Browse: Home / তুরস্কে ইসলামী আন্দোলন

Menu

Skip to content
  • পরিচিতি ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য
  • ব্লগে লেখার পদ্ধতি
  • ব্লগ ব্যবহারের নিয়মাবলী
  • আমাদের লিখুন
  • পোস্ট লেখার টিউটরিয়াল
  • সাইট ম্যাপ
Header image

Political Islam in BangladeshLogo

Political Islam in Bangladesh

Menu

Skip to content
  • সমসাময়িক চিন্তা
  • আদর্শ-মতবাদ
    • ইসলাম ও অন্যান্য মতবাদ
    • ইসলাম ও গনতন্ত্র
    • খিলাফাহ
    • ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ
    • সমাজতন্ত্র
  • বাংলাদেশে রাজনৈতিক ইসলাম
  • মুসলিম বিশ্ব
    • আরব জাগরন
    • তিউনিশিয়া
    • তুরুস্ক
    • মিশর
  • আলোচিত-সমালোচিত
  • জাতীয় রাজনীতি
  • উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে
  • উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে
  • ওহাবিবাদ এবং সৌদি পেট্রো রিয়াল ফিতনা।
  • বাংলাদেশে ইসলামঃ জামায়াত দেওবন্দ প্রসঙ্গ
  • কানুনী সুলতান সুলায়মান (প্রথম পর্ব)

তুরস্কে ইসলামী আন্দোলন

Written by সংগৃহীত পোস্ট on 15/05/2014 in তুরুস্ক | Views

মোহাম্মদ সামিঃঃ

ভুমিকাঃ

এশিয়া মহাদেশের অনেক দেশ শত শত বছর ধরে রোমান সাম্রাজ্য কুফরী শক্তির অন্ধকার শাসনাধীন ছিল। তাদের এই শাসন আমল আমাদের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা দখল করার আগ পযন্ত অব্যাহত ছিল। আমাদের নবী করীম সা এর সাহাবীগন রাসুলের আদর্শে ও শিক্ষায় অনুপ্রানীত হয়ে রোমান সাম্রাজ্য জুলুম ও নির্যাতন থেকে মানুষদের উদ্ধার করার জন্য রোমান সাম্রাজ্যকে জয় করে নেন। ঐতিহাসিকদের ভাষ্য মতে, ঐ সময় তুরস্কের মুসলমানরা সামারকান্দ ও বুহারা দিয়ে আসেন এনাতলিয়া (আনাদলু) তে। ১০৪৮ সালে বাইজান্টিনদের সাথে যুদ্ধের মাধ্যমে তাদেরকে পরাজিত করে মুসলিমরা তাদের স্বাধীনতার দ্বার কে উন্মোচিত করে। এর পরবর্তীতে ১০৭১ সালে মালাজগিরত যুদ্ধের মাধ্যমে এনাতলিয়ায় প্রবেশের সকল দরজাকে উন্মুক্ত করে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে তারা গোটা এনাতুলিয়া তাদের করতলগত করে এবং সেলচুকলু রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা করে ।

মোগলদের সাথে শক্তিতে পেরে না উঠা এবং প্রিন্সিপালিস্টদের সাথে তাদের দুরত্বের কারন সেলচুক রাষ্ট্রের পতনকে ত্বরান্বিত করে। তুরস্কের সর্ব পশ্চিমের নগর বুরসাতে ওসমানের বংশধরগন তাদেরও এই পূর্বপুরুষদের তথা মৌলবাদ চিন্তধারাকে সামনে নিয়ে আসেন। এই মৌলবাদ অর্থাৎ আসল মুসলান অর্থাৎ ওসমানের বংশধরা যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে খুব দ্রুত সফলতা লাভ করে ও তাদের রাষ্টের পরিসীমাকে বড় করতে থাকে। আল্লাহ তালার অশেষ মেহেরবানীতে তাবুর নিচে গড়ে উঠা এই রাষ্টটি বিশাল ওসমানী খিলাফতে রুপ লাভ করে।

১৪৫৩ সালে ইস্তানবুলের বিজয়ের মধ্যদিয়ে মুসলিমরা দুনিয়ার সব থেকে বড় ও শক্তিশালী শক্তিতে রুপ লাভ করে। ইসলামী ঐক্যকে শক্তিশালী ভিত্তির উপর দাড় করানোর জন্য তারা ইরানিয়ান প্রভাবকে প্রভাবিত করেন। এর পরপরই ইয়াভুজ সুলতান সেলিম মক্কাকে পৈত্তলিকদের ও মেমলুক রাষ্ট্রের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য মিশরে সৈন্য সমাবেশ ঘটান। এবং মিশরকে বিজয় করার পর তিনি মিশরকে ওসমানী খেলাফতের অভিভুক্ত করেন।

ওসমানী খেলাফতের পতন:

প্রায় ৪০০ বছর পর্যন্ত মুসলমানদের অধিকারকে সংরক্ষন করার জন্য ও সারা দুনিয়াতে আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য ইউরুপকে তঠস্থ করে রাখতে পেরেছিল। যেখানে যুলুম ও নির্যাতনের সংবাদ পেয়েছিল সেখানেই তারা মুসলিমদের ও মানবজাতি কে উদ্ধার করার জন্য তাদের সকল প্রকার সাহায্য নিয়ে হাজির হতেন। সর্বপ্রথম ওসমানী খেলাফতের খলিফার সাথে চুক্তি করতে আসেন থিউডর হেরজেল নামক বিখ্যাত ইহুদি তিনি ওসমানী খলিফা আব্দুল হামিদ খানের সাথে সাক্ষাত করেন। এবং তাকে প্রস্তাব দেন যে তাদের সকল ঋণ মৌকুফ এর বিনিময়ে ফিলিস্তিনকে তাদের হাতে তুলে দিতে । ওসমানী খেলাফতের খলিফা সুলতান আব্দুল হামিদ তার এই প্রস্তাবে বলেছিলেন যে, শহীদের রক্তে কেনা ভুমি কখনো টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতে পারি না।

আর এই জবাবের পর তারা তাদের সকল প্রকার ষড়যন্ত্রের জাল বুনে আব্দুল হামিদ খানের উপর। তারা তাকে পদচ্যুত করে ও তাদের পছন্দ মতো খলিফাকে স্থলাভিষিক্ত করার পরে ওসমানী খেলাফত কে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করতে বাধ্য করে। এরই মধ্যে ওসমানী খেলাফত তার সকল ভুমিকে হারায় । প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তাদেরকে জার্মানীর সহযোগী হতে বাধ্য করে। জার্মানীর মিত্রশক্তি হিসেবে যুদ্ধ করতে গিয়ে তারা তাদের অবশিষ্ঠ শক্তিটুকুও খর্ব করে ফেলে। এবং আর নিজেকে রক্ষা করার মতো শক্তি অবশিষ্ঠ থাকে না । যুদ্ধের পর ইউরোপ থেকে আনাতোলিয়াকে উদ্ধার করার জন্য খলিফা মোস্তফা কামাল পাশাকে সেনাপতী করেন। সাথে সাথে সমগ্র আনাতোলিয়া নিজের সর্বশেষ আশ্রয়কে রক্ষা করার জন্য সর্বাত্তক যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এই যুদ্ধে বিজয়ের পরে মোস্তফা কামাল পাশা (আতাতুর্ক) ওসমানী খেলাফতের সর্বশেষ পরিবারকে নির্বাশিত করে দেয়। ও খিলাফত কে বাতিল করে রিপাবলিকান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। এর পরেই শুরু হয় ইসলাম ও মুসলিমদের উপর নির্যাতনের ভয়াবহতা। কোরআন শিক্ষাকে নিষিদ্ধ করা। সেকুলারিজম কে গ্রহন, মসজিদে টার্কিশে ভাষায় আজান, লেখার আরবী হরফকে পরিবর্তন করে লেটিন হরফ ব্যবহার। এইভাবে চলতে থাকে ২৮ বছর। যাতে করে গোটা জাতি এই জুলুমের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠতে না পারে , তাই ৩০ জানুয়ারী ১৯৪৩ সালে আসেন ব্রিটেনের প্রেসিডেন্ট চার্চিল । তিনি তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান ইসমত ইনউনুর সাথে বৈঠক করে বহু দলীয় গণতন্ত্র পতিষ্ঠার তাগদা দেন। রিপাবলিকান পিপলস পাটির ২ জন এমপি জেলাল বায়ার ও আদনান মেন্ডেরস প্রতিষ্ঠা করেন ডেমোক্র্যাক্ট পাটি। শত যুলুমের স্বিকার মুসলিম জাতিকে তিনি শুধু ওয়াদা করান যে এরাবিক যে আজান তিনি পুর্ন প্রতিষ্ঠা করবেন । এতেই তাকে জনগন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন। এভাবেই চলে ১০ বছর। তিনি সেই সময়ে মুসলিমদেরকে কোরআন শেখা নামায পড়ার অনুমতি সহ বেশ কিছু সুবিধা দেন ।

যুলুম নির্যাতনের সময় ইসলামী আন্দোলনঃ

যে সময়ে আল্লাহ নাম ডাকাও নিষিদ্ধ হয়ে পড়েছিল আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার রহমত স্বরুপ বড় বড় আলেমদের পাঠান। সেই আলেমগন তাদের বিরুদ্ধে সকল অপপ্রচার জুলুম নির্যাতনের স্টিম রুলারকে উপেক্ষা করে আল্লাহ তা’লার দ্বীনের ঝান্ডাকে বুলন্দ করার কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন দুর্বার গতিতে । তাদের মধ্য থেকে অন্যতম কয়েকজনের নাম আমি উল্যেখ করতে চাই।

ওস্তাদ বদিউজ্জাামন সাইয়েদ নুরসী (রা) তার বিখ্যাত তাফসির গ্রন্থ ‘রিসালায়ে নুরে’র মাধ্যমে যুবকদের মধ্যে প্রচলিত ও ইসলামের বিরুদ্ধে সকল প্রপাগান্ডার দাঁত ভাঙ্গা জবাব পেশ করেন। নাস্তিক্যবাদ ও কমিউনিজমের বিরুদ্ধে তিনি তুলে ধরেন ইসলামের শ্রেষ্ঠ্যত্ব ও ঈমানের ব্যপারকে শক্তিশালী করার মানসে তিনি নাস্তিক্যবাদের বিরুদ্ধে তুলে ধরেন অকাট্য যুক্তিমালা।

সুল্ইামান হিলমি তুনাহান র কোরআন পড়া ও শিক্ষা দেয়া নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি বিচলিত হয়ে পরেন। আগামী প্রজন্ম কোরআনকে যাতে ভুলে না যায় সেই জন্য তিনি গ্রহন করেন অভিনব পদ্ধতি। তিনি ছিলেন ধনী পরিবারের তাই তিনি তার টাকা দিয়ে ট্রেনের টিকেট কিনে সেখানে যাতে পুলিশ ও সরকারি গোয়েন্দারা দেখতে না পারে ট্রেনের ছোট কামরা গুলোতে তার ছাত্রদের কোরআন শেখাতেন। তার এই ছাত্ররাই পরবতীতে কোরআন কে জিয়িয়ে রাখার ক্ষেত্রে ভুমিকা রাখে।

ইসকিলিপ এর আতিফ রা কে ফাঁসি দেয়া হয় শুধু মাত্র তিনি হ্যাট এর বিপক্ষে বই লিখেছেন ও বিপ্লবের বিপক্ষের শক্তি তাই। সর্বশেষ কোর্টে এ যাওয়ার আগে যখন তিনি তার ফাইল রেডি করতেছিলেন সেই রাতে তিনি নবী করিম সাঃ কে সপ্নে দেখেন ও নবী করীম সাঃ তাকে বলেন যে, তুমি কেনো এসব রেডি করতেছো? তুমি কি আমার সাথে মোলাকাত করতে চাও না!! এরপরে তিনি আর নিজের পক্ষে সাফাই করেন নি। এরপর তাকে ফাঁসি দেয়া হয়। আলী হায়দার, মুহাম্মদ সাইদ কুতুবসহ আরো অনেক মুজাহিদগন শহীদ হন।

ডেমক্রেট পাটির পরের অবস্থাঃ

১৯৬০ সালে সামরিক জান্তাদের ক্যু এর মাধ্যমে আরবীতে আজান প্রচলন করার দায়ে ফাঁসি দেয়া হয় আদনান মেন্দেরেসকে। এই ঘটনায় গোটা জাতি শোকাহত হয়েও সেনাবাহিনীর ভয়ে বিক্ষোভ থেকে বিরত থাকে। এরপর বাম পন্থী ও মাসন হিসাবে পরিচিত সুলাইমান দেমিরেল আদনান মেন্ডরেস এর নাম ব্যবহার করে জনগনের সমর্থন লাভ করে ক্ষমতায় আরোহন করে। কিন্তু এসময় কোন ব্যক্তি ইসলামী আন্দোলনের আহ্বান জানায়নি বা এসময় কোন আন্দোলন সাংগঠনিক ভাবে গড়ে উঠেনি।

নাজিমুদ্দিন এরবাকান ও তার আন্দোলন মিল্লিগুরুশঃ (জাতীয় দৃষ্টিকোন)

প্রখ্যাত বিজ্ঞানী নাজিমুদ্দিন এরবাকান সমসাময়িক আলেমদের পরামর্শে ১৯৬৯ সালে সতন্ত্রভাবে এমপি হোন। এবং সে সময়ের সকল ইসলামী সংগঠনের সমর্থনে মিল্লিগুরুশ নামে রাজনৈতিক প্লাটফরম গঠন করেন। এটা কোন রাজনৈতিক দল নয় বরং একটি সাধারন প্লাটফরম ছিল । এখানে তিনি মিল্লিগুরুশ কে স্থান কাল পাত্র ভেদে ব্যবহার করতেন। যেহেতু তুরস্কে ইসলামের নাম নেয়া নিষিদ্ধ ও ইসলামের দল করাও নিষিদ্ধ তাী তাঁর এই আন্দোলন খুব অল্প সময়ে সাংগঠনিক শক্তি অর্জন করে কোয়ালিশনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসীন হয়। তার আন্দোলনের মুল লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল

-অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বিতা। আমেরিকা ও রাশিয়ার থেকে সতন্ত্র ভাবে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নতি করে নতুন এক তুরস্ক গঠন।

-আধ্যাতিক উন্নতি । ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়া জাতিতে পুনরায় ইসলামের দিকে আহ্বান ও তাদেকে যোগ্য মুসলিম রুপে গড়ে তোলা। বিশেষ করে যুবকদের মাঝে ইসলামের প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধি করা।

– ইসলামীক ইউনিয়ন গড়ে তোলা ও সকল মুসলিমদেরকে একই প্লাটফরমে নিয়ে এসে সকল সাম্রাজ্যবাদীদের হাত থেকে রক্ষা করা।

তার এই কোয়ালিশন সরকারের সময় ৬ হাজার মুসলিম কে মুক্ত করে দেয়া, সাইপ্রাস কে গ্রীস থেকে দখল করা ও মুসলিমদেরকে যুলুম মুক্ত করা, নতুন করে মাদ্রসা শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত করা সহ অনেক কাজ করেন।

তার এইসকল কাজের কারনে মিল্লিগুরুসের রাজনৈতিক শাখা মিল্লি নিজাম পার্টিকে ইসলামী ফান্ডাম্যানটালিস্ট হিসেবে নিষিদ্ধ করা হয়। এরপর তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মিল্লি সালামত পার্টি। কিন্তু এর পরপরেই ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ তে তুরস্কের কোনিয়াতে কুদুস দিবসের সমাবেশ পালনের অভিযোগে ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ তে সামরিক শাসকগন ক্যু করে এই পার্টিকেও নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। সেইাসাথে সকল রাজনৈতিক দল কে নিষিদ্ধ করা হয়।

তার উপর এই সকল যুলুম নির্যাতন ও তাকে রাজনীতিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরও ১৯৮৩ সালে তিনি রেফাহ পার্টি গঠন করেন। এই পাটি খুব অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা লাভ করে। এবং ১৯৮৭ সালে এরবাকানের উপর রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় তিনি আবারো রাজনীতিতে আসেন। ও রেফাহ পার্টির প্রেসিডেনন্ট হন। তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরপরই এই পার্টি ব্যপাক জনপ্রিয়তা পায়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৪ সালের স্থানীয় মেয়র নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ও ১৯৯৬ সালে জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করেন।

নাজিমুদ্দিন এরবাকান তার ১১ মাসের শাসনামলে D-8 প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সুদের হারকে কমিয়ে নিয়ে আসেন। এবং জনগনের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার দিকে মনোযোগী হন। তার এই সকল উত্তোরত্তর সফলতায় ইয়াহুদীরা রেফাহ পার্টিকে বন্ধ করার লক্ষ্যে সকল প্রকার প্রপাগান্ডা চালায়। ও তার পার্টি শরিয়ত কায়েম করবে এই অভিযোগে তাকে সরানোর জন্য সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে। এই অবস্থায় এরবাকান এই শর্তে প্রধানমন্ত্রীত্ব থেকে ইস্তফা দেন যে তার কোয়ালিশন পাটির নেত্রী তানসু’কে প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। কিন্তু মাসন ও ইয়াহুদিদের ধারক সোলাইমান দেমিরেল বিশ্বাস ঘাতকতা করে মেসুদ ইলমাজকে প্রধানমন্ত্রী করে। এইভাবে রেফাহ পার্টিকে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি তাকেও রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। এরপরে মিল্লি গুরুসের অপর নেতা রেজাই কুতানের মাধ্যমে ফজিলত পার্টি গঠন করা হয় যা খুব অল্প সময়েই নিষিদ্ধ করা হয়।

২০০১ এর ২০ জুলাই সাদাত পার্টি যাত্রা শুরু করে কিন্তু মিল্লি গুরুস এর ভিতরে তরুন প্রজন্ম ও নতুনদের নেতৃত্ব নেয়ার নামে এবং ইসলাম এর আগে লিবারেল ডেমোক্রেসিকে নিয়ে আসেন কতিপয় নেতা। তারা পরবতীতে মিল্লি গুরুসকে ভেঙ্গে গঠন করেন একে পাটি। মিল্লিগুরুশ দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায় । সাদাত পার্টি রয়ে যায় ইসলামী দল হিসাবে আর ‘একে পার্টি’ তাদের সকল দৃষ্টি কোনকে পরিবর্তন করে লিবারিজমের আদলে গড়ে উঠে। ‘আমরা সবাই মিল্লিগুরুশ ও আমরা হলাম তার পরবর্তী প্রজন্ম’ এই স্লোগান দিয়ে জনগনের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসে একে পার্টি। এখনো মানুষ ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে তায়েব এরদোয়ান এরবাকানের ছাত্র এই হিসাবে তারা তাদেকে ভোট প্রদান করে। কিন্তু ড. এরবাকান, এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তারা ছাত্রদের ভুলকে সবসময় জাতির সামনে উন্মোচন করেছেন। তিনি তাদেরকে সংশোধন হতে বলেছেন। তিনি বারবার একটা কথা বলতেন ”তোমারা যে পথে পা বাড়িয়েছ, সে পথে শুধু প্রবেশই করা যায় কিন্তু বের হওয়ার কোন পথ নেই।”

( এখানে একটা মজার ব্যপার হলো তারা দল থেকে বের হয়ে আসার পরেও অন্যান্য বাম পন্থীদের অভিযোগ ছিল এরবাকান দুইটা পার্টি দিয়ে দেশ চালাচ্ছেন। একটা হলো পাওয়ারে ও অন্যটা সামাজিক ও ইসলাম প্রচারের কাজে। )

সাদাত পাটিতে নেতৃত্ব নিয়ে অনেক সমস্যার সৃষ্ঠি হয় । ৮৪ বছর বয়সে ২০১০ সালে এরবাকান সাদাত পাটির দায়িত্ব গ্রহন করেন। এবং দায়িত্বপালনকালীন সময়ে ২০১১ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারী সাবাইকে কাঁদিয়ে মহান প্রভুর কাছে চলে যান । সাদাত পাটি এখনো তাদের এস্পিরট ধরে রেখে এগিয়ে চলেছে শত প্রতিকুলতার মাঝেও তুরস্কে ৪র্থ বৃহত্তম দল হিসাবে।

সোর্স

Next
Next
Posted in তুরুস্ক | Tagged একেপি, নাজমুদ্দীন আরবাকান, সাদাত পার্টি, ্তুরস্ক

About the Author

সংগৃহীত পোস্ট

Related Posts

গুলেন মুভমেন্ট নিয়ে কিছু পর্যালোচনাঃ→

নতুন বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় তুরস্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে সক্ষম→

একে পার্টির গঠন ও তার ইতিহাস→

আমি কেন রাজনীতি করি? প্রফেসর ডঃ নাজমুদ্দিন এরবাকান→

Search

রেজিষ্ট্রেশন

  • Register
  • Log in

নোটিশ বোর্ড

  • নোটিশ-১
    প্রিয় ব্লগার ! কন্ট্রিবিউটর হিসেবে নিয়মিত লিখতে হলে পোস্ট করুন এবং নিক থাকলে নাম পরিবর্তন করে নিন কেননা IMBD ব্লগ 'নিক' নামে লেখা প্রকাশ করেনা।এতে কোন ধরনের ট্যাকনিকাল সাহায্য লাগলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
  • নোটিশ- ২
    ব্লগিং:
    ব্লগে প্রকাশিত লেখার দায়ভার সম্পূর্নভাবে লেখকের।IMBD ব্লগ যেকোন মতের লেখকের লেখা স্বাধীনভাবে প্রকাশের সুযোগ করে দিতে বদ্ধপরিকর।লেখকরের মতামত কোনভাবেই ব্লগ কর্তৃপক্ষের মতামত নয়। মন্তব্যকারীর মন্তব্যও সংস্লিষ্ট ব্যক্তির, তবে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ন ও আক্রমনাত্বক মন্তব্য মুছে দেয়া হবে।

Featured

  • অপরাধ ও অর্থ পাচারে বিদেশীরা, অবৈধ বসবাসকারী ১২ লাখের বেশী

    28/03/2016 / IMBD Blog
  • শরিয়াহঃ ইবনে তাইমিয়া প্রসঙ্গে আলাপ

    01/10/2015 / KHANDAKER RAQUIB
  • কাওমি মাদ্রাসা: ব্যক্তির স্বাধীনতা বনাম রাষ্ট্রের রাজনীতি

    07/01/2014 / Aziz Monir
  • হায়দ্রাবাদ থেকে সিকিম হয়ে বাংলাদেশ:নেহেরু ডকট্রিন ও আজকের বাস্তবতা

    02/01/2014 / IMBD Blog

সর্বশেষ মন্তব্য

  • দিয়া উদ্দিন রাকিব on মধ্যপ্রাচ্যের নতুন মানচিত্রইসলামী আন্দোলনের আত্মত্যাগ: বালাকোট থেকে…
  • pakhie on মধ্যপ্রাচ্যের নতুন মানচিত্রpakhie.com শুধুমাত্র একটি প্ল্যাটফর্ম নয়…
  • pakhie on মধ্যপ্রাচ্যের নতুন মানচিত্রমধ্যপ্রাচ্যের বাংলাদেশি
  • সময় মাহমুদ on ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’: আহমদ ছফা কী চান?সমাজতন্ত্র কে পুজিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থার…
  • cialis 20 mg daily on উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে[…] where to order e…
  • are tadalafil tablets 20mg from india safe on ওহাবিবাদ এবং সৌদি পেট্রো রিয়াল ফিতনা।[…] order tadalafil 20mg online…
  • viagra effects on male on রাজনীতির সাথে মুসলমানদের সম্পর্ক -শায়খ ড. জাসের…[…] how to use sildenafil…
  • men on viagra videos on উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে[…] 100mg sildenafil tablets […]
  • men viagra on Erbakan and Milli Görüş[…] do male pornstars use…
  • sildenafil citrate tablets 100mg canada on কানুনী সুলতান সুলায়মান (প্রথম পর্ব)[…] sildenafil citrate tablets 100mg…
  • indian viagra tablets on আগামীর দিন ইসলামের[…] sildenafil 25mg tablets […]
  • tablet viagra on Islamism: Contested Perspectives on Political Islam[…] does male viagra work…
  • sildenafil 25 mg tablet on আরাফাতের ময়দানে তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ…[…] 100 million viagra tablets…
  • viagra tablet image on বাংলাদেশে ইসলামঃ জামায়াত দেওবন্দ প্রসঙ্গ[…] sildenafil 50 mg tablet…
  • young men taking viagra on উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে[…] viagra 100mg tablet images…
  • men viagra pills on ওহাবিবাদ এবং সৌদি পেট্রো রিয়াল ফিতনা।[…] viagra tablet for womens…
  • cialis canada on রাজনীতির সাথে মুসলমানদের সম্পর্ক -শায়খ ড. জাসের…[…] non prescription cialis […]
  • cialis lilly on উসুল এবং ফিকহ প্রসঙ্গে[…] cialis 5mg daily […]
  • where to buy cialis on Erbakan and Milli Görüş[…] canadian generic cialis […]
  • buying generic cialis online safe on কানুনী সুলতান সুলায়মান (প্রথম পর্ব)[…] cialis online […]

ক্যাটাগরি

  • অর্থনীতি (7)
  • আইন-আদালত-বিচার (13)
    • মানবতাবিরোধী বিচার (9)
    • মানবাধিকার (2)
  • আদর্শ-মতবাদ (58)
    • ইসলাম ও অন্যান্য মতবাদ (13)
    • ইসলাম ও গনতন্ত্র (1)
    • ইসলামী রাষ্ট্র (29)
    • খিলাফাহ (2)
    • ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ (2)
  • আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ (2)
  • আন্তর্জাতিক ইস্যু (12)
  • আলোচিত-সমালোচিত (18)
  • ইসলাম ও শরীয়াহ (40)
    • ইসলামী আইন (1)
    • ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা (14)
    • ফতওয়া (1)
    • মুসলিম ইতিহাস (9)
    • মুসলিম দর্শন (4)
  • উপমহাদেশ (2)
  • ছাত্র রাজনীতি (22)
    • ছাত্র মজলিশ (2)
    • ছাত্র শিবির (18)
  • জাতীয় রাজনীতি (52)
    • আওয়ামীলিগ (4)
    • জামায়াত (36)
    • বিএনপি (3)
  • জামায়াতের ইতিহাস (11)
  • দুর্নীতি ও কর্পোরেট (1)
  • নারী অধিকার (18)
  • প্রতিবেশী ও সীমান্ত (14)
  • বই পরিচিতি (13)
  • বাংলা সাহিত্য (10)
    • কবিতা-কাব্য (3)
    • বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (3)
    • ভাষা ও ভাষা আন্দোলন (1)
  • বাংলাদেশ (12)
    • রাষ্ট্রীয় নীতি পর্যালোচনা (3)
    • রাষ্ট্রীয়-প্রশাসনিক সন্ত্রাস (4)
    • সমাজ ও সামাজিক পরিবর্তন (3)
  • বাংলাদেশে রাজনৈতিক ইসলাম (60)
    • ইসলামী ঐক্যজোট ও কওমী ধারা (2)
    • কর্মপন্থা-কৌশল পর্যালোচনা (24)
    • খেলাফত মজলিশ (1)
    • জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (1)
    • জামায়াত ইসলামী (16)
    • হিজবুত তাহরির (1)
  • বাংলার ইতিহাস (14)
    • বাংলাদেশঃ৭২-৭৫ (3)
    • স্বাধীনতাঃ১৯৭১ (10)
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (3)
  • ব্যক্তি ও চিন্তা (41)
    • তারিক রামাদান ও তার চিন্তা (3)
    • ফাতেউল্লাহ গুলেন ও তার চিন্তা (4)
    • মাওলানা মওদুদী ও তার চিন্তা (4)
    • শায়খ ইউসুফ কারাদাওয়ী ও তার চিন্তা (4)
    • শায়খ রাশীদ ঘানুসি ও তার চিন্তা (4)
    • সাক্ষতকার (5)
  • ব্লগিং (39)
  • মুসলিম বিশ্ব (43)
    • আরব জাগরন (1)
    • তিউনিশিয়া (4)
    • তুরুস্ক (21)
    • পাকিস্তান (5)
    • মালয়শিয়া (2)
    • মিশর (2)
  • শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন (6)
    • ইসলামী গান (2)
  • সংগৃহীত লেখা (1)
  • সংস্কার আন্দোলন (5)
  • সমসাময়িক চিন্তা (24)
  • সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলন (10)
    • হেফাজতে ইসলাম (4)
July 2026
M T W T F S S
« Jul    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

আর্কাইভ

টুইটারে follow করুন

Follow @imbdblog

copyright ©2026 আইএমবিডি ব্লগ | ব্লগে প্রকাশিত লেখার দায়ভার সম্পূর্নভাবে লেখকের। লেখকের মতামত কোনভাবেই ব্লগ কর্তৃপক্ষের মতামত নয়।

Menu