(প্রতিটি স্তরে) ইসলামের কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিং না থাকার সমস্যা
কোনো মানুষ ইসলামের যে স্তরেই অবস্থান করুক না কেনো, সেই স্তরের কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকাটা জরুরি। একজন মুসলমানের এটাও সুস্পষ্ট জানা থাকা দরকার যে, ইসলামের জ্ঞানগত দিক দিয়ে ও আমলের দিক দিয়ে সে কোন স্তরে আছে। এবং অবশ্যই ধাপে ধাপে প্রতিটি স্তর কমপ্লিট করে উপরের স্তরে ওঠা উচিত। এমন যেনো না হয় যে, একজন মুসলমান অনেক নেকী অর্জনের মুস্তাহাব আমল (recommended act) সম্পর্কে জানে, এবং সে অনুযায়ী আমলও করে, অথচ অজ্ঞতাবশতঃ একটি হারাম কাজ (forbidden act) করে যাচ্ছে, কিংবা একটি ফরজ কাজ (mandatory act) ছেড়ে দিচ্ছে। যেহেতু ফরজ ও হারাম হলো মুস্তাহাব ও মাকরূহ কাজের আগের স্তর, অতএব একজন মুসলমানের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত প্রাথমিক স্তর শিক্ষা করা (জ্ঞান অর্জন ও সে অনুযায়ী আমল করা), অর্থাৎ এটা নিশ্চিত করা যে, সে সকল ফরজ কাজগুলি করছে, এবং সে কোনো হারাম কাজ করছে না। এরপর যখন সে নিশ্চিত হলো, তখন সে মুস্তাহাব (recommended act – যা করলে সওয়াব আছে, না করলে গুনাহ নেই, এমন) কাজ করার পিছনে শ্রম দিতে পারে। কিন্তু এমন যেনো না হয় যে, সে মুস্তাহাব কাজের পিছনে শ্রম দিচ্ছে, অথচ ওদিকে ফরজ কাজ করা হচ্ছে না, কিংবা কোনো হারাম কাজ করছে সে। সেক্ষেত্রে তার অবশ্যই উচিত হবে মুস্তাহাব কাজের পিছনে ব্যয়িত শ্রমকে ফরজ পালন ও হারাম বর্জন নিশ্চিত করার পিছনে ব্যয় করা। এমন যেনো না হয় যে, গভীর রাতে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ছে, ওদিকে দিনের বেলায় মিথ্যা কথা বলছে। কিংবা মানুষকে কুরআন শিক্ষার গুরুত্ব বুঝাচ্ছে, ওদিকে রাস্তায় বের হলে ভিক্ষুককে ভিক্ষা না দিয়ে উল্টা গালমন্দ করছে।
এজন্যে কোনো ব্যক্তি ইসলামের যে স্তরেই থাকুক না কেনো, প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে সেই স্তর পর্যন্ত সকল স্তরের কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিং তার থাকা দরকার। এরকম কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিং না থাকা মুসলমানেরা দুনিয়ার বুকে জেনে–না জেনে বহু সমস্যা তৈরী করে যাচ্ছে।কেউ বা সর্বদা সহিংস–সশস্ত্র, কেউ বা আবার সদা অহিংসা পরম ধর্ম নীতিতে চলছে, কেউবা আবার খোদাপ্রেমের নামে ত্যাগ করেছে দুনিয়াবী কর্মকাণ্ড, কেউ আবার দুনিয়াবী বিষয়ে মত্ত হয়ে পড়ে তার পক্ষে রেফারেন্স বের করে আত্মপ্রবঞ্চনা করছে। অথচ প্রত্যেকের ধর্মচিন্তাই যদি প্রাথমিক স্তর তথা ধর্মতত্ত্বের মৌলিক বিষয় থেকে শুরু করে কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিংসহ ধাপে ধাপে উপরের দিকে অগ্রসর হতো, তাহলে কোনোই বিবাদ–বিরোধ থাকতো না। দুঃখজনক হলেও সত্য, ইসলাম নিয়ে যারা অন্ততঃ চিন্তা করে, তাদের মাঝেও এই আগ্রহ দেখা যায় না যে, প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিংসহ ধাপে ধাপে অগ্রসর হবে! এমনকি সে জানেও না যে, সে কোন স্তরে রয়েছে! যদি কোনো স্তরের কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিং তার থাকতো, তখনই সে বুঝতে পারতো যে, হ্যাঁ, আমি এই স্তরে আছি। কিন্তু তার তো কোনো স্তরেরই কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিং নেই। এমতাবস্থায় অথৈ সমুদ্রে লক্ষ্য–উদ্দেশ্যহীন দিকহারা নাবিকের মত অনুভুতি হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।
ইসলামের প্রাথমিক মৌলিক বিষয় থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরে পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করা – এই কাজটি তাদের পক্ষে করা খুবই কঠিন হয়ে যায়, যারা বিভিন্ন উচ্চস্তরের কিছু কিছু জ্ঞান অর্জন করেছে, অথচ কোনো স্তরেরই পূর্ণ জ্ঞান নেই। একজন যখন ইসলামী অর্থনীতি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে এবং সে বিষয়ে সেমিনার–সিম্পোজিয়ামে বক্তব্য রাখছে, তখন যদি সে না জানে যে আল্লাহ কী, কুরআনই বা কী, নবী কী, ইত্যাদি, এবং তাকে যদি আগে সেই জ্ঞান অর্জনের কথা বলা হয়, তখন সে অপমানিত–ই বোধ করবে। অথচ স্রষ্টাভাবনা, সৃষ্টিতত্ত্ব, ঐশী কিতাব ও নবীর অপরিহার্য গুণাবলী ইত্যাদি তো ইসলামের নিতান্তই প্রাথমিক স্তরের বিষয়। তাওহীদ–আখিরাত–রিসালাত ইসলামের প্রাথমিক স্তরের বিষয়। যে ব্যক্তি ইসলামী অর্থনীতি কিংবা ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নিয়ে ব্যস্ত, তার যেনো এমন না হয় যে, তাওহীদ–আখিরাত–রিসালাতের কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিং নেই। ঈমানে মুফাসসাল শেখা মানেই তাওহীদ–আখিরাত–রিসালাত ইত্যাদির জ্ঞান নয়, বরং সেটা শিরোনাম। কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিং ভিন্ন জিনিস। স্কুলের যে বাচ্চা ইংরেজিতে ফেইল করা সত্ত্বেও প্রতিবার উপরের ক্লাসে উঠেছে, এবং এভাবে সব ক্লাস পার করেছে, সে উপরের লেভেলের অনেক শব্দ জানে বটে, কিন্তু একটা সাধারণ বাক্যও তৈরী করতে পারে না। সে অনেক কঠিন কঠিন verb, adjective, adverb জানে, কিন্তু কোনটা কোথায় বসবে, তা সে জানে না, word order জানে না, আর তাই অর্থপূর্ণ বাক্যও আর তৈরী করতে পারে না। এ ধরণের অসম্পূর্ণ জ্ঞান ক্ষতিই বয়ে আনে।
জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি নির্ধারণ না করে ধর্মীয় পড়াশুনার সমস্যা
জ্ঞান, জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি, জ্ঞানের উৎস, জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা, জ্ঞানের প্রয়োগক্ষেত্র ইত্যাদি হলো জ্ঞানতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। কোনো বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের আগে, হোক সেটা ধর্মীয় বা অন্য যেকোনো জ্ঞান, জ্ঞানতত্ত্ব নিয়ে চিন্তা করা উচিত। আমি যখন “ইসলামী জ্ঞান” অর্জন করবো, তার আগে জানতে হবে, “জ্ঞান” অর্জনের উপায় কী কী। সেটা জানার পর “ইসলামী জ্ঞান” অর্জনের পদ্ধতি কী, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এরপর যখন আমি জ্ঞান অর্জনের সঠিক পন্থা নির্ধারণ করে ফেললাম, তখন সে পদ্ধতি ব্যবহার করে আমি পরিশ্রম অনুযায়ী ফল পাবো। নয়তো দেখা যাবে যে, অনেক পরিশ্রম করার পরও আসলে কোনোই জ্ঞান অর্জন হয় নাই, কিংবা খুব সীমিত জ্ঞান অর্জন হয়েছে। ইসলামী জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে জ্ঞানতত্ত্বকে এড়িয়ে যাবার ভয়াবহতা একটু পরেই আলোচনা করছি। তার আগে একটা উদাহরণ দেয়া যেতে পারে।
ইউনিভার্সিটিতে অনেক ছেলে–মেয়েকে দেখেছি, তারা পড়াশুনার পিছনে প্রচুর শ্রম দিয়ে থাকে। কিন্তু অনার্স লেভেলে পড়াশুনার মাধ্যম হলো ইংরেজি, অথচ ইংরেজিতে বেশিরভাগের অবস্থাই শোচনীয়। এমনও ছাত্র আছে যে, ১২ ক্লাস ইংরেজি পড়ে ও পাশ করে এসে ইউনিভার্সিটিতে প্রবেশ করেছে, অথচ এক পৃষ্ঠা ইংরেজি লিখতে দিলে একটিও সঠিক বাক্য লিখতে পারে না। ইউনিভার্সিটি অনেক উপরের স্তর। এর আগের স্তরগুলোতেই তার ইংরেজি শিক্ষা করা দরকার ছিলো। জ্ঞান সম্পূর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও সে স্তরগুলো পার করে এসেছে, এবং এখন এসে মহা সমস্যায় পড়েছে। এখন তার সমস্ত বই, পরীক্ষার খাতা,অ্যাপ্লিকেশান – সবই ইংরেজিতে করতে হচ্ছে, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে কথাও ইংরেজিতে বলতে হচ্ছে। এদিকে সাফল্যের সাথে SSC-HSC পাশ করে আসা ছাত্র এটাও মেনে নিতে পারছে না যে, ইংরেজিতে সে আসলে ক্লাস ফাইভ লেভেলের যোগ্যতাও রাখে না।
ইসলামী জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে সচেতনভাবে জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি নির্ধারণ না করে ধর্মীয় জ্ঞানের মহাসমুদ্রে ডুব দিলে দুর্ভাগ্যজনক পরিণতি বরণ করতে হবে। ইসলামী জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি নির্ধারণ না করে জ্ঞান অর্জনের সমস্যা কেমন হতে পারে? যেমন, নিচের আর্গুমেন্ট :
“আল্লাহ পরম জ্ঞানী; তাহলে আমি জান্নাতে যাবো না দোযখে যাবো, তা–ও কি আল্লাহ জানেন? আর আল্লাহ যদি আগে থেকেই তা জানেন, তাহলে তো সেটা আমার কপালেই লেখা আছে, আমি শত চেষ্টা করেও ভালো মানুষ হতে পারবো না, জান্নাতে যেতে পারবো না।“
কুরআনে আল্লাহকে পরম জ্ঞানী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু কুরআনের তাৎপর্য গ্রহণের সঠিক পদ্ধতি, অর্থাৎ, কুরআনের জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি নির্ধারণ না করে কেউ যদি একটিমাত্র বাক্য পড়ে, যেখানে আল্লাহকে পরম জ্ঞানী বলা হয়েছে, তারপর মনে মনে উপরের আর্গুমেন্ট করে, তাহলে সে নিশ্চিত ভুলের মধ্যে পড়লো। এবং এই ভুল একজন দুইজন না, অসংখ্য মানুষ করেছে, করে আসছে, এবং কোটি কোটি মুসলমানকে শিক্ষা দিয়ে আসছে যে, “ভাগ্যের লিখন, না যায় খণ্ডন”, “ভাগ্যেই সবকিছু লেখা থাকে”, ইত্যাদি। অথচ এগুলো সুস্পষ্টরূপে ভ্রান্ত ধারণা। এই ভ্রান্ত ধারণা থেকে হতাশাবাদেরও সূত্রপাত হয়।
একইভাবে, কুরআনের তাৎপর্য গ্রহণের সঠিক পদ্ধতি নির্ধারণ না করে কুরআনের এই কথাটা যদি কেউ পড়ে : “মানুষ তা–ই পায়, যা সে করে“; এবং তারপর ধারণা করে যে, “আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার প্রয়োজন নেই, বরং মানুষ কর্ম করলেই ফল পাবে”, তখন সে নিশ্চিতভাবেই ভুলের মধ্যে পড়লো। এরকম ভ্রান্ত ধারণা মুসলমানদের মধ্যে প্রবেশ করার পর একটি গ্রুপ সম্পূর্ণ ছেড়ে না দিলেও প্রার্থনা, দোয়া–দরুদ ইত্যাদির গুরুত্বকে খাটো করে দেখছে ও দেখানোর চেষ্টা করছে।
জিহাদ (প্রচেষ্টা), কিতাল (হত্যা), রাষ্ট্র, শুরা (পরামর্শ), হালাল, হারাম, আল্লাহর রজ্জু, উলিল–আমর ইত্যাদি অসংখ্য বিষয়ে বহু পরস্পরবিরোধী মতের উদ্ভব ঘটেছে সঠিক পদ্ধতিতে কুরআনের তাৎপর্য গ্রহণ না করার ফলে। অথচ কুরআনের জ্ঞান গ্রহণের আগে ঐশী কিতাবের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য, এবং তারও পূর্বে স্রষ্টার অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য, নবী চেনার উপায়, আখিরাত ইত্যাদি প্রসঙ্গে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। নয়তো কেউ ঐশী কিতাবকে পরিবর্তনযোগ্য মনে করে যতই কুরআন পড়ুক, নিশ্চিন্ত হয়ে আস্থা রাখতে পারবে না কখনোই। কেউ যদি আল্লাহর শরীর আছে বলে ধারণা করে, তাহলে “আল্লাহর রজ্জু”কে সে বস্তুগত জিনিস বলে মনে করতেই পারে।
কেউ যদি প্রতিদিন মানুষের লেখা ধর্মীয় বই পড়ে, এভাবে সারা জীবনে অসংখ্য মানব–রচিত ধর্মীয় বই পড়ে, অথচ আল্লাহর কিতাব, কুরআন না পড়ে, তবে তার সারাজীবনের শ্রম প্রায় পুরোটাই বৃথা। অথচ ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি নিয়ে চিন্তা করলে সে প্রথমেই ঐশী কিতাবের সন্ধান করতো, এবং কুরআন পাঠে মনোযোগী হতো। হাদীস যাচাই–বাছাইয়ের পদ্ধতি না জেনে “সহীহ হাদীস” বলে প্রচারিত যেকোনো কথাকেই যদি কেউ বিশ্বাস করে, তবে সে নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে, অপরকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। সে যদি নবীর পাপমুক্ততার ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়, তাহলে মিথ্যা হাদিস সে সহজেই গ্রহণ করবে, ইত্যাদি।
যদিও জ্ঞানতত্ত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ এখানে নেই, তবুও আশা করি এতটুকু বুঝানো গিয়েছে যে, ধর্মীয় জ্ঞানচর্চার জন্য জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি,অর্থাৎ জ্ঞানতত্ত্ব নিয়ে আলাদাভাবে পড়াশুনা ও গবেষণা করা অপরিহার্য।
(চলবে)
পরবর্তী পর্বগুলোয় আলোচিত বিষয়সমূহ:
- ধর্মীয় রিসার্চ সেন্টারের গুরুত্ব
- দ্বীনি নেতৃত্বের ন্যুনতম যোগ্যতা
- কুরআনের সংকীর্ণ ব্যাখ্যা, ইসলামের সংকীর্ণ / পার্শিয়াল রেপ্রিজেন্টেশান
- বিদ্বেষ/ বিরোধিতাপ্রসূত জ্ঞান অর্জনের সমস্যা : anti-ism
- ধর্মপ্রচারে দল পদ্ধতির সমস্যা : introduction of new concept
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ইসলামী দল
- সেক্যুলার গণতান্ত্রিক পন্থায় ইসলাম কায়েম প্রসঙ্গে
- প্রতিবাদ করার কি কেউ নেই?
- পরিশিষ্ট – ১ : ধর্মতত্ত্বের কিছু মৌলিক আলোচ্য বিষয়
- পরিশিষ্ট – ২ : Levels of guidance
ভালো লেখা (y)
ধন্যবাদ!
“ভাগ্যেই সবকিছু লেখা থাকে” এইটাকে কিভাবে ভুল বললেন?
“পৃথিবীতে এবং তোমাদের নিজেদের ওপর যেসব মুসিবত আসে তার একটিও এমন নয় যে, তাকে আমি সৃষ্টি করার পূর্বে একটি গ্রন্থে লিখে রাখিনি৷ এমনটি করা আল্লাহর জন্য খুবই সহজ কাজ৷ ” (সুরা হাদীদঃআয়াত ২২)
কুরআনের আয়াতের তাৎপর্য গ্রহণ প্রসঙ্গে আলোচনায় যাবার আগে কুরআনের সংজ্ঞা, গুণবৈশিষ্ট্য, ইত্যাদি প্রসঙ্গে একমত হওয়া এক্ষেত্রে আবশ্যক।
বেশ তো!! এই আয়াতের তাৎপর্য আপনিই ব্যখ্যা করুন। আর কুরআনের সংজ্ঞা, গুণবৈশিষ্ট্য ইত্যাদি বুঝিয়ে বলুন।
এখানে সেটা আলোচনার স্কোপ নেই। এ প্রসঙ্গে আমি যে ধারণা পোষণ করি তা এখানে আছে : http://nure-alam.blogspot.com/2014/02/blog-post_12.html