হ্যাঁ, হয়তো এটি সেই জায়গা নয়, হয়তো এটি সেই সময়ও নয়। আমরা “মাফ করেছি আর মাফ চাই” এই কথা আমরা অনেকেই বিশ্বাস করি বলেই ২০১০ নিয়ে আমরা এখনও নীরবই আছি, নীরব থাকতে হয়েছে।
তবে এটি না বললেও অবিচার করা হবে যে, ১৯৮২ আর ২০১০ এক কথা নয়।
‘’১৯৮২ সালের কথকতা’’ লিখনিতে অনেক ইতিহাস লিখা হলেও কয়েকটা বিষয় অনুল্লিখিত থেকেছে বিশেষ করে কোন কোন অভিযোগে সদস্যগণ “অনাস্থাপত্র” দিয়েছিলেন। এই প্রশ্নের আলোকে সংগঠনের ভেতরে বিশৃংখলা করে যুবশিবির গঠনের মাধ্যমে আর একটা shadow শিবির বানিয়ে তাঁরা ছিটকে পড়েছিলেন।
আর ২০১০ সালে অধিকাংশ কার্যকরী পরিষদের ( সম্ভবত ২৭ জন, ৪২ জনের মধ্যে) সদস্যবৃন্দ অনাস্থা দেওয়ার পরও সেই অনাস্থাকৃত নেতৃবৃন্দ ছিটকে পড়েননি, বরং অধিকাংশই ( পরিষদ মেম্বার) ছিটকে পড়েছেন।এটি অনুধাবনে ভুল করলে ভবিষ্যতে আরো ভুল হবার সমুহ আশঙ্কা রয়েছে। ২০১০ এর ঘটনায় আমরা প্রত্যেকে কষ্ট পেয়েছি। অনেককে হাউমাউ করে কাঁদতে দেখেছি। চাপা কষ্ট বুকে চেপে ধরেছেন অনেকেই, আর অনেকেই মাফ করেছেন, মাফ চেয়েছেন। কারণ সময়টা প্রতিকূল।
“১৯৮২ বা ২০১০ এর ঘটনা বার বার আলোচনা ইতিহাসের দ্বায়বদ্ধতা হতে পারেনা” কথাটি সত্য নয়।কারন Natural Laws and Processes এর একটা principle আছে যাকে বলা হয় Uniformitarianism আর সেটা হল ‘‘The present is the key to the past’’ সুতরাং বলা যায় ১৯৮২ এর পরে ২০১০ ঘটলো কী করে আর এই শেষ বারে জামায়াত আগের বারের মত সুবিচার করেনি।
ফলে অনেক কূড়ি অংকুরেই নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, অসংখ্য গোলাপের সৌন্দর্য ও সুঘ্রাণ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, অথচ কথা ছিল মালীর সযত্ন দায়িত্ব পালনের; তারপরও বোধ হয় বলা ঠিক নয় যে ইতিহাসের দ্বায়বদ্ধতা নেই। মুমিন এক গর্তে দুইবার দংশিত হয়না এবং যার দিনটি গতকালের চেয়ে উত্তম নয় ধ্বংস তার- এগুলোই আমাদের দায়বদ্ধতার জায়গা। তওবা সংস্কারের প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যেখানে ব্যক্তি ও সমষ্টি উভয়ই শামিল।
আজকের কর্মী যেহেতু আগামীর কান্ডারী আর আমরা বিশ্বাস করি তাঁদের রয়েছে সঠিক বোধশক্তি আর পরিবেশ- পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা, সুতরাং সেটাই আমাদের আগত দিনে সোনালী সম্ভাবনা ও প্রত্যাশা, ইনশাআল্লাহ।





১৯৮২ আর ২০১০ একরকম নয় ।
শুধু এটুকুই বলি সন্দেহ প্রবণতা ইসলামে নিষিদ্ধ ।
যথাযথ সাক্ষী না থাকায় আল্লাহর রাসুল সঃ তরবারিটি কাফিরের বলেই রায় দিয়েছেন , ঈমানদার মুত্তাকি সাহাবির অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন ।
“( কৌশলের দোহাই দিয়ে ) আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা যায়না ।”