহিত নামে মুহিত করে
হয়ে যায় ক্লাউন।
নামের সাথে এমন মিল
মন্ত্রী যে ঐ মালের
পেটে শুধু ভেট আর ভেট
মাল যে জনগনের।
এখন সে ভেট ম্যান
ভেট ভেট প্যন প্যন
ভেট দাও সবে
শিক্ষাদিক্ষায় এখন থেকে, ভেটে দিতে হবে।
মালটা তার হেব্বি চয়েজ
নামের সাথে যায়
মদ বলে তার কেন
দামটা যে কমায়।
ঐ মালটা ভেট মুক্ত
শিক্ষার ছার নাই
পেটে যে বহুত ক্ষিধা
ভেট দাও সবাই।
ভেট ম্যান ভেট চায়
দোষের কিছু না
পন্যে সবাই ভেট দিবে
এটাই বিবেচনা।
মাল মন্ত্রীর মালের ধান্দা
শিক্ষায় কি জন্য
সাফ কথা ভেট দেব না
শিক্ষ নয় পন্য।






