7 Responses

  1. maruf
    maruf at |

    একসাথে লিখলেই তো ভাল হত…. প্রতিদিন অপেক্ষা করা ভাল লাগে না.

    Reply
  2. zahidur rahman
    zahidur rahman at |

    ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী যে ক্ষমতা গ্রহনের জন্য আগ্রহী তাকে সেই ক্ষমতা দেওয়া হবে না।

    Reply
  3. Moin Uddin
    Moin Uddin at |

    শিবিরের নের্তৃত্ব ও সিদ্ধান্তে সাবেকদের নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করতে গেলেই যত রকমের ঝামেলাগুলো ঘটে। ২০০৯/‌১০ এর দিকে ঠিক এরকমই একটা ঘটনা ঘটেছিলো। শিশির মনিরকে বিদায় দিয়ে বিদায়ী রেজাউল ভাইকে আবার সভাপতি বানানো হয়েছিলো। ঐ ঘটনার পেছনে জামায়াতের সিদ্ধান্ত কাজ করেছিলো। নতুনরা সব সময়ই নতুন চিন্তায়, নতুন কিছু করার পক্ষে থাকে। পুরোনোরা এতে ভয় পায়। এ ভয়টা অমূলক।

    Reply
  4. Alamgir Hossain
    Alamgir Hossain at |

    একটি মন্দ কাজের জন্য কাউকে আপনি খারাপ বলতে পারেন না।
    তার হয়তো অনেক ভাল কাজ আছে যেটা আপনি জানেন না।

    Reply
  5. zafar sadiq
    zafar sadiq at |

    পর্ব ৩ এবং ৪ পড়তে গিয়ে একটু হোঁচট খেলাম। কিছু অংশ missing মনে হচ্ছে। ক্লিয়ার করলে ভাল হয়।
    ১। পর্ব ৩ এ বলা হয়েছে “শিবিরের বর্তমান নেতৃত্ব সংগঠনের মূল আদর্শ থেকে সরে গেছে। কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা ছাত্রজীবন শেষ হবার পরও শিবির ত্যাগ করছে না। তারা ষড়যন্ত্র করে কেন্দ্রীয় সভাপতিকে পদত্যাগে বাধ্য করে নেতৃত্ব দখল করে নিয়েছে।“
    অন্যদিকে পর্ব ৪ এ বলা হয়েছে “আমি বললাম, ‘আমি আর কোন কারণ জানি না। শাহ জাহান চৌধুরী যা বলেছে তাতে সত্যের লেশমাত্র নেই। মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকতে পারে। তা দূর করার পথও আছে। কিন্তু যা করা হয়েছে তা জঘন্য।’”
    অনাস্থা প্রস্তাবে মুল কি কি বিষয়ে অভিযোগ ছিল, সংক্ষেপে বলা যায়?
    ২। পর্ব ৪ এ বলা হয়েছে “মাওলানা আব্দুল জাব্বারের কথা শুনলাম। জামাতের কর্ম পরিষদের সিদ্ধান্তের কথা শুনলাম। আমি কখনো এ সকল কথা যাচাই করার জন্যে মাওলানা আব্দুল জাব্বারের সাথে দেখা করতে যাইনি। আহমদ আব্দুল কাদেরকে তিনি বলেছেন।“ মাওলানা আব্দুল জাব্বার কি বিষয়ে বলেছিলেন? ইনি কি সেই মাওলানা আব্দুল জাব্বার, যিনি ৭৮- ৭৯ এর দিকে জামায়াতের আমীর ছিলেন?
    ৩। “শুনলাম তোমরা নাকি ৭১এর পর্যালোচনা করতে চাও। এটা কি ঠিক?” “আচ্ছা বলতো, তোমরা যুব সংগঠন কেন করতে চাও?” এই প্রস্তাবনা বা প্রশ্নগুলোর কোন সুত্র পেলাম না আপনার লেখায়। এগুলো কি কার্যকরী পরিষদের প্রস্তাবনা ছিল?

    Reply
  6. ABUSAIF
    ABUSAIF at |

    আসসালাম….. বারাকাতুহ

    যেহেতু ইতিহাসের দায়বদ্ধতা থেকে লিখতে হচ্ছে, যথাসম্ভব সকল বিষয় প্রকাশিত হওয়া উত্তম, তবে অনুমান বা স্মৃতিভ্রম থেকেও সুরক্ষিত থাকা উচিত!

    জনাব zafar sadiq এর প্রশ্নগুলোর জবাব পাঠকদের কৌতূহল মেটাতে সহায়ক হবে মনে করি!

    Reply
  7. Mahbub Al Misbah
    Mahbub Al Misbah at |

    ১৯৮২ সালে শিবির বিভক্তির ঘটনা প্রবাহ নিয়ে সাবেক সেক্রেটারী
    ফরীদ আহমদ রেজা সাহেবের “শিবিরের ক্রান্তিকালঃ ১৯৮২ সালের
    কথকতা” লেখাগুলো পড়লাম। আজ থেকে ৩৩ বছর আগের ঘটনা গুলো অতি
    চমৎকার লিখনী শক্তি দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। তবে যাদেরকে অভিযুক্ত
    করা হয়েছে দুঃখজনক হলো সেই ব্যাক্তি গুলো সব জালিমের কারাগারে
    বন্দী। এতদিন কিছু না বলে ৩৩ বছর পরে কেন আজ ইতিহাস চর্চায় নেমে
    পড়লেন আমি সে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে চাইনা। কারন জামায়াতের
    আওতার বাইরে আরেকটা দল করার জন্য প্রথম ধাপ যুব শিবির প্রতিষ্ঠার
    খায়েশ তাদের আগে থেকে ছিলো। তবে জামায়াত নেতাদের সচেতন করে,
    স্বাভাবিক অবস্থায় ওইসব করতে গেলে তারা ইসলামপন্থী জনগনের সমর্থন
    পাবেন এমন আত্মবিশ্বাস তাঁদের ছিলোনা। তাই জামায়াতকে অন্ধকারে
    রেখে তারা সেই কাজটা করতে গিয়েই পদচ্যুত হন।
    বর্তমানে মূল নেতৃত্বের অন্তরীন অবস্থায় তথ্য ও যোগাযোগের ঘাটতির
    কারনে ময়দানের বাইরে থাকা কিছু হুজুগে ছেলেরা সংস্কার প্রস্তাব
    উত্থাপন করার উৎসাহ পাচ্ছেন বলে মনে হয়। আর কামারুজ্জামান ভাইয়ের
    মজলিসে শুরাকে লেখা পরামর্শ্ মূলক চিঠি ফাঁস করে আগে থেকেই এসব
    প্রেক্ষাপট তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। শুরাকে লেখা চিঠি কিভাবে
    সংবাদ মাধ্যমে যায় এটা চিন্তা করলে প্রি প্ল্যান ষড়যন্ত্রের অনেক কিছু
    পরিষ্কার হয়ে যায়। এখানেও একতরফা মতামতকেই ভিত্তি করা হয়েছে।
    কারো একক চিন্তা চেতনায় সংগঠন বা ইসলাম পরিচালিত হয়না। মজলিসে
    শুরার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংগঠন তাঁর পরিকল্পনা গ্রহন করেন। প্রস্তাব
    বিভিন্নজন বিভিন্ন রকম দিবে আর শুরা আলোচনা করে একটি চূড়ান্ত
    সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে। এর বাহিরে পরিকল্পনা প্রণয়নের কোন সিস্টেম
    সংগঠনে নেই। আমরা চিঠির বিষয়ে সবাই জেনেছি কিন্তু চিঠি প্রাপ্তির
    পরবর্তী আলোচনা, স্বীদ্ধান্ত, মতামত এবং সর্বপরি শুরার মুভমেন্টের
    ব্যাপারে জনগণ অন্ধকারে থেকেছেন। কারন শুরার যেকোন সিদ্ধান্ত
    আলোচনা গোপন থাকার কৌশলী বাধ্যবাধকতা আছে। আর এই
    ব্যাপারটিকে অপব্যবহার করে কল্পিত অবিশ্বাস তৈরি করার চেষ্টা
    হয়েছে। অথচ যে কামারুজ্জামান স্যার জামায়াতে থেকেই শাহাদাত গ্রহণ
    করেছেন, সেই কামারুজ্জামান স্যারকেই জামায়াত ভাঙ্গার ও সংগঠন
    থেকে ভাগানোর অস্ত্র হিসেবে নির্লজ্জ ব্যবহার করা হচ্ছে! ঠিক যেমন
    করা হয় শিশির মনির ভাইকে নিয়েও!
    আসলে ৮২ সালে ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হলে এতদিন পরে ফাঁকা মাঠে খেলার
    সুযোগ নিতে নতুন করে আলোচনাটি সামনে আনা হলো। যেহুতু এখন তাদের
    সাথে ডিবেট করার বা জামায়াতের রুট লেভেলের সমর্থক শ্রেনীকে তথ্য
    দেয়ার স্বাভাবিক পরিবেশ নেই বলেই তারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।
    এই শ্রেনীটি মূলত প্রথম থেকেই নিস্ক্রীয় এবং উস্কানি দাতাদের নিয়ে
    মুখরিত। নিজেরা নিজেদের জ্ঞাণের আলোকে আলাদা শুদ্ধ প্লাটফর্ম
    বানাতে নিজেদের নৈতিক শক্তিমান ভাবতে পারেনি। ইসলামী সমাজ
    ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় জনতার সামনে শক্তিশালী দাবি নিয়ে যাবার যোগ্যতম
    তাঁরা নিজেরাও নিজেদেরকে মনে করেন না। সেই মানসিক শক্তিও তাঁদের
    নেই। ফলে জামায়াতের হাজার দোষ বর্ণনা করলেও শুদ্ধ ইসলামী
    আন্দোলনের প্লাটফর্ম গঠনে তারা হাত দেয়নি।
    তাঁদের আচরণ, কথাবার্তা খেয়াল করলে দেখা যাচ্ছে তাদের কাজ গুলো
    নেগেটিভ। তাঁরা এই কাজ গুলো করছে শুদ্ধতার জন্য নয়, ভালোভাবে গড়া
    নয়, দেখে মনে হয় তাঁদের কাজ ভাঙ্গা, উস্কানি দেয়া, অবিশ্বাস তৈরি
    করা, নিস্ক্রিয়দের প্রবোধ দেয়া, অপবাদ আরোপ করা এবং সংগঠনের
    জনশক্তিকে ভাগিয়ে নিজ পছন্দের একটি প্লাটফর্ম গঠনের অপকৌশল। অথচ
    স্বয়ং ৮২ এর বহিস্কৃত কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আব্দুল কাদের বাচ্চু ভাইও
    আলাদা প্লাটফর্মে করে সেটাকে জামায়াত-শিবিরের চেয়ে অধিক শুদ্ধ,
    রুহানিয়াত সম্পন্ন ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যার্থ হয়েছেন। তিনি
    নিজেও তাঁর দল নিয়ে নতুন কিছু দিতে পারেন নি। তাঁর গড়া
    ছাত্রমজলিশের সকল কিছুই শিবিরের পেটেন্ট। এমনকি বছরের সদস্য
    সম্মেলনের পোস্টারও শিবিরের পোস্টারের নকল করে করা হয়।
    আফসোস হয় এসব জনশক্তিদের জন্য। তাঁরা কি চায় সেটাই আজ পর্যন্ত বলতে
    পারেনি। তাঁরা পারে শুধু অপেনলি সমালোচনা করতে, কিন্তু পারেনি
    সমাধানের পথ দেখিয়ে দিতে। এখনকার পলিসির চেয়ে যদি বেটার কোন
    পলিসি থেকে থাকে সেটা তাঁরা উপস্থাপন করতে পারতো। ফোরামে না
    পারলে এখনকার মত ওপেনভাবেই দিতে পারে। সেদিকে যাওয়ার শক্তি
    এখনও কারো আছে বলে প্রমান দিতে পারেনি। সত্য বলতে কি, শুধু মাত্র
    কিছু ব্যাপারে নিজের চিন্তার ভিন্নতা মেনে নিতে না পেরে আবেগী
    ছাত্রদের সংগঠনটাকে অবিভাবকহীন করতে চায়, তারা কি করে গণমানুষের
    সংগঠন তৈরি করবে? ইসলামের দেখানো মজলিশে শুরাকে যারা ছুড়ে
    ফেলে দেয় তাঁরা আবার কোণ ধরনের শুরা গঠন করবেন?

    Reply

Leave a Reply