লিখেছেনঃ পারভেজ আলম

ইসলামি রাষ্ট্র (Islamic State) জিনিসটা কি? এই ধারণার উৎপত্তি কোথা থেকে হয়েছে? কোরান-হাদিসে ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ বলে কিছু পাওয়া যায় না। ঐতিহাসিকভাবে মুসলিম দুনিয়ায় যেসব সালতানাত ও খেলাফতের অস্তিত্ব ছিল সেগুলোকে রাজ্য অথবা সাম্রাজ্য বলা যায়, রাষ্ট্র নয়। রাষ্ট্র (state) একটি আধুনিক ধারণা। সতের শতক থেকে আধুনিক ইউরোপের রাজ্যগুলো বড় ধরণের কিছু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যে নতুন ধরণের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ‘রাষ্ট্র’ শব্দটি ব্যবহারের প্রচলন হয়েছে। সমাজ বিজ্ঞানের পরিভাষা হিসাবে ইউরোপের নতুন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাষ্ট্র শব্দটির ব্যবহার শুরু হয়েছে নেহায়েত উনিশ শতক থেকে। সাত শতকে মুহাম্মদ (সঃ) ও তার সাহাবিরা মদিনায় যে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের জন্ম দিয়েছিলেন তাকে আর যাই হউক রাষ্ট্র বলা যায় না।
তালাল আসাদ যথার্থই বলেছেন – রাষ্ট্রের মতো একটি আধুনিক ধারণা সাত শতকের আরব সমাজের উপর চাপিয়ে দেয়াটা বিভ্রান্তিকর । কিন্তু আইসিসের ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠার অনেক আগে থেকেই মিডিয়া, রাজনীতি এবং পশ্চিমের অনেক বিখ্যাত ওরিয়েন্টালিস্টদের লেখায় ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ ধারণাটির যথেচ্ছ ব্যবহার দেখা যায়। ইদানিং ইসলাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে তাতে ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ কথাটি প্রাত্যহিক ও যথেচ্ছ ব্যবহারের একটি বিষয়ে পরিণত হয়েছে। অথচ ইরফান আহমাদ নামক একজন নৃতাত্ত্বিক ২০০৯ সালে ‘ইসলামি রাষ্ট্রের সিলসিলাঃ মওদুদীর রাজনৈতিক চিন্তা ও ইসলামবাদের প্রতিচ্ছবি’ (Genealogy of the Islamic state: reflections on Maududi’s political thought and Islamism) নামে একটি লেখায় দেখিয়ে দিয়েছেন যে, ইসলামি রাষ্ট্র ধারণাটি নেহায়েতই একটি আধুনিক ধারণা, আর এর সিলসিলা খুঁজে পাওয়া যাবে জামায়াতে ইসলামির প্রতিষ্ঠাতা ‘আবুল আলা মওদুদী’র রাজনৈতিক চিন্তায়। সাত শতকের কোন রাজনৈতিক চিন্তা অথবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়।
ইসলাম ও রাষ্ট্র বিষয়ে আধুনিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল গত শতকের শুরুর দিকে ইরানের সাংবিধানিক বিপ্লব (১৯০৫-১১ খ্রিঃ) এবং তুরস্কের কামাল আতাতুর্কের বিপ্লব (১৯১৯-২৪ খ্রিঃ) কেন্দ্র করে। খেলাফতের শূন্যস্থান পুরণ করতে গিয়ে রাজনৈতিক ইসলামিস্টরা ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ ধারণাটির আবিস্কার করেছেন। খেলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে ও বিপক্ষে এসময় যেসব বিতর্ক সংগঠিত হয়েছে তাতে প্রায় সব পক্ষই শেষ পর্যন্ত মুস্তফা কামালের সাথে অন্তত খেলাফত ফিরিয়ে আনার বাস্তব অসম্ভাব্যতা সম্বন্ধে একমত হয়েছেন। রশিদ রিদ্দা এবং আবুল আলা মওদুদীর রাজনৈতিক চিন্তা থেকে এসময় ইসলামি মডেলের সরকারের ধারণার আবির্ভাব ঘটেছে (2)। এইসব মডেল থেকেই ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ ধারণাটির জন্ম হয়েছে।
আধুনিক রাষ্ট্রের ক্ষমতা অনেক। মানুষের জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে এই রাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করে, তার পোষাক, শিক্ষা, নৈতিকতা, প্রাত্যহিক আচরণ, বিবাহের বয়স, যৌনতা প্রতিটি ক্ষেত্রেই। সাত শতকের আরব ভুখন্ডে ইসলাম কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছিল, অথবা তারপরে উমাইয়া, আব্বাসি, ফাতেমি, ওসমানি, সাফাভি, মুঘোল ইত্যাদি যেসব রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান মুসলিম দুনিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল শাসন করেছে তাদের কারোই এই পরিমান ক্ষমতা ছিল না। প্রাচীন ও মধ্যযুগিয় সরকার আনুগত্য ও কর নিয়েই খুশি থাকতো, মানুষের প্রাত্যহিক জীবন, ধর্ম ও আচার আচরণের উপর ততক্ষন পর্যন্ত কোন হস্তক্ষেপ করতো না, যতক্ষন কোন ধর্ম অথবা আচার শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে ব্যবহৃত না হয়েছে। ভারতবর্ষে মুঘোল শাসন ব্যবস্থা এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
মুঘোল শাসন ব্যবস্থা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে হস্তক্ষেপ করতো না, সেই ক্ষমতাই তার ছিল না। কিন্তু ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থার ক্ষমতা ও হস্তক্ষেপের প্রবনতা ছিল তার চাইতে বহুগুনে বেশি। মূলত এই পরিস্থিতিতেই মওদুদীর রাজনৈতিক চিন্তা গড়ে উঠেছে। ব্রিটিশ ভারতের ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রের ছাতার নিচে বিকশমান কংগ্রেসের সর্বভারতিয় সেকুলার রাষ্ট্র, মুসলিম লীগের মুসলিম রাষ্ট্র, কমিউনিস্টদের কমিউনিস্ট রাষ্ট্র দাবির ডামাডোলের মধ্যে মওদুদী তার ইসলামি রাষ্ট্রের (hukumat-e-ilahiya, ‘Allah’s Government’ or ‘Islamic State) ধারণা হাজির করেছেন।
ইরফান আহমেদ দেখিয়েছেন যে, ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতবর্ষে যখন প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো, যখন মওদুদী কংগ্রেসের রাষ্ট্র প্রকল্প মুসলমানদের শিক্ষা, আচার ও প্রাত্যহিক জীবনে হস্তক্ষেপ করছে বলে আশংকা করা শুরু করেছিলেন, তখনি তিনি ‘ইসলামি রাষ্ট্রে’র ধর্মতত্ত্ব হাজির করেছিলেন (3)। রাষ্ট্রই ছিল সেই সময়কার প্রধান রাজনৈতিক ধারণা। মওদুদী ইসলামি রাষ্ট্র বলতে যে মডেলের কল্পনা করেছিলেন তা অনেকাংশেই পাশ্চাত্যে তার সময়কার অন্যতম প্রভাবশালি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রের মতো, মওদুদী তার নিজের লেখাতেই এই দাবি করেছেন। কিন্তু সাত শতকে তো ফ্যাসিবাদের মডেলে কোন ইসলামী রাষ্ট্ররের অস্তিত্ব ছিল না। ইসলামের মধ্যে তাহলে ইসলামি রাষ্ট্রের ধারণার বৈধতা তিনি কোথা থেকে পেয়েছেন? মওদুদী এর সমাধান করেছেন কোরানের বিভিন্ন শব্দের নতুন ব্যাখ্যা, বিশেষ করে ‘দ্বীন’ শব্দের নতুন অর্থ আবিস্কার করে।
মওদুদীর রাজনৈতিক চিন্তায় দ্বীন এবং রাষ্ট্র এক জিনিস হয়ে গেছে, দ্বীন ইসলাম পরিণত হয়েছে এক ধরণের রাষ্ট্র ব্যবস্থায়। মওদুদীর চিন্তায় ইসলাম তাই শুধু ধর্ম নয়, রাজনীতিও বটে, এবং এই ইসলামি রাজনীতি দেখতে অনেকটা আধুনিক দুনিয়ার ফ্যাসিবাদের মতো। নবী ইউসুফের শাসনকে মওদুদী তুলনা করেছিলেন মুসোলিনির ডিক্টেটরশিপের সাথে। অবশ্য মওদুদীর দাবি ছিল তিনি কোরান থেকে ইসলামের যে ব্যাখ্যা হাজির করেছেন তাই সহি ইসলাম (Asali Islam), এই ব্যাখ্যা মুসলমানরা ভুলে গিয়েছিল এবং মওদুদী তা আবার ফিরিয়ে এনেছেন। মওদুদীর কোরান ও ইসলাম ব্যাখ্যা তার সমসাময়িক মুসলিম পন্ডিতদের চ্যালেঞ্জের মুখে পরেছিল। দেওবন্দের ধর্মতাত্ত্বিক মনজুর নোমানি মওদুদির বিরুদ্ধে কোরানের ‘রাজনৈতিক ব্যাখ্যা’র অভিযোগ এনেছিলেন। তিনি মওদুদীর কাছে প্রশ্ন তুলেছিলেন যে তার আগের কোন মুসলিম পন্ডিতই কি কোরানের সঠিক অর্থ ধরতে পারে নাই? মওদুদীর জবাব ছিল – শুধু ইবনে তাইমিয়া কিছুটা সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছিলেন, কিন্তু তিনিও পুরোপুরি সক্ষম হন নাই (4)।
মওদুদীর এই চিন্তা পরবর্তিতে তার শিষ্য মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতা সাইয়েদ কুতুবকেও প্রভাবিত করেছে। মিশরে স্বৈরাচার সেকুলার সরকার ও রাজনৈতিক ইসলামিস্ট মুসলিম ব্রাদারহুডের দ্বন্দে সাইয়েদ কুতুব নিহত হয়েছিলেন (তাকে ফাঁসি দেয়া হয়-সম্পাদক)। নির্যাতনের শিকার হয়ে তার বহু শিষ্য এই সময় সৌদি আরবে পাড়ি জমায়। রাজনৈতিক ইসলামের সালাফিভবন এবং সালফিবাদের রাজনীতিকরণের শুরু তখন থেকেই। আল-কায়েদার বর্তমান নেতা আইমান আল জাওয়াহিরি কম বয়সে ছিলেন কুতুবের অনুসারি, নিজের বিভিন্ন লেখায় তিনি সরাসরি মওদুদীর অনুসরণও করেন। মুসলিম দুনিয়ায় একদিকে যেমন গণতন্ত্র ও আধুনিকতার প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলো আধুনিক সেকুলার রাষ্ট্র গঠনের ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে তেমনি রাজনৈতিক ইসলামিস্টরাও ইসলামি রাষ্ট্রের ধারণাকে বাস্তবে পরিণত করতে ব্যর্থ হয়েছে।
প্রতিষ্ঠিত রাজতন্ত্র ও পুরোহিতন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ করে আধুনিক ইসলামি রাজনীতির বিকাশ ঘটলেও ইসলামি রাজনীতি বলতে পুঁজিবাদী দুনিয়ায় প্রচলিত অন্যসব রাজনীতির চাইতে বিশেষভাবে আলাদা কিছু তা হাজির করতে পারে নাই। আল্লাহর সার্বভৌমত্বের নামে তারা কতিপয় ব্যক্তির স্বৈরতন্ত্র অথবা উলামা নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র কায়েম করেছে। আইসিসের ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ তাই রাজনৈতিক ইসলামের অন্তর্গত সীমবদ্ধতা, প্যারাডক্স এবং ইসলামিস্টদের রাজনৈতিক ব্যর্থতার বহিপ্রকাশও বটে।
ইসলামের ক্ষেত্রে ধর্ম ও রাজনীতির (sacerdotium and regnum) ‘ফিউশন ফ্রেমওয়ার্ক’ শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বার্নার্ড লুইস, গেলনার, ল্যাম্বটন, হান্টিংটন প্রমুখ পাশ্চাত্যের পন্ডিতরাও ভুমিকা রেখেছেন। কিন্তু ইসলাম ও রাজনীতি বিষয়ে ফিউশন ফ্রেমওয়ার্ক বিরোধি মতামতের অভাব নাই। ভারতবর্ষের পন্ডিত সৈয়দ আহমদ খান উনিশ শতকে প্রচার করেন যে মুসলমানরা যে রাষ্ট্রের অংশই হউক না কেনো, ইসলাম তার কাছে সেই রাষ্ট্রের প্রতিই আনুগত্য দাবি করে। শিবলি নোমানিও একি মতের প্রচার করেছেন। ব্রিটিশ উপনিবেশের অধিনে মুসলমানরা যখন ভারত ত্যাগ করে অন্য সব মুসলিম দেশে হিজরত করা শুরু করেছিল তখন ব্রিটিশদের অনুরোধে মক্কার মুফতিরা ফতোয়া দিয়েছিলেন যে, ব্রিটিশ ভারত মুসলমানদের জন্যে দারুল হারব নয়, কারন মুসলমানদের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ব্রিটিশদের অধিনেও অক্ষুন্ন আছে। ফরাসিরাও আলজেরিয়ায় একিধরণের ফতোয়া দেয়ার ব্যবস্থা করেছিল।
বর্তমান সময়কার মুসলিম পন্ডিতদের মধ্যে ভারতের মাওলানা ওয়াহিদুদ্দিন খান এবং মিশরের আল আশমাওয়ি ফিউশন ফ্রেমওয়ার্কের বিরোধিতা করে আসছেন। আশমাওয়ির মতে ইসলাম যদি কোন বিশেষ রাষ্ট্র ব্যবস্থার সমর্থন করতো তবে তার আউটলাইন কোরানেই দেয়া থাকতো, কিন্তু তেমন কিছু কোরানে নাই (5)। মজার ব্যাপার হচ্ছে যে, এইসমস্ত মুসলিম পন্ডিতদের বদলে লুইস, গেলনার, হান্টিংটন প্রমুখরা ইসলাম ও রাষ্ট্র বিষয়ক আলোচনায় মওদুদী ও সাইয়েদ কুতুবের সাথেই একমত পোষন করেন। মওদুদী ও সাইয়েদ কুতুবের মতোই তারা দাবি করেন যে, ইসলামে আদি থেকেই রাষ্ট্র ও ধর্ম অবিচ্ছিন্ন বিষয় এবং ইসলামি রাষ্ট্র ধারণাটি ইসলামে আদিকাল থেকেই আছে।
এই ফিউশন ফ্রেমওয়ার্ক অনৈতিহাসিক। ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ বলতে যেমন আধুনিক যুগের পূর্বে কোন ধারণার অস্তিত্ব ছিল না, তেমনি ধর্ম ও রাজনীতির মধ্যে বিচ্ছেদ ইসলামের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে বিভিন্ন ভাবে ঘটেছে। ইসলামের উপর খলিফার সর্বময় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে আব্বাসিয় আমলে উলামারা এই বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন, এই সময় থেকে খলিফারা রাজনৈতিক এবং উলামারা ধর্মীয় নেতৃত্ব হিসাবে আবির্ভুত হয়েছিল। আবার আব্বাসিয় খেলাফতের দুর্বলতার সময় বুইয়িদরা খলিফার কাছ থেকে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব কেড়ে নিয়ে তাকে শুধু ধর্মীয় ফিগারহ্যাডে পরিণত করেছিল।
ধর্ম ও রাজনীতির এইরকম বহু বিভাজন ইসলামের ইতিহাসে পাওয়া যায়। মুঘোল ভারতে শরিয়া আইনের পাশাপাশি জাওয়াবিত নামে সেকুলার আইন প্রচলিত ছিল। আর ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ নাম নিয়ে আইসিসের আগে ইতিহাসে আর কোন কোন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হাজির হয়েছে তার খোঁজ করলে আমরা খুঁজে পাবো ‘ইসলামিক স্টেট অফ আফগানিস্তানে’র নাম, যার জন্ম হয়েছিল আফগানিস্থানে সোভিয়েত পতনের পর মার্কিন সমর্থনে। পুরো নব্বই দশকে তালেবানদের ‘ইসলামি আমিরাতে’র বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো এই ‘ইসলামি রাষ্ট্র’কেই সমর্থন দিয়েছে। ২০০১ সাল পর্যন্ত এই ইসলামি রাষ্ট্র জাতিসংঘে প্রতিনিধিত্ব করতো।
Notes:
1 Ahmad. Irfan. (2009). Genealogy of the Islamic state: reflections on Maududi’s political thought and Islamism. Journal of the Royal Anthropological Institute. Volume 15. P. 147.
2 El-Affendi. Abdelwahab A. (2010) Umma, state and movement: events that shaped the modern debate. In: Political Islam: context versus ideology. Saqi Books, London, pp. 10-36.
3 Ahmad. Irfan. (2009). Genealogy of the Islamic state: reflections on Maududi’s political thought and Islamism. Journal of the Royal Anthropological Institute. Volume 15. P.152.
4 Ibid. P.156.
5 Ibid. P. 146.




