… … [বক্তব্যেরে মাঝ হতে শুরু। আর্মি এবং পিলখানা হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে সজিব ওয়াজিদ জয়ের দেয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে করা মহিউদ্দীন আহমদের বক্তব্যের এক পর্যায়…] কারণ উনি এমন কিছু ডিবেটেবল বিষয়গুলা উত্থাপন করেছেন, এর মধ্যে যেটা আমার কাছে খুব খারাপ লেগেছে- তিনি বলেছেন, মাদ্রাসার ছাত্ররা আরমিতে ঢুকে পড়েছে। এটা নিয়ে পৃথিবীতে বহুত কথাবার্তা হচ্ছে, এবং এটার কারণেই এই সব ঘটতেছে। এ বিষয়টি আমার কাছে ডিস্ক্রিমিনেট্রি মনে হয়েছে। কারণ আমার দেশের সরকার, রাস্ট্রব্যবস্থা যদি যেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দেয়, সেখান থেকে মানুষ কেন সব জায়গায় যেতে পারবেনা? আর টেকনিক্যালি উনি বলে গেছেন, বড়াইমারীতে ইন্ডিয়ান বিএসএফরা প্রাণ হারিয়েছে, কারণ তখন Fazlu, General Fazlu was from Madrasha.
এই যে বিষয়গুলো- এ বিষয়গুলো উনার সামনে একটু খোলাসা করার উচিত ছিল। আর উনি বলেছেন-চেইন অব কমান্ডের কারণে অনেক কিছু করতে পারে নাই। What is the chain of command? আপনি এ্যাটাক হচ্ছেন। আপনার পাশের ঘরে এ্যাটাক হচ্ছে, the same company তে আপনারা আছেন, অথবা same battalion এ আছেন, যাই হোক, এখন প্রাইম মিনিস্টার সাহেব, আপনি বলেন, আপনি কখন chain of command এর অর্ডার দিবেন। তারপর ওটা যাবে সেনাবাহিনীর কাছে। তারপর আমি এ্যাটাক করবো। Is it an system in Army? No, ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন উনি। মিসগাইডেড করেছেন, উনি এই হোল অডিয়েন্স কে।এখান থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।
আর মূল কথা হল, আজকে এই সমস্যাগুলা, এই প্রাণগুলা কেন গেলো? এটা কি শুধু হাসিনার কন্সপিরেসী? এটা কি শুধু হাসিনার সাথে আর যারা সহযোগীতায় আছে তাদের কন্সপিরেসী? না, এটা আরো অনেক পেছনে যেতে হবে। It is the result of Neheru Doctrine. Neheru Doctrine-এ they will dominate. politically আমাদের সব পার্টিগুলোকে খেয়ে ফেলেছে। politically, they will dominate now. Economically, আমাদের ইকোনমি আমাদের হাতে নেই। militarily, this is the result. Now, আরমির কোন ভিজিবল এনিমি নেই, ইনভিজিবল এনিমি নেই, ডক্ট্রিন চেঞ্জ হয়ে গেছে। and the spiritually, spirituality নেই। সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি, a new generation of গণজাগরণ মঞ্চ। they don’t believe on anything else. তো fully Bangladesh occupied by India and Under the Nehru Doctrine.
এখন আমরা এখানে, আমাকে ক্ষমতায় আনেন, আমি হেনো করবো। আমাকে ক্ষমতায় আনেন, আমি হেনো করবো। সিচুয়েশন কি সেখানে আছে! আমার দেশের এ্যাডমিনিস্ট্রেশন, মিলিটারি, জুডিশিয়ারী এন্ড দ্যা নিউ জেনারেশন-সব কিছু তারা অকুপাই করে ফেলেছে, সব কিছু ডেস্ট্রয়েড। এখান থেকে আমাদের কি করতে হবে? এই আমরা কয় দিন পর পর- আমরা এখানে, একটা কিছু করতে হবে। আবার আমরা ফেসবুকে বক্তৃতা দেয়। আমি একটা নিউজ সার্ভিস চালায়, কি হয়? আল্টিমেটলি ফিজিক্যালি যখন আমরা কিছু করতে যায়, কাউকে পায় না।
ফিজিক্যালি আজকে আপনি স্টার্ট করেন, যে, We will start a nucleus and whatever we need, we will do from here. You will not get anybody else. কাজ সবারি পাবেন, এবং আমারে শুদ্ধা, আমি ভাই নিজের দোষটা কই, (সবাই বলবে) যে ভাই, আমার একটা ফ্যামিলি প্রোগ্রাম আছে। আমার ভাই একটু প্রব্লেম আছে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে, আমার কাজ নিয়ে।
So, who will sacrifice for the country? Nobody. If you want to sacrifice yourself, detach from everything. Do only for nation. এইটা না হলে হবেনা।
আমরা যতই যা বলি, আমরা একদম! মোরালি আমরা এত একটা নিকৃষ্ট অবস্থায় আছি যে, কিছু তরুণের কোন উপায় নেই, এই অবস্থার জন্য… ওই…কোরান হাদীশে যে আছে, যে জাতি যেমন তার শাসকও তেমন।
তো আমরা, আমাদের এই শাসন ব্যবস্থার মধ্যে থাকতে হবে। হাসিনা এমন অবস্থা করে নিয়ে আসছে, ইন্ডিয়ান… আজকে আমাদের আরমি হেড কোয়ার্টারে ইন্ডিয়ান আরমি থাকে, আমাদের অস্ত্রাগারে ইন্ডিয়ান আরমি থাকে। ডিজিএফআই অফিসে তের জন ইন্ডিয়ান আরমি অফিসের কাজ করে। আমাদের টোটাল টেলি কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক তাদের হাতে। আপনি কোথা থেকে যুদ্ধ করবেন? আপনি ফাইট টা করবেন কোথা থেকে? মোহিদুর রহমান সাহেব বলে গেছেন, জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় আসলে… ঠিক আছে, আমি উনাকে কালকেই যদি ক্ষমতাই দেয়, কি কি করতে পারবেন? একটা বিচারপতিকে সরাতে পারবে নাকি? আজকে পুরো হাইকোর্ট-সুপ্রিমকোর্ট তাদের হাতে। উলটা রুলিং দিয়ে উনার গভর্নমেন্টকেই বাতিল করে ঘরে পাঠিয়ে দেবে। এবং সেই হাইকোর্ট- সুপ্রিমকোর্টের রুলিং অনুযায়ী আরমি গিয়ে উনাদের ঘেরাও করবে।
কিচ্ছু করার নাই, thirty thousand police already তারা নিজেদের দলের লোকদের ঢুকিয়ে দিয়েছে, fifty thousand another তারা আবার employ করতেছে। Eighty thousand Rifle will work for them. আপনি এত সহজ ভাইবেন না। You don’t have any policy. এখন পর্যন্ত একটা পরিকল্পনা পাই নাই কোন নেতৃত্বের কাছ থেকে আমরা। কোথায় যাব? কি করবো?
এখন কথা হলো- নেতৃত্ব পলিসি বুঝে কিনা? আমরা কি আসলে বাধ্য হয়ে গেছি? কাউকে না কাউকে ধইরা চেয়ারে বসাইয়া দিতে হবে। জাতির আর কোন উপায় নেই। এই যদি উপায় হয়, তাহলে আমি মাফ চাই আপনাদের কাছে, দোয়াও চাই। খোদা হাফেজ।
……………………………….
[নোটঃ ইউটিউবে প্রাপ্ত মহিউদ্দীন আহমদের চার মিনিট পঞ্চাশ সেকেন্ডের একটি ভাষণ থেকে এটি ট্রান্সক্রিপ্ট করা হয়েছে । এটি ছিল ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ তারিখে “২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাকান্ড উপলক্ষ্যে” লন্ডনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে মহিউদ্দীন আহমেদের বক্তব্যের একাংশ]




